মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার ঘোষণা করেছেন, তিনি ওরেগনের পোর্টল্যান্ড শহর ও অভিবাসন দপ্তরের (আইসিই) স্থাপনাগুলো সুরক্ষার জন্য সেনাবাহিনী পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, দেশীয় সন্ত্রাসী ও অ্যান্টিফা হামলার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে সেনারা ‘পূর্ণ শক্তি’ ব্যবহার করবে।
রয়টার্স অনুসারে, এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন ডেমোক্র্যাট-নেতৃত্বাধীন পোর্টল্যান্ডের মেয়র কিথ উইলসন এবং ওরেগনের গভর্নর টিনা কোটেক।
মেয়র উইলসন বলেন, “পোর্টল্যান্ড বা অন্য কোনো শহরে সেনার প্রয়োজন নেই। প্রেসিডেন্ট এখানে আইন লঙ্ঘন বা সহিংসতা খুঁজবেন, যদি না তিনি নিজেই তা সৃষ্টি করেন।”
গভর্নর কোটেক বলেন, “কোনো বিদ্রোহ নেই, জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি নেই এবং আমাদের প্রধান শহরে সামরিক সেনার কোনো প্রয়োজন নেই।”
ডেটা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে পোর্টল্যান্ডে হত্যাকাণ্ডের হার গত বছরের তুলনায় ৫১% কমেছে। সমপরিমাণ জনসংখ্যার শহরগুলোর মধ্যে লুইসভিলে ৫৬টি এবং মেমফিসে ১২৪টি হত্যাকাণ্ড হয়েছে, যেখানে পোর্টল্যান্ডে ঘটেছে মাত্র ১৭টি।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর রন ওয়াইডেন অভিযোগ করেন, ট্রাম্প ২০২০ সালের মতো এবারও সেনা পাঠিয়ে সংঘাত উসকে দিতে চাইছেন। সে সময় জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের পর পোর্টল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে বিক্ষোভ চলছিল এবং সেনা মোতায়েন পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত করেছিল।
ট্রাম্প ন্যাশনাল গার্ড পাঠাচ্ছেন নাকি সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সেনা—এটি এখনও নিশ্চিত করেনি পেন্টাগন। তবে প্রতিরক্ষা দপ্তরের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের নির্দেশে তারা পোর্টল্যান্ডে সেনা সমর্থনে প্রস্তুত।

