Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুলাই 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » কানাডার পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের
    আন্তর্জাতিক

    কানাডার পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

    নিউজ ডেস্কUpdated:জুলাই 21, 2026জুলাই 21, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আবারও বড় ধরনের উত্তেজনার মুখে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই নতুন শুল্ক কার্যকর হবে।

    ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি গাড়ি, দুগ্ধজাত পণ্য এবং অ্যালকোহলজাত দ্রব্যের ক্ষেত্রে কানাডা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যমূলক নীতি অনুসরণ করছে। সেই কারণেই এই কঠোর বাণিজ্যিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা ও উৎপাদন খাতকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যেই নতুন শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কানাডা থেকে আমদানি করা ওয়াইন, হকি স্টিক, সিমেন্টসহ বিভিন্ন ভোগ্য ও শিল্পপণ্য ৫০ শতাংশ শুল্কের আওতায় আসবে। তবে সব পণ্যের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য হচ্ছে না। জ্বালানি, পটাশ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং মাছসহ কয়েকটি প্রধান রপ্তানি পণ্য এই শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে। ফলে উভয় দেশের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু খাত আপাতত আগের নিয়মেই চলবে।

    বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, নতুন শুল্ক শুধু সাধারণ আমদানির ক্ষেত্রেই নয়, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মধ্যে বিদ্যমান মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতাভুক্ত পণ্যগুলোর ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। অর্থাৎ কোনো পণ্য ওই চুক্তির সুবিধা ভোগ করলেও যদি তা নতুন শুল্ক তালিকায় থাকে, তাহলে অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হবে। এতে উত্তর আমেরিকার বাণিজ্য কাঠামোয় নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণার পরপরই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা আরও জোরদার করতে প্রস্তুত। তার মতে, আলোচনার মাধ্যমেই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সংকটের সমাধান খুঁজে বের করা সম্ভব।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে কার্নি অভিযোগ করেন, নতুন এই শুল্ক যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, একতরফাভাবে ধারাবাহিক শুল্ক আরোপ করে ওয়াশিংটন দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলছে।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি শুধু বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি দেশের সার্বভৌমত্ব নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, তিনি সম্ভবত ট্রাম্পের সেই বিতর্কিত মন্তব্যের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন, যেখানে ট্রাম্প প্রকাশ্যে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার কথা বলেছিলেন।

    অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই শুল্ক উত্তর আমেরিকার উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার শিল্প খাত, বিশেষ করে অটোমোবাইল, নির্মাণসামগ্রী এবং উৎপাদনশিল্প বহু বছর ধরেই পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। অতিরিক্ত শুল্কের কারণে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    বর্তমান পরিস্থিতি এমনিতেই দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু বাণিজ্যিক বিরোধের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও তামার ওপর ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ, সফটউডের ওপর ৩৫ শতাংশ এবং গাড়িতে ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে তৈরি যন্ত্রাংশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল।

    অন্যদিকে কানাডাও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও কিছু যানবাহনের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের এই প্রবণতা উত্তর আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহের আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। কারণ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না এলে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্যিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে, যার প্রভাব শুধু এই দুই দেশেই নয়, পুরো উত্তর আমেরিকার সরবরাহ ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক বাজারেও পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    মার্কিন সেনা নিহত হলে ‘বহুগুণ মূল্য’ দিতে হবে, ইরানকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

    জুলাই 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    তৃণমূলের রাজনীতিতে ২১ জুলাইয়ের মালিকানা নিয়ে কেন এত কাড়াকাড়ি?

    জুলাই 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরান যুদ্ধে আহত প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা, স্বীকার করল পেন্টাগন

    জুলাই 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.