Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, আগস্ট 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » “দশ শতাংশ প্যাট্রিয়ট দিলেই রাশিয়ার সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দেব”— জেলেনস্কি
    আন্তর্জাতিক

    “দশ শতাংশ প্যাট্রিয়ট দিলেই রাশিয়ার সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দেব”— জেলেনস্কি

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 13, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    পুতিনের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনাকে ‘ছলনা’ বললেন জেলেনস্কি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    কিয়েভ থেকে পাওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এমন এক বাস্তবতার কথা তুলে ধরেছেন, যা শুনে বোঝা যায় যুদ্ধ এখন কেবল রণাঙ্গনে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে ওয়াশিংটনের অস্ত্রভাণ্ডারের হিসাব-নিকাশের সঙ্গেও। সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে যে পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র জরুরি ভিত্তিতে দরকার, তার মাত্র এক-দশমাংশ এখন তাদের হাতে আছে। প্রতিদিনের রুটিন যেন এখন এক অন্তহীন ফোনালাপের চক্র— মিত্রদের সঙ্গে গোপন দর-কষাকষি, যার বিস্তারিত তিনি প্রকাশ্যে বলতেও নারাজ।

    সাক্ষাৎকারে সিএনএনের প্রতিবেদক দল ছিলেন নিক প্যাটন ওয়ালশ, ন্যাটালি রাইট, দারিয়া তারাসোভা-মার্কিনা এবং ভিক্টোরিয়া বুতেনকো।

    রাজধানীর ওপর বাড়তে থাকা চাপ

    সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক হামলার গতি অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, আর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাজধানী কিয়েভ। মস্কো কার্যত সুযোগ নিচ্ছে ইউক্রেনের প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে যাওয়ার। জেলেনস্কির ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান মজুতের মাত্র দশ শতাংশ পেলেই রাশিয়ার সব ব্যালিস্টিক হামলা ঠেকিয়ে দেওয়া সম্ভব, আর মাত্র পাঁচ শতাংশ পেলেই শীতকালটা তারা টিকে থাকতে পারবে।

    তিনি বলেন, এ বছর ২০২৫ সালের তুলনায় তাদের হাতে আড়াই গুণ কম ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র আছে, অথচ রাশিয়া প্রতি মাসে আগের চেয়ে দ্বিগুণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনীয় বেসামরিক নাগরিকদের জন্য চলতি বছরের জুলাই মাস ছিল ২০২২ সালের এপ্রিলের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাস। জেলেনস্কি বর্ণনা করেন, প্রতি রাতেই হামলা চলে, আর মাসে চার-পাঁচবার ঘটে বড় আকারের ভয়াবহ হামলা— রাত হয়ে ওঠে দুঃসহ। তাঁর ভাষায়, মানুষ অসম্ভব সাহসী আর সহনশীল, কিন্তু তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

    তিনি সরাসরি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি পাঁচ শতাংশ বিক্রি করে, তাহলে শীতকাল পার করে মানুষের জীবন বাঁচানো যাবে। আর দশ শতাংশ পেলে রাশিয়ার সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব হবে। অথচ এই মুহূর্তে তাঁর হাতে আছে মাত্র এক শতাংশ।

    অস্ত্রের জন্য নিভৃত কূটনীতি

    জেলেনস্কি স্বীকার করেছেন যে ইন্টারসেপ্টর জোগাড় করতে তাঁকে প্রতিদিন যে পরিশ্রম করতে হয়, তা অনেকটাই আড়ালে থাকা এক লড়াই। তাঁর ভাষায়, এক শতাংশ থেকে পাঁচ শতাংশে পৌঁছানোর চেষ্টাতেই কেটে যায় তাঁর মাসগুলো, লাখো ফোনকলের মধ্য দিয়ে। কখনো কখনো একরকম জিনিসের বিনিময়ে ক্ষেপণাস্ত্র জোগাড়ের চেষ্টা করেন তিনি— এমন কিছু বিষয় আছে যা তিনি প্রকাশ করতেও পারেন না। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এসব কার্যক্রম আইনের বাইরে নয়, কেবল প্রকাশ্যে বলার সুযোগ নেই।

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে নিজস্বভাবে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর তৈরির অনুমতি দেওয়ার ব্যাপারে যে অঙ্গীকার করেছিলেন, তা বাস্তবায়িত হবে কি না তা নিয়ে এখনো সংশয় প্রকাশ করেছেন জেলেনস্কি। আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউক্রেনকে এই জটিল ইন্টারসেপ্টর ব্যবস্থা নিজেরাই তৈরির লাইসেন্স দেওয়া হবে। কিন্তু কয়েক দিন পরই তিনি নিজেই এ বিষয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন। প্যাট্রিয়ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য কিয়েভে গেলেও এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট ফলাফল আসেনি।

    ৮ জুলাই আঙ্কারার বেসতেপে প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ন্যাটো নেতৃবৃন্দের শীর্ষ সম্মেলনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

    জেলেনস্কি বলেন, তিনি আশা করছেন শেষ পর্যন্ত এই সুযোগ তিনি পাবেন। কিন্তু এখনো তাঁর হাতে পাঁচ শতাংশও নেই, আর এই অনুমোদনও এখনো মেলেনি। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটিকে তিনি নিজের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলে বর্ণনা করেছেন।

    হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ, তবে অস্পষ্ট বিস্তারিত

    জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি সরাসরি ফোনকল, বার্তা এবং মিত্রদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে হোয়াইট হাউসের কাছে প্যাট্রিয়ট সহায়তা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে চলেছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক আলাপ-আলোচনার বিস্তারিত জানাতে তিনি অনীহা প্রকাশ করেছেন।

    তিনি স্বীকার করেছেন যে সম্প্রতি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে তাঁর ফোনালাপ হয়েছিল। তবে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে যে দাবি করা হয়েছিল— ভ্যান্স কৃষ্ণসাগরের একটি রুশ তেল বন্দরে হামলা বন্ধ রাখার অনুরোধ করেছিলেন, কারণ এতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর ক্ষতি হচ্ছিল এবং বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির শঙ্কা তৈরি হচ্ছিল— সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে তিনি রাজি হননি।

    থমকে থাকা শান্তি প্রক্রিয়া ও দনবাসের প্রশ্ন

    ট্রাম্পের উদ্যোগে শুরু হওয়া শান্তি প্রক্রিয়া সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বলে মনে হলেও কিয়েভ নতুন প্রস্তাব হাজির করেছে বলে জানান জেলেনস্কি। যদিও বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি, তবে বলেন, শান্তি পরিকল্পনায় আমেরিকার আরও বেশি সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ট্রাম্পের দলের প্রতি, যারা এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে চাইছে। তবে তাঁর ভাষায়, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এখনই যুদ্ধ থামাতে আগ্রহী নন, এবং তাঁর ওপর যথেষ্ট চাপও তৈরি হয়নি।

    দনবাসের অবশিষ্ট অঞ্চল পুতিনের কাছে ছেড়ে দেওয়ার যে ধারণা রয়েছে, তা তিনি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন, বলেছেন নিরাপত্তা নিশ্চয়তাই কিয়েভের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাঁর প্রশ্ন— রাশিয়া যখন এই যুদ্ধ নিয়ে কথা বলে, তারা কেবল ভূখণ্ডের কথাই বলে। কিন্তু প্রকৃত প্রশ্ন হলো, বড় একটা বিরতির পর পুতিন কেন আবার দশ-বিশ লাখ অতিরিক্ত সেনা নিয়ে হাজির হবেন না? কেন তিনি আবার দখলে আসবেন না?

    ন্যাটোর প্রতি নতুন শঙ্কা

    সাক্ষাৎকারে যুক্ত একটি প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী পুতিন এমন একটি হামলা চালাতে পারেন যার লক্ষ্য হবে ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষা করা। ২২ জুন মস্কোয় অজ্ঞাত সেনাসমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।

    জেলেনস্কি পশ্চিমা এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, পুতিন হয়তো ন্যাটোর ছোট বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিস্তৃত করার চেষ্টা করতে পারেন। তাঁর বিশ্লেষণ, পুতিন জানেন না বড় দখল বা বড় বিজয় ছাড়া কীভাবে এই যুদ্ধ শেষ করতে হয়। তাই তাঁর জন্য সহজ পথ হলো কোনো ছোট দেশ খুঁজে বের করা— সে দেশ ন্যাটোভুক্ত হোক বা না হোক, তাতে তাঁর কিছু যায় আসে না। তিনি চান দ্রুত বিজয়, এমন এক বিজয় যেখানে তিনি শতভাগ নিশ্চিত থাকবেন যে জিতবেন, দখল করবেন, ধ্বংস করবেন অথবা নিয়ন্ত্রণে নেবেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    লাখ লাখ জেলিফিশের ঝাঁকে বন্ধ ফ্রান্সের বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

    আগস্ট 13, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ট্রাম্প বলছে তেল সরবরাহ ঠিক আছে, কিন্তু বাস্তব চিত্র কি তাই?

    আগস্ট 12, 2026
    ফিচার

    ‘চার ফুট লাফ দিয়ে যেতে হতো’, বাঁধ পেরিয়ে যেভাবে স্কুলে যেত মধ্যপ্রদেশের শিক্ষার্থীরা

    আগস্ট 12, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.