Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুলাই 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ১১.৭ বিলিয়ন ডলার!
    আন্তর্জাতিক

    বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ১১.৭ বিলিয়ন ডলার!

    নিউজ ডেস্কজুলাই 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ফিফা বিশ্বকাপ সাধারণত ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আনন্দ, আবেগ ও জাতীয় গৌরবের একটি বিশাল উৎসব। কিন্তু মাঠের বাইরেও এই প্রতিযোগিতার প্রভাব যে কতটা বড় হতে পারে, তা যুক্তরাষ্ট্রের কর্মক্ষেত্রের সাম্প্রতিক চিত্রে স্পষ্ট হয়েছে। বিশ্বকাপ চলাকালে অফিসে কর্মীদের উপস্থিতি কমে যাওয়া, দেরিতে কাজে যোগ দেওয়া, সময়ের আগে অফিস ছাড়াসহ বিভিন্ন কারণে দেশটির উৎপাদনশীলতায় প্রায় ১১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    কর্মীদের একটি বড় অংশ ম্যাচ দেখার জন্য নিজেদের দৈনন্দিন সময়সূচি পরিবর্তন করায় ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। শুধু অনুপস্থিতিই নয়, অনেক কর্মী দেরিতে অফিসে পৌঁছেছেন, কেউ নির্ধারিত সময়ের আগে বেরিয়ে গেছেন, আবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও সাক্ষাৎকারও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    বিশ্বকাপের বৈশ্বিক প্রভাব প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার

    এনডিটিভি প্রফিটের প্রতিবেদনে কর্মক্ষেত্র ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান UKG-এর তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের কারণে বিশ্বজুড়ে উৎপাদনশীলতার ক্ষতি প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার হতে পারে।

    এই ক্ষতির পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল কর্মীদের অনুপস্থিতি, অফিসে দেরিতে আসা, সময়ের আগে চলে যাওয়া এবং ম্যাচের সময় অনুযায়ী কাজের সূচি পরিবর্তন করা।

    তবে বৈশ্বিক ক্ষতির বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। দেশটিতে ফুটবলের জনপ্রিয়তা দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকান ফুটবল, বাস্কেটবল ও বেসবলের তুলনায় কিছুটা কম ছিল। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ এবং জাতীয় দলের অগ্রযাত্রা সাধারণ দর্শকদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়।

    ফলে ম্যাচগুলো শুধু নিয়মিত ফুটবল সমর্থকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অনেক সাধারণ কর্মী, পরিবার এবং নতুন দর্শকও যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ দেখতে নিজেদের কাজের সময় পরিবর্তন করেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ের পর সবচেয়ে বড় ধাক্কা

    কর্মক্ষেত্রবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম Envoy-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষ জাতীয় ফুটবল দল বা USMNT প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ার পরদিন কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা যায়।

    ৭ জুলাই অফিসে উপস্থিতি ২৬ শতাংশ কমে যায়। একই দিনে কর্মীদের অফিসে প্রবেশের সংখ্যা কমে ১১.৫ শতাংশ।

    এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ের ম্যাচটি দেশটির ফুটবল দর্শকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ম্যাচের ফলাফল শুধু দর্শকদের আবেগেই প্রভাব ফেলেনি; পরদিন তাদের কর্মজীবনের স্বাভাবিক রুটিনেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে।

    প্রতিবেদনে ওই দিনকে কার্যত “নকআউট মঙ্গলবার” হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হওয়ার পর হতাশা, গভীর রাত পর্যন্ত ম্যাচ দেখা এবং ম্যাচ-পরবর্তী আলোচনা কর্মীদের অফিসে উপস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সুপার বোলের পরের দিনের চেয়েও বড় প্রভাব

    যুক্তরাষ্ট্রে সুপার বোল দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আয়োজনগুলোর একটি। সাধারণত এই প্রতিযোগিতার ফাইনালের পরদিন অফিসে কর্মীদের উপস্থিতি কিছুটা কমে যায়।

    কিন্তু Envoy-এর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ের পর অফিসে উপস্থিতির যে পতন দেখা গেছে, তা চলতি বছরের সুপার বোলের পরের দিনের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

    এই তুলনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দেখায় যে যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক ফুটবলের দর্শকসংখ্যা ও আবেগ আগের তুলনায় দ্রুত বেড়েছে। স্বাগতিক দেশের দল প্রতিযোগিতায় টিকে থাকায় এমন অনেক মানুষও বিশ্বকাপে যুক্ত হয়েছেন, যারা নিয়মিত ফুটবল অনুসরণ করেন না।

    এ কারণে USMNT-এর ম্যাচগুলো জাতীয় পর্যায়ের বড় ঘটনাতে পরিণত হয়েছিল। দলের বিদায় দর্শকদের মধ্যে এমন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, যা কর্মক্ষেত্রের উপস্থিতির হিসাবেও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।

    শুধু কর্মী নয়, কমেছে অফিসে দর্শনার্থীর সংখ্যাও

    বিশ্বকাপের প্রভাব কেবল কর্মীদের অফিসে আসা-যাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অফিসে গ্রাহক, চাকরিপ্রার্থী, সরবরাহকারী এবং ব্যবসায়িক সহযোগীদের উপস্থিতিও কমে যায়।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অফিসগুলোতে দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩২ শতাংশ কমেছে। এই দর্শনার্থীদের মধ্যে ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে অংশ নেওয়া ব্যক্তি, চাকরির সাক্ষাৎকারে আসা প্রার্থী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকারী বা বিক্রেতার প্রতিনিধিরা ছিলেন।

    এই পরিসংখ্যান থেকে ধারণা করা যায়, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান বিশ্বকাপের কারণে পুরোপুরি অফিস বন্ধ করেনি। বরং তারা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য সরাসরি কার্যক্রম অন্য দিনে সরিয়ে নিয়েছে।

    অর্থাৎ উৎপাদনশীলতার ক্ষতি শুধু কর্মীদের অনুপস্থিতির কারণে হয়নি। ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, নিয়োগ প্রক্রিয়া, গ্রাহকের সঙ্গে আলোচনা এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমও সাময়িকভাবে ধীর হয়ে গেছে।

    উৎপাদনশীলতার ক্ষতি কীভাবে হিসাব করা হয়?

    ১১.৭ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি বলতে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে সরাসরি এত অর্থ চলে গেছে—বিষয়টি সব সময় এমন নয়। সাধারণত কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়া, নির্ধারিত কাজ পিছিয়ে যাওয়া, অফিসে কম উপস্থিতি এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বিলম্বের সম্ভাব্য আর্থিক মূল্য হিসাব করে উৎপাদনশীলতার ক্ষতি নির্ধারণ করা হয়।

    কোনো কর্মী কয়েক ঘণ্টা দেরিতে অফিসে এলে বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ অন্য দিনে সরিয়ে দিলে প্রতিষ্ঠানের আউটপুট কমে যেতে পারে। একইভাবে একটি ক্লায়েন্ট মিটিং বাতিল বা স্থগিত হলে কোনো ব্যবসায়িক চুক্তি সম্পন্ন হতেও বেশি সময় লাগতে পারে।

    লাখ লাখ কর্মীর ক্ষেত্রে এ ধরনের ছোট ছোট পরিবর্তন একত্রিত হলে অর্থনৈতিক প্রভাব কয়েক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানো অস্বাভাবিক নয়।

    তবে এই ক্ষতির পুরো অংশ স্থায়ী নয়। পিছিয়ে যাওয়া অনেক কাজ পরবর্তী সময়ে সম্পন্ন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ক্ষতির কিছু অংশ পুনরুদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিকল্পনা, সময়সীমা ও গ্রাহকসেবায় চাপ সৃষ্টি করে।

    যুক্তরাষ্ট্র বাদ পড়তেই স্বাভাবিক হয়েছে অফিস পরিস্থিতি

    স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর কর্মক্ষেত্রের উপস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থার কাছাকাছি ফিরে আসে। প্রতিযোগিতা কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যায়ে প্রবেশ করলেও আগের মতো ব্যাপক হারে কর্মসূচি পরিবর্তনের প্রবণতা দেখা যায়নি।

    এতে বোঝা যায়, মার্কিন কর্মীদের আগ্রহের বড় অংশ সরাসরি তাদের জাতীয় দলের সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত ছিল। USMNT প্রতিযোগিতায় থাকা অবস্থায় ম্যাচগুলো জাতীয় গুরুত্ব পেয়েছিল। কিন্তু দল বিদায় নেওয়ার পর অনেক দর্শকের আবেগ ও নিয়মিত ম্যাচ দেখার আগ্রহ কিছুটা কমে যায়।

    এটি ক্রীড়া অর্থনীতির একটি পরিচিত প্রবণতা। কোনো দেশের জাতীয় দল ভালো করলে শুধু টেলিভিশন দর্শকই বাড়ে না; রেস্তোরাঁ, ক্রীড়া সামগ্রী, বিজ্ঞাপন, অনলাইন আলোচনা এবং সামাজিক আয়োজনও বৃদ্ধি পায়। তবে একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে মনোযোগের ঘাটতি ও সময়সূচির পরিবর্তনও দেখা দিতে পারে।

    ফাইনালের পর প্রভাব কম হওয়ার সম্ভাবনা

    আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ৮০ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে দুই দল বিশ্বকাপের শিরোপার জন্য লড়বে।

    বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ফাইনালের পরের সোমবার কর্মক্ষেত্রে যে প্রভাব পড়বে, তা যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ের পরের “নকআউট মঙ্গলবারের” তুলনায় অনেক কম হতে পারে। এর প্রধান কারণ হলো স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র আর প্রতিযোগিতায় নেই।

    যদিও ফাইনালটি বিশ্বজুড়ে বিপুলসংখ্যক দর্শক দেখবেন, মার্কিন কর্মীদের জন্য ম্যাচটির আবেগগত গুরুত্ব জাতীয় দলের ম্যাচের মতো হওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে ফাইনালের কারণে কিছু দেরিতে উপস্থিতি বা সময়সূচির পরিবর্তন হলেও তা সম্ভবত ৭ জুলাইয়ের মতো বড় হবে না।

    আর্জেন্টিনা ও স্পেনের সামনে ইতিহাস গড়ার সুযোগ

    ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী স্পেন তাদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে খেলছে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে।

    আর্জেন্টিনা এর আগে ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয় করেছে। দলটি ১৯৩০, ১৯৯০ ও ২০১৪ সালেও ফাইনালে উঠেছিল।

    ফিফা জানিয়েছে, স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনা করবেন। ভারতীয় সময় অনুযায়ী ফাইনালটি সোমবার অনুষ্ঠিত হবে।

    কর্মক্ষেত্রের জন্য কী শিক্ষা রয়েছে?

    বিশ্বকাপের সময় যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবস্থাপনাগত শিক্ষা সামনে এনেছে। বড় ক্রীড়া আয়োজনের সময় কর্মীদের আগ্রহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়। বরং কঠোরভাবে ম্যাচ দেখা নিষিদ্ধ করলে কর্মীদের অসন্তুষ্টি এবং গোপনে কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার প্রবণতা বাড়তে পারে।

    প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের সময় সীমিত নমনীয়তা দিতে পারে। যেমন কাজের সময় কিছুটা এগিয়ে বা পিছিয়ে দেওয়া, দূর থেকে কাজের সুযোগ রাখা অথবা নির্ধারিত বিরতিতে ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

    এর বিনিময়ে কর্মীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি নেওয়া সম্ভব। এতে কর্মীদের আবেগ ও আগ্রহকে সম্মান করা হয়, আবার প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কাজও পুরোপুরি বন্ধ থাকে না।

    বিশেষ করে বৈশ্বিক ক্রীড়া আয়োজনের সময় আগেই পরিকল্পনা করলে বৈঠক, সাক্ষাৎকার ও গ্রাহকসেবার সূচি আরও কার্যকরভাবে সাজানো যেতে পারে। এতে হঠাৎ করে বড় ধরনের উপস্থিতি সংকট তৈরি হওয়ার ঝুঁকি কমে।

    খেলাধুলার আবেগের অর্থনৈতিক মূল্য

    ফিফা বিশ্বকাপের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদনশীলতায় সম্ভাব্য ১১.৭ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি বড় একটি সংখ্যা। কিন্তু এটি একই সঙ্গে দেশটিতে ফুটবলের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তারও প্রমাণ।

    একটি ফুটবল ম্যাচ যখন লাখ লাখ মানুষের ঘুম, যাতায়াত, অফিসে উপস্থিতি ও ব্যবসায়িক বৈঠকের সময়সূচি বদলে দেয়, তখন সেটি আর শুধু খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ঘটনায় পরিণত হয়।

    USMNT-এর সাফল্য মার্কিন দর্শকদের বিশ্বকাপের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করেছিল। দলের বিদায়ের পর ২৬ শতাংশ অফিস উপস্থিতি কমে যাওয়া এবং দর্শনার্থীর সংখ্যা ৩২ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার তথ্য সেই আবেগের বাস্তব প্রভাব তুলে ধরে।

    বিশ্বকাপ শেষ হলে কর্মক্ষেত্র আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসবে। তবে এবারের অভিজ্ঞতা দেখিয়ে দিয়েছে, ভবিষ্যতে বড় ক্রীড়া আয়োজনের সময় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু বিজ্ঞাপন ও বাজারের সুযোগ নিয়েই ভাবলে চলবে না। কর্মীদের উপস্থিতি, সময় ব্যবস্থাপনা এবং কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্যও আগাম পরিকল্পনা প্রয়োজন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুক্তরাষ্ট্রে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা হবে না: ট্রাম্প

    জুলাই 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ২০

    জুলাই 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    কানাডার পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

    জুলাই 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.