Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, জুলাই 6, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইসরাইলকে ঘিরে কী অবস্থান বদলাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
    আন্তর্জাতিক

    ইসরাইলকে ঘিরে কী অবস্থান বদলাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

    নিউজ ডেস্কUpdated:জুলাই 6, 2026জুলাই 6, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আল-জাজিরার বিশ্লেষণ—

    ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বর্তমানে বেশ টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই ধারণা করছেন, দেশ দুটির মধ্যকার এই ‘বিশেষ সম্পর্ক’ কি তবে শেষ হতে চলেছে? 

    ইসরাইলের অনেকের কাছেই এখন এটি অবধারিত মনে হচ্ছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়ন করবেন। ১৯৪৮ সালে অসংখ্য ইহুদিবাদী মিলিশিয়া থেকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী গঠিত হওয়ার পর থেকে এই জোটই তাদের টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে।

    বর্তমানে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এক বিপজ্জনক পথে হাঁটছেন। চলমান দুর্নীতির অভিযোগে তার কারাবাসের ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া চলতি বছরের শেষ দিকে সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

    একদিকে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করে ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ওয়াশিংটনের তাগিদ, অন্যদিকে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে ইসরাইলি জনগণের আকাঙ্ক্ষা—সব মিলিয়ে নেতানিয়াহু তার চার দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন।

    ২০২৫ সালের জুনে ইরানের সঙ্গে পূর্ববর্তী যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তেহরানকে কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, তা নিয়ে মতবিরোধের জেরে এক বছর পর সেই সম্পর্ক আরও অবনতির দিকে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির আলোচনায় ইরান দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি যুদ্ধের অবসানকে একটি প্রধান শর্ত হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। আর এর ফলেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল বড় ধরনের মতবিরোধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    গত মাসে ফাঁস হওয়া একটি ফোন কলের অডিওতে (যা হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেনি) শোনা যায়, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে মরিয়া ট্রাম্প লেবাননে হামলা বন্ধে অস্বীকৃতি জানানোয় নেতানিয়াহুকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করছেন।

    খবরে বলা হয়, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ‘পাগল’ বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ তুলে বলেছেন, তার (ট্রাম্পের) হস্তক্ষেপ না থাকলে নেতানিয়াহুকে এত দিনে জেলেই থাকতে হতো। ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, ‘সবাই এখন তোমাকে ঘৃণা করে। এর কারণে সবাই ইসরাইলকেও ঘৃণা করে।’

    গত সপ্তাহে অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু ‘জানেন যে বস কে’। এটি মূলত দুই নেতার মধ্যে উত্তেজনাকর সম্পর্কেরই একটি স্বীকারোক্তি।

    জুনে এক সংবাদ সম্মেলনে জেডি ভ্যান্স দাবি করেন, ট্রাম্পই বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র নেতা যিনি ইসরাইলের প্রতি সহানুভূতিশীল। যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সম্ভাব্য চুক্তির সমালোচনাকারী ইসরাইলি মন্ত্রীদের তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেন, ‘যেসব প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র আপনাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করেছে, তার দুই-তৃতীয়াংশই আমেরিকানদের হাতে তৈরি এবং আমেরিকান করদাতাদের অর্থে কেনা।’

    ট্রাম্পের ‘ম্যাগা’ শিবিরে অস্বস্তি

    সাম্প্রতিক জরিপগুলো বলছে, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণই ইসরাইলের বিপক্ষে যাচ্ছে না, বরং ট্রাম্পের ডানপন্থি জনতাবাদী ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (ম্যাগা) আন্দোলনের একাংশের মধ্যেও ইসরাইল নিয়ে প্রবল সংশয় তৈরি হয়েছে।

    মার্জোরি টেইলর গ্রিনের মতো কট্টর ম্যাগা-সমর্থকেরা ইসরাইলের প্রতি মার্কিন সমর্থনের কঠোর সমালোচনা করেছেন। ডানপন্থি রাজনীতিতে সবচেয়ে সরব সমালোচকদের অন্যতম সাবেক টেলিভিশন উপস্থাপক টাকার কার্লসন গত জুনের শেষ দিকে বলেন, ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত বুঝতে পেরেছেন যে ইসরাইলই তার প্রশাসনের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি।

    নিজের পডকাস্টের শুরুতে কার্লসন অভিযোগ করেন, ইসরাইল প্রতিবেশী লেবাননে আরেকটি যুদ্ধ শুরুর অজুহাত হিসেবে ইরানে হামলা চালাতে ট্রাম্পকে ‘তোষামোদ, প্ররোচিত ও হুমকি’ দিয়েছে।

    ওয়াশিংটনের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) বিশ্লেষক ড্যানিয়েল বাইম্যান আল জাজিরাকে বলেন, যদিও ট্রাম্প ঐতিহ্যগতভাবে মার্কিন রাজনীতিতে সবচেয়ে ইসরাইলপন্থি দলের (রিপাবলিকান) নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ইসরাইলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর হাতে অন্যান্য বিকল্পও রয়েছে।

    বাইম্যান বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনার যথেষ্ট নমনীয়তা রয়েছে। অনেক রিপাবলিকান কট্টর ইসরাইলপন্থি হলেও প্রেসিডেন্টের নিজস্ব অনুগত সমর্থক গোষ্ঠী রয়েছে এবং তিনি প্রমাণ করেছেন যে তার দলের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকেই তিনি নিজের পথে টানতে পারেন। এক্ষেত্রে অনেক ডেমোক্র্যাটও তার সঙ্গে যোগ দিতে পারেন, কারণ দলটি ক্রমেই ইসরাইলের কঠোর সমালোচক হয়ে উঠছে।’

    ইসরাইলের ইতিহাসে দেশটির জন্য মার্কিন কূটনৈতিক ও সামরিক সহায়তার গুরুত্ব সম্পর্কে সেখানকার খুব কম মানুষই অজানা। ২০১৬ সাল থেকে এক সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইসরাইল ১০ বছরে ৩ হাজার ৮০০ কোটি (৩৮ বিলিয়ন) ডলারের সামরিক সহায়তা পাচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্য কোনো দেশের সর্ববৃহৎ চুক্তি।

    গাজায় ইসরাইলের বিশ্বব্যাপী নিন্দিত ‘গণহত্যামূলক’ যুদ্ধের সময়ও মার্কিন কূটনৈতিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় অন্তত ৭২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ইস্যুতে জাতিসংঘের বিতর্কে ইসরাইলের পক্ষে ওয়াশিংটন অন্তত ছয়বার ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।

    রাজনৈতিক নির্ভরশীলতা

    ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনের দামামা বাজার সঙ্গে সঙ্গে নেতানিয়াহুর অনেক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশের দূরত্ব এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক একঘরে দশাকে হাতিয়ার করছেন। যদিও তাদের অধিকাংশই এই অঞ্চলে ইসরাইলের যুদ্ধগুলোতে সমর্থন দিয়েছিলেন, যা মূলত এই কূটনৈতিক সংকটের জন্ম দিয়েছে।

    জুনের মাঝামাঝি সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ ইসরাইলের প্রধান মিত্রকে পাশে রাখতে নেতানিয়াহুর প্রকাশ্য ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করেন।

    এক্সে তিনি লেখেন, ‘আমরা যদি দ্রুত এই সরকার পরিবর্তন না করি, তবে ইসরাইলের বৈদেশিক সম্পর্ক পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।’

    ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক চিফ অব স্টাফ গাদি আইজেনকোট, যিনি চলতি বছরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করার সবচেয়ে বড় দাবিদার, তিনিও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করতে ছাড়েননি।

    আইজেনকোট সম্প্রতি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে পরিস্থিতি এতটাই খারাপভাবে পরিচালনার অভিযোগ এনেছেন যে, এটি ট্রাম্পকে একা চলতে এবং ইরানের সঙ্গে চুক্তির পথ খুঁজতে বাধ্য করেছে। ফলে ইসরাইল তার এক নম্বর মিত্রের কাছ থেকে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    ইসরাইলি রাজনৈতিক বিশ্লেষক নিম্রোদ ফ্লাশেনবার্গ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রই সেই মূল খুঁটি যা বিশ্বে ইসরাইলের অবস্থান নিশ্চিত করে। ইসরাইলের কাছে যুক্তরাষ্ট্রই সব—তারা ইসরাইলকে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কূটনৈতিক অবস্থান—সবকিছুই দেয়।’

    মার্কিন লেখক ও সাবেক কূটনীতিক অ্যারন ডেভিড মিলার উল্লেখ করেন, ট্রাম্প ইসরাইলের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ানো প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নন, তবে খুব কম প্রেসিডেন্টই এত প্রকাশ্যে এমনটা করেছেন।

    তিনি বলেন, ‘তবে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট বর্তমান প্রশাসনের মতো ভাষায় কথা বলেননি বা ইসরাইলি সমকক্ষের সঙ্গে আলোচনার তথ্য ফাঁস করেননি, যেখানে তাদের হেয় করা হয়েছে। ইসরাইল এর আগে কখনোই কংগ্রেস বা জনগণের (রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় ভোটার) কাছে এতটা অজনপ্রিয় ছিল না।’

    তবে এত উত্তেজনার পরও ট্রাম্প প্রশাসন ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করার কথা ভাবছে—এমন কোনো ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি।

    মিলার বলেন, ‘ট্রাম্প যদি ইসরাইলের ওপর জোরালো চাপ প্রয়োগ করেন, তবে তা এমন কোনো বড় অর্জনের লক্ষ্যেই করবেন যা তাকে ভালো ইমেজ এনে দেবে। তবে লেবানন, গাজা বা ইসরাইল-সৌদি স্বাভাবিকীকরণের মতো এমন কোনো ইস্যু এখন নেই, যা একটি বড় ধরনের যুগান্তকারী সাফল্যের কাছাকাছি রয়েছে এবং ইসরাইলের ওপর এই ধারাবাহিক চাপ প্রয়োগকে যৌক্তিক প্রমাণ করতে পারে।’

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    ইসরায়েলের হাতে ড. হুসাম আবু সাফিয়াকে রক্ষায় পশ্চিমা বিশ্ব পদক্ষেপ নেবে?

    জুলাই 6, 2026
    মতামত

    কেন কানাডা ইউক্রেনের পাশে থাকলেও ‘গাজা’র পাশে নয়?

    জুলাই 6, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ট্রাম্পের চাপে বদলে যাচ্ছে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ

    জুলাই 6, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram
    ‘হাম ব্যবস্থাপনায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ কি পর্যাপ্ত ছিল, আপনি কি মনে করেন?

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.