Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, এপ্রিল 30, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সর্বকালের সর্বোচ্চ ইসরায়েল বিরোধী অনুভূতি যুক্তরাষ্ট্রে: জরিপ
    আন্তর্জাতিক

    সর্বকালের সর্বোচ্চ ইসরায়েল বিরোধী অনুভূতি যুক্তরাষ্ট্রে: জরিপ

    এফ. আর. ইমরানUpdated:অক্টোবর 1, 2025অক্টোবর 1, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আমেরিকান সমাজে পালাবদল ঘটেছে— ঐতিহ্যগতভাবে ইসরায়েল পক্ষপাতি যুক্তরাষ্ট্রের জনমতে এবার দেখা গেছে ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব লক্ষণীয়। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা ইউনিভার্সিটির যৌথ জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে, যা বিশেষ চিন্তার কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    জরিপে স্পষ্ট হয়েছে যে এখন আমেরিকান ভোটারদের বড় অংশ ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে চাইছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ওই হামলার পর যে প্রথম প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল—তার থেকে ধীরে ধীরে জনমত বদলে গিয়েছে এবং গাজার সংঘাতের চলমান পরিস্থিতি এতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

    সব মিলিয়ে জরিপের প্রধান ফলাফলগুলো এমন—আগের তুলনায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতি বেড়েছে এবং ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন কমে এসেছে। ৭ অক্টোবরের পরে যে জরিপগুলোতে দেখা গিয়েছিল তখন মার্কিন ভোটারের ৪৭ শতাংশ ইস্‌রায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং ২০ শতাংশ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক জরিপে ইস্রায়েলকে সমর্থন জানায় ৩৪ শতাংশ, আর ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সাড়া দিয়েছে ৩৫ শতাংশ। একই সঙ্গে প্রশ্নে নিরপেক্ষ থেকেছে ৩১ শতাংশ উত্তরদাতা।

    জরিপটি ২২—২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইংরেজি ও স্প্যানিশ ভাষায় পরিচালিত হয় এবং এতে ১,৩১৩ জন অংশ নেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমীক্ষার ফল থেকে বোঝা যায় যে বেশিরভাগ মার্কিনি এখন মনে করেন ইসরায়েলকে অতিরিক্ত আর্থিক বা সামরিক সহায়তা পাঠানো উচিত নয়; এবং অধিকাংশই ইসরায়েলের উচিত যুদ্ধে বিরতি আনা—এমন মনোভাব ব্যক্ত করেছেন, যদিও সব জিম্মি ছাড়া বা হামাসের নির্মূল না হওয়া পর্যন্তই কিমানটা কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা ভিন্ন আলোচনা।

    আরেক জরুরি ফল হলো—অনেক মার্কিনি মনে করছেন ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে গাজার বেসামরিক নাগরিকদের মারছেন; এই ধারনার সমর্থক সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণে উঠে এসেছে। এ কথা জরিপ বিশ্লেষকরা বিশেষভাবে নজর দিচ্ছেন।

    রাজনৈতিক বিভাজনেও পরিবর্তন দৃশ্যমান। তরুণ ভোটাররা—দলমত নির্বিশেষে—ইসরায়েলকে আর বড় পরিসরে সহায়তা দিতে রাজি নয়; ৩০ বছরের নিচে প্রতিটি দশ জনের সাতজনই বলছেন তারা ইসরায়েলের আর্থিক ও সামরিক সহায়তার পক্ষে নেই। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মধ্যে ফিলিস্তিনের প্রতি সহানুভূতি বেড়ে গিয়েছে অত্যন্ত দ্রুত: জরিপে দেখা গেছে ডেমোক্র্যাটিকদের মধ্যে ৫৪ শতাংশ এখন ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকছেন, আর ইসরায়েলকে সমর্থন করছেন মাত্র ১৩ শতাংশ। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে প্রায় আট-দশকই মনে করছেন—even if objectives not fully met—ইসরায়েলকে সবশ্রেণীর লক্ষ্য অর্জন না হওয়া সত্ত্বেও যুদ্ধ থামাতে হবে।

    রিপাবলিকানদের মধ্যেও সমর্থন কমেছে; ২০২৩ সালে যেখানে ৭৬ শতাংশ রিপাবলিকান ইসরায়েলের পক্ষে ছিল, এখন তা দাঁড়িয়েছে ৬৪ শতাংশে। এখন একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রিপাবলিকানও বলছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজার বেসামরিকদের সুরক্ষায় যথেষ্ট চেষ্টা করছে না।

    জরিপ বিশ্লেষকেরা ইঙ্গিত দিচ্ছেন—এভাবে জনমত পরিবর্তিত থাকলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সম্পর্কেও চাপ সৃষ্টি হতে পারে; এমনকি রাজনৈতিক স্তরে মিত্র সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা তুল্যভাবে বাড়তে পারে। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ১৯৪৮ সাল থেকে ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র বলে মনে করা হলেও, সাম্প্রতিক জনমত দেখাচ্ছে সেব্যাপারে দীর্ঘমেয়াদি অটল সমর্থন এখন আর নিশ্চিত নয়।

    একেই ঘিরে এক গ্রাস্তিভাব থেকেই আলোচনার জায়গা তৈরি হয়েছে—কেন এত দ্রুত ও গভীরভাবে মেরুকরণ ঘটল? সাম্প্রতিক সংঘাতের ছবি, বেসামরিক মৃত্যুর সংখ্যা ও মানবিক সংকটের চিত্র তরুণদের ও নাগরিক সমাজকে প্রভাবিত করেছে—এগুলো জরিপের উত্তরগুলোতে প্রতিফলিত হচ্ছে। বহু সাধারণ নাগরিক জানিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা দেখতে পাচ্ছেন সংঘাতে নিরসন না হলে ন্যায়বিচার ও মানবিক ভিত্তি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে; এবং সেটাই তাদের মর্জি বদলে দিয়েছে।

    বিশ্যালোকায় এ জরিপের ফলাফল রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের বরাবরই ভাবাচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিকভাবে ইসরায়েলপন্থী কৌশল ও বহুমাত্রিক কূটনৈতিক অবস্থান এখন কি বদলাবে? আগামী দিনে এ প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে থাকবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ সংকটের মাঝেই জ্বালানিতে শক্ত অবস্থান নিচ্ছে চীন

    এপ্রিল 30, 2026
    আন্তর্জাতিক

    জার্মানিতে মার্কিন সেনা কমানোর পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

    এপ্রিল 30, 2026
    আন্তর্জাতিক

    সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপ

    এপ্রিল 30, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.