Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, জুলাই 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তৃণমূলের রাজনীতিতে ২১ জুলাইয়ের মালিকানা নিয়ে কেন এত কাড়াকাড়ি?
    আন্তর্জাতিক

    তৃণমূলের রাজনীতিতে ২১ জুলাইয়ের মালিকানা নিয়ে কেন এত কাড়াকাড়ি?

    নিউজ ডেস্কজুলাই 21, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    তৃণমূলের কাছে বরাবরই ২১শে জুলাই গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: এএফপি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ক্যালেন্ডারে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ২১শে জুলাই, যাকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে সরগরম রয়েছে রাজ্য রাজনীতি । মূলত ১৯৯৩ সালে যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযানের সময় পুলিশের গুলিতে নিহতদের স্মরণে এই কর্মসূচির আয়োজন হলেও ক্রমে তা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ‘শক্তি প্রদর্শনের’ বড় মঞ্চে পরিণত হয়েছে বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।

    যে সময় এই ঘটনা ঘটে, তখন যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী ছিলেন মমতা ব্যানার্জী। পরে তিনি কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ২১শে জুলাইকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের আয়োজিত অনুষ্ঠানের ব্যপ্তি বেড়েছিল, বেড়েছিল জৌলুসও।

    গত বছর পর্যন্তও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতা-কর্মীরা উপস্থিত হতেন। কর্মীদের কেউ কেউ আগের দিন রাতেই চলে আসতেন, কেউ বা বাস, ছোট গাড়ি ভাড়া করে কাকভোরে রওয়ানা দিতেন কলকাতার উদ্দেশে।

    তাদের থাকা, খাওয়া ইত্যাদির ব্যবস্থা, মধ্য কলকাতার এসপ্ল্যানেড অঞ্চলে মঞ্চ বাঁধা- সব মিলিয়ে সাজোসাজো রব পড়ে যেত বেশ কদিন আগে থেকেই। ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে দেখা যেত দলের তাবড় তাবড় নেতাদের, টলিউডের সেলেব্রিটিদের এবং ১৯৯৩ সালে নিহত যুব কংগ্রেসের কর্মীদের পরিবারের সদস্যদেরও।

    তৃণমূলের কাছে এর তাৎপর্যের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সাংবাদিক উজ্জ্বল রায় বলেছেন, “এতদিন ২১শে জুলাই ছিল তৃণমূলের প্রাণ ভোমরা। এই ২১শে জুলাই থেকেই সারাবছর তৃণমূল কী কর্মসূচি নেবে তার একটা রণকৌশল তৈরি হতো এবং ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকেই কর্মীদের উদ্দেশ্যে সে বিষয়ে বার্তা দিতেন মমতা ব্যানার্জী।”

    “দলের রাজনৈতিক দিশা কী হবে, কর্মীরা কী করবে ইত্যাদি, এইভাবেই এতদিন হয়ে এসেছে।”

    গত দুই দশকে আনন্দবাজার পত্রিকা-সহ একাধিক নামকরা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই সাংবাদিক।

    কংগ্রেসের তরফেও ২১শে জুলাইয়ের কর্মসূচি হতো। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে জমায়েত ও জাঁকজমকের দিক থেকে ছাপিয়ে যেত তৃণমূল কংগ্রেস।

    চলতি বছরে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে, বদলেছে রাজনৈতিক সমীকরণও। ২১শে জুলাইকে সামনে রেখে অবশ্য রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা অব্যহত আছে।

    ২০২৫ সালের ২১শে জুলাই আয়োজিত তৃণমূলের সভায় মমতা ব্যানার্জী। ছবি: বিবিসি

    তৃণমূলের ‘ভাঙনের’ পর একদিকে যেমন মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বে ২১শে জুলাইয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছে, তেমনই ঋতব্রত ব্যানার্জীর শিবিরও এই দিনটি পালন করছে।

    একই সঙ্গে তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ‘বিক্ষুব্ধ’ তৃণমূল নেতারাও দিল্লির রাজঘাটে ২১শে জুলাই পালন করবেন। কংগ্রেসের তরফেও এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

    তৃণমূলের তিন শিবির ২১শে জুলাই পালন, কোন শিবির কোথায় অনুষ্ঠান করবে, জমায়েত কত বড় হবে এবং সেখানে কী রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া হয় তাকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে বেশ আলোচনা হচ্ছে।

    এরই মাঝে কংগ্রেসের তরফেও ‘শর্তসাপেক্ষে’ মমতা ব্যানার্জীকে কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, সেই নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে এই বিষয়ে যে কেন প্রতিটা শিবিরই ২১শে জুলাই পালন করতে এতটা সচেষ্ট?

    ২১ শে জুলাইয়ের সমাবেশের ঠিক আগে, ঘটনার তদন্তের রিপোর্ট সোমবার বিধানসভায় পেশ করে একের পর এক অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    ২১শে জুলাই কী ঘটেছিল?

    ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই যুব কংগ্রেসের ডাকে নির্বাচনে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার দাবিতে মহাকরণ অভিযানের সময় পুলিশের গুলিতে ১৩ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।

    যে সমস্ত সাংবাদিকরা ওই ঘটনা কভার করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক সুব্রত সেন। সেই সময় আনন্দবাজার পত্রিকায় সাংবাদিকতা করতেন তিনি।

    ঘটনার কথা স্মরণ করে মি. সেন বলেছেন, “প্রথমে ২১শে জুলাইয়ের মহাকরণ অভিযান কভারের দায়িত্ব আমার ছিল না। আমি কলকাতা প্রেসক্লাবে ছিলাম, সেই সময় বোমা বিস্ফোরণ এবং গুলি চালানোর আওয়াজ শুনতে পাই। আমরা সঙ্গে সঙ্গে সেখানে দৌড়ে যাই। যেখানে ঘটনাটা ঘটে সেখান থেকে প্রেসক্লাবের দূরত্ব খুবই কম।”

    “পৌঁছানো মাত্র পুলিশ আমাদের ব্যারিকেডের অন্যপ্রান্তে টেনে আনে। তারপর বেশ কয়েকটা বোমা পড়ে এবং পুলিশ কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে। সেই সময় আমরা আরও কিছুটা পিছিয়ে যেতে বাধ্য হই।”

    “তারপর যখন ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা চলে তখন কংগ্রেসের মিছিলে গুলি চলে। দু’-তিনটে জায়গায় এই ঘটনা ঘটে এবং মিছিলকে ছত্রভঙ্গ করতে গুলি চলেছিল। আমরা যেখানে ছিলাম, সেখানে সাত-আটজন গুলিবিদ্ধ হন। সব কিছু এত তাড়াতাড়ি ঘটেছিল যে কিছু বোঝার উপায় ছিল না। চোখের নিমেষে সব ঘটছিল।”

    সেই সময় হুড়োহুড়ি শুরু হয়। অনেকে রাস্তায় পড়ে যান বলে জানিয়েছেন মি. সেন।

    “তারপর অফিসে গিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানাই। তারপর আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেখানে যা যা ঘটেছে, প্রত্যক্ষদর্শীরা কী দেখেছেন, আমি যা দেখেছি সব মিলিয়ে একটা প্রতিবেদন লেখার,” বলছিলেন তিনি।

    ২০০৬ সালে ২১শে জুলাই উপলক্ষে আয়োজিত সভায় মমতা ব্যানার্জী। ছবি: বিবিসি

    রাজনীতিতে ২১শে জুলাইয়ের তাৎপর্য

    যে সময় পুলিশের গুলিতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়, সেই সময় বামফ্রন্টের শাসন ছিল। পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনা হয়।

    ওই ঘটনায় নিহতদের স্মরণে ২১শে জুলাইয়ের কর্মসূচি শুরু হয়। মি. সেন বলছিলেন, “আসলে ওটা যুব কংগ্রেসের কর্মসূচি ছিল। তারা প্রথমদিকে কয়েকবার ২১শে জুলাই পালন করেছে। কিন্তু পরে মমতা ব্যানার্জী কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর ২১শে জুলাইয়ের সমাবেশ তারাই করে এসেছে।”

    মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে ২১শে জুলাইয়ের সমাবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই মঞ্চ থেকেই আগামীদিনের পথ চলার একটা দিশা দিতেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাতা মমতা ব্যানার্জী।

    এই প্রসঙ্গে কলকাতার প্রবীণ সাংবাদিক জয়ন্ত চৌধুরী বলেন, “চলতি বছরে ২১শে জুলাই পালনের জন্যএকাধিক দাবিদার থাকলেও এর মূলে মমতা ব্যানার্জীই রয়েছেন। এটা তৃণমূলের বার্ষিক সভা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।”

    “বছরে এই একবারই কেন্দ্রীয় সভা হতো যেখান থেকে তিনি দলের কর্মী থেকে শুরু করে নেতাদের কীভাবে পথ চলা হবে তার বার্তা দিতেন,” বলছিলেন তিনি। বিগত কয়েক দশক ধরে মিজ ব্যানার্জীর রাজনৈতিক পথচলাকে কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন এই সাংবাদিক।

    তার কথায়, “যে বছর নির্বাচন থাকে তার আগের বছর এই সভা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ভোটের ফল প্রকাশের পরও তা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এবং তৃণমূল এই মঞ্চকে সেভাবেই ব্যবহার করে এসেছে এতদিন।”

    ক্ষমতায় আসার পর মমতা ব্যানার্জী একটা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠন করেন।

    ওই কমিশন ২০১৪ সালে সরকারের কাছে একটা রিপোর্ট পেশ করে। কিন্তু ‘কমিশন অব এনকোয়ারিজ অ্যাক্ট অনুযায়ী’ বিধানসভায় ওই রিপোর্ট পেশ করার কথা থাকলেও তা হয়নি বলে অভিযোগ।

    “মমতার আমলেও তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ পায়নি। আসলে ২১শে জুলাই এটা একটা পলিটিকাল শো হয়ে দাঁড়িয়েছিল,” বলেছেন সুব্রত সেন।

    এই প্রসঙ্গে প্রবীণ সাংবাদিক জয়ন্ত চৌধুরী বলেন, “সেই সময় বহু মানুষের সাক্ষ্য নেওয়া হয়, তার মধ্যে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্র সচিব মণীশ গুপ্ত ছিলেন। সেই মণীশ গুপ্তই পরে মমতা ব্যানার্জীর বিদ্যুৎমন্ত্রী হন। ২১শে জুলাইয়ে নিহতদের একজনের পরিচয় আজও জানা যায়নি।”

    সম্প্রতি ক্ষমতায় আসা বিজেপি সরকার অবশ্য জানিয়েছে এই রিপোর্ট জনসমক্ষে পেশ করা হবে।

    তৃণমূল ও ২১শে জুলাই

    সরকর বদল হওয়ার পরে মাস খানেক ধরেই ২১শে জুলাই নিয়ে ‘টানাপড়েন’ দেখা গিয়েছে।

    এসপ্ল্যানেড অঞ্চলে পরিচিত ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে মমতা ব্যানার্জীর সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। শেষে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের কাছে সভার অনুমতি মেলে। তবে সময় ও আগতদের সংখ্যা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

    একাধিক কর্মসূচি পালন হতে চলেছে ২১শে জুলাই এবং বিভিন্ন দল বা শিবিরের কাছে এর গুরুত্ব বিভিন্ন।

    “এক একটা পার্টির কাছে এক একটা দিন গুরুত্বপূর্ণ। তেমনই, ২১শে জুলাই পালন করা তৃণমূলের কাছে একটা নর্ম হয়ে গিয়েছে,” বলে মন্তব্য করেছেন কলকাতার ‘সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সেস’-এর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মইদুল ইসলাম।

    তৃণমূলের শিবিরের কাছে এটা কর্মীদের কাছে ‘প্রভাব বিস্তার’কে কেন্দ্র করে প্রতিযোগিতার দিন বলে মনে করেন উজ্জ্বল রায়।

    তার কথায়, “বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূলে যেহেতু ভাঙন ধরেছে তাই আসল তৃণমূল কংগ্রেস কে এবং তৃণমূল কর্মীদের উপর কার প্রভাব বেশি, তা প্রমাণ করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। কারণ মাঠ পর্যায়ে কাজ করেন কিন্তু এই কর্মীরাই।”

    তার কথায়, “ভাঙনের পর এই যে তিনটে টুকরো হয়েছে তাদের মধ্যে এই নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকবে যে কর্মীরা কোন কর্মসূচিতে যোগ দেন। দ্বিতীয়ত শহীদ (২১ শে জুলাই যাদের মৃত্যু হয়েছিল) পরিবারের সদস্যরাই বা কার সভায় যোগ দেন। এই শহীদ পরিবারকে সামনে রেখেই তৃণমূল কংগ্রেস শৌর্য দেখানোর কাজ শুরু করে। এই বছর এর গুরুত্ব আরো বেশি কারণ ২১ শে জুলাইয়ের রাশ কার হাতে থাকে সেটা দেখার। ওইদিন এটা প্রমাণ হবে যে আগামী দিনে কর্মীদের উপর কার প্রভাব থাকবে।”

    জয়ন্ত চৌধুরী মনে করেন তৃণমূলের অন্দরে যে ভাঙন দেখা গিয়েছে তার সঙ্গে ২১শে জুলাইয়ের একটা সম্পর্ক রয়েছে।

    তিনি বলেছেন, “২০১১ সালে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চেই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের যুব শাখা তৃণমূল যুবার সূচনা হয় এবং অভিষেক ব্যানার্জী আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে পথ চলা শুরু করেন ওই মঞ্চ থেকে। সেই সময় শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন। এটা তিনি ভালভাবে নেননি।”

    “কাজেই অভিষেক ব্যানার্জীকে দায়ী করে আজ যারা দল থেকে বেরিয়ে গিয়েছে, তাদের সেই রাগের সূত্রপাত এবং বর্তমানে দলের ভাঙনের বীজ ২০১১ সালে ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চেই বপন করা হয়েছিল। অভিষেকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তৈরির চেষ্টা এবং তার কারণে দলের ভরাডুবি নিয়ে ইতিমধ্যে সরব হয়েছে অনেকেই।”

    অন্যদিকে, ভোটের ফল প্রকাশের পর ‘ভোট-পরবর্তী হিংসার’ অভিযোগ তুলে সভা এবং পরে বারুইপুরে ছাত্রীকে খুন-ধর্ষণের পর বড় সমাবেশে দেখা যাবে মমতা ব্যানার্জীকে। “তাকে আগের ফর্মে দেখা যায় কি না সেটাও দেখার আছে,” বলে মনে করেন মি. রায়।

    এই কর্মসূচি কংগ্রেসের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ বটে।

    “১৯৯৩ সালে ঘটনাটা যুব কংগ্রেসের রাইটার্স বিল্ডিং অভিযানকে ঘিরে হয়েছিল, তাই কংগ্রেসও ২১শে জুলাই কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে তেমন কিছু একটা করতে পারেনি যেভাবে মমতা ব্যানার্জীর মুখ সামনে রেখে তৃণমূল করে এসেছে,” বলেছেন উজ্জ্বল রায়।

    ঋতব্রত ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন শিবিরও এই কর্মসূচি পালন করবে। ছবি: এএনআই

    ‘বিরোধীরা দিশেহারা হওয়ায় বিজেপির লাভ’

    বিজেপির কাছেও ২১ শে জুলাই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

    ২১ শে জুলাইয়ের তদন্ত রিপোর্ট সোমবার বিধানসভায় পেশ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। কমিশনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের বিষয়ে জানিয়েছেন তিনি।

    কমিশনের তরফে ওইদিন মহাকরণ থেকে অতদূরে গুলি চালানোর প্রয়োজন ছিল না বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও বিধানসভায় মন্তব্য করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, তদন্তের সময় মমতা ব্যানার্জী তথ্য দেননি।

    নিহতদের পরিবারের কেউ যদি এখন অভিযোগ জানাতে চান, তাহলে সরকার সহযোগিতা করবে বলে সোমবার জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    রিপোর্টে থাকা সুপারিশ তৃণমূল সরকার বাস্তবায়িত করেনি বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে তৃণমূলের এই ভাঙনের ফলে আসলে লাভবান হচ্ছে বিজেপি।

    ড. মইদুল ইসলামের কথায়, “আসলে ভোটে হেরে গিয়ে বিরোধীরা দিশেহারা হয়ে গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর যারা প্রিন্সিপাল অপোজিশন (মূল বিরোধী দল) ছিল মানে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস, তাদের মধ্যে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছে।”

    “যেহেতু পার্টির মধ্যে বলিষ্ঠ মতবাদ ছিল না, নেতৃত্ব নিয়ে সমস্যা ছিল, পার্টির অন্দরে ইন্টারনাল ডেমোক্রেসির অভাব ছিল বলেও অনেকে অভিযোগ করেছেন-এই সব মিলিয়ে তারা এখন দিশেহারা। এতে বিজেপির আরো বেশি সুবিধা হচ্ছে, কোনো স্ট্রং অপোজিশনের মোকাবিলা করতে হচ্ছে না,” বলছেন ড. ইসলাম।

    সূত্র: বিবিসি

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি কাতারের

    জুলাই 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    স্পেনে ভূমিকম্পের আঘাত

    জুলাই 21, 2026
    বাংলাদেশ

    সুশীলরা দুর্গত মানুষের পাশে থাকেন না কেন?

    জুলাই 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.