ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে ঘিরে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল বলেন, এ সংবাদ সম্মেলনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি জানান, বুধবার দিল্লি থেকে শেখ হাসিনা যে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হবেন, সেটি একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রনধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এটি একটি বেসরকারি সংস্থার আয়োজন। এতে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এই ফোরামে দেওয়া কোনো বক্তব্য ভারত সরকার সমর্থন করে না।’
এর আগে সোমবার ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে ঢাকার উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বৈঠকে তিনি শেখ হাসিনার সম্ভাব্য বক্তব্যের বিষয়টি উল্লেখ করে ভারতের সহযোগিতা কামনা করেন।
তৌহিদ হোসেন ভারতের হাইকমিশনারকে জানান, ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের ব্যক্তি যাতে সে দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগও যেন না থাকে, সে বিষয়েও সহযোগিতা চাওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
জবাবে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার কথাও জানান।

