যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বড় জয়ের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক ও আর্থিক চাপ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ আটকে দেওয়ার মাধ্যমে প্রেসিডেন্টকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য করার চেষ্টা করতে পারেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা।
তবে বিষয়টি যতটা সহজ মনে হচ্ছে, বাস্তবে ততটা নয়। মার্কিন সংবিধান প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসে পাস হওয়া আইনে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে। ফলে শুধু যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব অনুমোদন করেই ট্রাম্পকে সামরিক অভিযান থামাতে বাধ্য করা কঠিন হতে পারে। অন্যদিকে অর্থ বরাদ্দ বন্ধের উদ্যোগও বড় রাজনৈতিক সংঘাতের জন্ম দিতে পারে।
৫ নভেম্বর প্রকাশিত এশিয়া টাইমসের এক বিশ্লেষণে মার্কাস ওয়াগনার তুলে ধরেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ডেমোক্র্যাটদের সামনে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করার কী কী পথ রয়েছে এবং সেগুলো বাস্তবায়নে কোন ধরনের বাধার মুখে পড়তে হতে পারে।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের সামনে প্রধানত তিনটি পথ খোলা রয়েছে। প্রথমটি হলো কংগ্রেসে আইন বা প্রস্তাব পাস করে যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করা। দ্বিতীয়টি যুদ্ধ পরিচালনা নিয়ে তদন্ত ও প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা। আর তৃতীয় এবং সম্ভবত সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সামরিক অভিযানের জন্য অর্থ বরাদ্দ সীমিত করা।
ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে থাকা মার্কিন কংগ্রেস সম্ভবত ইরান যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নেবে।
কংগ্রেস চাইলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারে। এর আগেও এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। গত জুনে কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্যের সমর্থন নিয়ে কংগ্রেসে একটি যৌথ প্রস্তাব পাস হয়। এতে প্রেসিডেন্টকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার অথবা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
১৯৭৩ সালের যুদ্ধক্ষমতা-সংক্রান্ত আইনের ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে এ ধরনের যৌথ প্রস্তাব সাধারণত সরাসরি আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করে না। মূলত কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থান প্রকাশ করতেই এগুলো ব্যবহার করা হয়।
ট্রাম্প ওই প্রস্তাব উপেক্ষা করেন। পরে সেপ্টেম্বরে একই ধরনের আরেকটি প্রস্তাব সিনেটে অনুমোদন পেতে ব্যর্থ হয়।
নতুন কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও প্রেসিডেন্টের ভেটো ক্ষমতা তাদের জন্য বড় বাধা হয়ে থাকবে। যুদ্ধ বন্ধে বাধ্যতামূলক আইন পাস করা হলে ট্রাম্প সেটিতে ভেটো দিতে পারেন। সেই ভেটো অকার্যকর করতে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হবে।
অর্থাৎ ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাকেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এমন সমর্থন পাওয়া কতটা সম্ভব, তা এখনো অনিশ্চিত।
ডেমোক্র্যাটদের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পথ হতে পারে ইরান যুদ্ধ পরিচালনার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে কংগ্রেসের তদন্ত শুরু করা। এর আওতায় ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য শুনানিতে ডাকা, সরকারি নথিপত্র চাওয়া এবং প্রয়োজন হলে সমন জারি করার সুযোগ রয়েছে।
এ ধরনের তদন্তে যুদ্ধের ব্যয়, সামরিক সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং অভিযানের আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হতে পারে। এতে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এমনকি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগও নেওয়া হতে পারে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিনিধি পরিষদের সম্ভাব্য পরবর্তী স্পিকার হিসেবে আলোচনায় থাকা ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস দলের প্রগতিশীল অংশের চাপের মুখে কঠোর অবস্থান নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের বিরুদ্ধে অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় আসতে পারে।
তবে এমন পদক্ষেপের আইনগত ভিত্তি এখনো স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও কোনো কর্মকর্তাকে অভিশংসনের পর পদ থেকে অপসারণ করতে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন। ফলে রিপাবলিকানদের উল্লেখযোগ্য সমর্থন ছাড়া তা বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।
তদন্তের আরেকটি সীমাবদ্ধতা হলো সময়। কংগ্রেসের তদন্ত ও শুনানি দীর্ঘ প্রক্রিয়া হওয়ায় এগুলোর মাধ্যমে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করা সম্ভব নাও হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে ডেমোক্র্যাটদের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হতে পারে সামরিক অভিযানের অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণ। মার্কিন সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদের নবম ধারায় বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী বরাদ্দ ছাড়া সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
এই সাংবিধানিক ক্ষমতার মাধ্যমে কংগ্রেস সরকারি ব্যয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। ফলে আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব নেওয়ার পর ইরান যুদ্ধের জন্য নতুন অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তারা প্রতিরক্ষা বাজেটে এমন শর্ত যুক্ত করার চেষ্টা করতে পারেন, যাতে বরাদ্দ করা অর্থ ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা না যায়।
তবে এখানেও রাজনৈতিক ঝুঁকি রয়েছে। ট্রাম্প এমন বাজেট প্রস্তাবে ভেটো দিতে পারেন। এতে শুধু যুদ্ধের অর্থায়ন নয়, সামরিক বাহিনীর অন্যান্য কার্যক্রমের অর্থ বরাদ্দও জটিলতায় পড়তে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে মার্কিন সেনাদের প্রয়োজনীয় অর্থ আটকে দেওয়ার অভিযোগ তুলতে পারেন। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা যুক্তি দিতে পারেন, অজনপ্রিয় ও ব্যয়বহুল যুদ্ধ বন্ধ করতেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে এর আগেও একই ধরনের সংঘাত দেখা গেছে। ২০০৭ সালে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে অর্থ বরাদ্দকে চাপ প্রয়োগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন ডেমোক্র্যাটরা।
তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ সেই উদ্যোগে ভেটো দেন। এরপর উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে মার্কিন সেনাদের অর্থায়ন ঝুঁকিতে ফেলার অভিযোগ তোলে। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় ডেমোক্র্যাটরা নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেন।
ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রেও একই ধরনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। ফলে অর্থ বরাদ্দ আটকে দেওয়ার ক্ষমতা থাকলেও ডেমোক্র্যাটরা সেই ক্ষমতা কতদূর প্রয়োগ করবেন, সেটিই বড় প্রশ্ন।
এদিকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয় ট্রাম্পের নিজ দলের মধ্যেও ইরান যুদ্ধ নিয়ে মতপার্থক্য সামনে নিয়ে এসেছে।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ট্রাম্প স্বীকার করেছেন, ইরান যুদ্ধ রিপাবলিকানদের পরাজয়ে ভূমিকা রেখেছে। তবে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেননি। বরং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে প্রয়োজন হলে আবারও একই সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন।
অন্যদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আরও স্পষ্টভাবে যুদ্ধের রাজনৈতিক প্রভাবের কথা বলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিস্তারিত বিবৃতিতে তিনি রিপাবলিকানদের নির্বাচনী পরাজয়ের প্রধান কারণ হিসেবে ইরান যুদ্ধকে চিহ্নিত করেছেন।
ভ্যান্সের মতে, নির্বাচনের পর দলকে কোন পথে এগোতে হবে, সে বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে হলে প্রথমেই যুদ্ধের ভূমিকা স্বীকার করতে হবে।
দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের সমালোচক হিসেবে পরিচিত ভ্যান্স। যদিও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি প্রকাশ্যে ট্রাম্পের ইরানসংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিয়ে এসেছেন।
তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ভ্যান্সের অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল রিপাবলিকান দলের অন্য নেতাদেরও ট্রাম্পের যুদ্ধনীতি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলার সুযোগ করে দিতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রশ্নে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কিছু রিপাবলিকান নেতার অবস্থান কাছাকাছি আসার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তবে ভ্যান্স সরাসরি ডেমোক্র্যাটদের কোনো উদ্যোগে সমর্থন দেবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ইরান যুদ্ধের আর্থিক ব্যয়ও ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে এই সামরিক অভিযানে প্রায় ৫ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করেছে। অথচ এত বিপুল ব্যয়ের তুলনায় অর্জন সীমিত বলে মনে করছেন লেখক।
এর পাশাপাশি যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। ইরান এই সমুদ্রপথকে কৌশলগত চাপ প্রয়োগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার সক্ষমতা দেখিয়েছে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
একইভাবে ইয়েমেনের উপকূলবর্তী বাব আল-মান্দেব প্রণালিও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইরানঘনিষ্ঠ হুতি গোষ্ঠীর বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কারণে এই পথের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
ফলে ইরান যুদ্ধের প্রভাব শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামরিক সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ, পণ্য পরিবহন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গেও এই যুদ্ধের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষক মার্কাস ওয়াগনারের মতে, যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও থেকে যেতে পারে। এমনকি স্নায়ুযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এককেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার ওপরও এই সংঘাত বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
তার মূল্যায়নে, ইরান যুদ্ধের ভূরাজনৈতিক সুবিধা শেষ পর্যন্ত তেহরানের চেয়ে বেইজিং বেশি পেতে পারে। কারণ, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাব দুর্বল করতে পারে।
সব মিলিয়ে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধনীতিকে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখে দাঁড় করিয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ আসায় যুদ্ধ বন্ধে আইন প্রণয়ন, তদন্ত এবং অর্থ বরাদ্দ সীমিত করার মতো একাধিক পথ তৈরি হয়েছে।
তবে প্রেসিডেন্টের ভেটো ক্ষমতা, রিপাবলিকানদের সম্ভাব্য অবস্থান এবং সামরিক অর্থায়ন নিয়ে রাজনৈতিক সংঘাতের ঝুঁকি ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় বাধা হয়ে থাকতে পারে।
আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব নেওয়ার পরই বোঝা যাবে, ইরান যুদ্ধ বন্ধের প্রশ্নে ডেমোক্র্যাটরা কতটা কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে ট্রাম্পের নিজ দলের নেতারা তার পাশে থাকবেন, নাকি যুদ্ধের বিরোধিতায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হবে, সেটিও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।