Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, এপ্রিল 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে এখনও রয়ে গেছে যেসব প্রশ্ন
    আন্তর্জাতিক

    গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে এখনও রয়ে গেছে যেসব প্রশ্ন

    এফ. আর. ইমরানঅক্টোবর 10, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    যুদ্ধবিরতির খবর আসার পর ফিলিস্তিনিদের উল্লাস। বিবিসি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    মিশরে তিন দিন ধরে পর্দার আড়ালে চলা নিবিড় আলোচনার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, ইসরায়েল ও হামাস তাঁর প্রস্তাবিত ২০-দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে সম্মত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, “এর অর্থ- সব জিম্মিকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে।

    একইসাথে, এটি একটি শক্তিশালী, টেকসই ও চিরস্থায়ী শান্তির পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ইসরায়েল তাদের সৈন্যদের নির্দিষ্ট সীমানায় ফিরিয়ে আনবে।” তবে প্রথম ধাপের বিস্তারিত বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

    এই সমঝোতা এমন সময়ে এসেছে, যখন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলার দুই বছর দুই দিন পূর্ণ হয়েছে। ওই হামলায় প্রায় ১,২০০ মানুষ নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল। হামলার পর ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে।

    গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এই অভিযানে ৬৭,১০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও এই সংখ্যা নির্ভরযোগ্য বলে মনে করে।

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দফতর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার সকালেই ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। তবে চুক্তি কার্যকর হলেও বিভিন্ন খবরে বলা হয়েছে, রাতের বেলাতেও গাজার কিছু অংশে বিমান হামলা চলেছে।

    শুক্রবার সকালেও গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। বিবিসি

    চুক্তির মূল বিষয়সমূহ-

    ইসরায়েলি মন্ত্রিসভায় আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পর, একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সামরিক বাহিনী এমন একটি রেখায় ফিরে আসবে যেখানে গাজার ৫৩ শতাংশ এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী, এটি ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের তিনটি ধাপের মধ্যে প্রথম। বৃহস্পতিবারই ইসরায়েলি সেনারা নতুন মোতায়েন লাইনে সরার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার একটি গণনা শুরু হবে। এই সময়ের মধ্যে হামাসকে ধারণা করা ২০ জন জীবিত জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে। এছাড়াও, মৃত ২৮ জন জিম্মির দেহাবশেষ ফেরত দেওয়া হবে। তবে এই প্রক্রিয়া কতদিন চলবে, তা স্পষ্ট নয়।

    ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, বিনিময়ে ইসরায়েল প্রায় ২৫০ জন কারাগার-কেন্দ্রিত ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে। এদের মধ্যে অনেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত। গাজার আরও ১,৭০০ জনকে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বন্দিদের পরিচয় প্রকাশিত হয়নি, তবে হামাসের তালিকায় এমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম রয়েছে যারা জীবনাদীর্ঘ কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তবে সবচেয়ে পরিচিত বন্দি মারওয়ান বারঘুতি মুক্তি পাবেন না।

    ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ইসরায়েলি জিম্মির দেহাবশেষের বিনিময়ে ১৫ জন মৃত গাজাবাসীর দেহ ফেরত দেওয়া হবে। একইসাথে, গাজার দিকে শত শত ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করবে।

    বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন, গাজায় দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি বিরূপ। ট্রাম্পের পরিকল্পনায় প্রতিদিন ৬০০ ট্রাক ত্রাণ পাঠানোর কথা থাকলেও ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, প্রথম দিকে অন্তত ৪০০ ট্রাক প্রবেশ করবে এবং পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বিবিসি

    যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ-

    একজন সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের জন্য প্রায় ২০০ সেনার একটি বহুজাতিক দল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ দলের তত্ত্বাবধানে থাকবে মিশর, কাতার, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সৈন্য। তাদের কাজ হবে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ এবং নিশ্চিত করা যে, কোনো পক্ষ তা লঙ্ঘন না করে। তবে, গাজার মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সেনা মোতায়েন করা হবে না।

    পরবর্তী ধাপ ও সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ-

    চুক্তির প্রথম ধাপ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে পরবর্তী ধাপ নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। তবে এই পথ সহজ হবে না, কারণ অনেক বিতর্কিত বিষয় রয়েছে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, উভয় পক্ষ রাজি হলে যুদ্ধ “অবিলম্বে শেষ” হবে। গাজার সব সামরিক ও সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস হবে।

    পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, গাজার সাময়িক শাসন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটদের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির হাতে থাকবে। এই কমিটির তত্ত্বাবধান করবে একটি শান্তি বোর্ড, যার নেতৃত্বে থাকবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। পরবর্তী পর্যায়ে গাজার শাসনভার ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাসের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শাসনভার রাখবে না। হামাস সদস্যদের জন্য দুটি পথ খোলা থাকবে—শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতিশ্রুতি দিলে সাধারণ ক্ষমা বা অন্য কোনো দেশে নিরাপদে স্থানান্তর। কেউ গাজা ছাড়তে বাধ্য হবেন না এবং ফিরে আসার সুযোগ থাকবে। এছাড়াও গাজার অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল “ট্রাম্প অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা” তৈরি করবে।

    যুদ্ধবিরতির খবরে জেরুজালের মানুষের উল্লাস। বিবিসি

    মতবিরোধ ও বিরূপ বিষয়-

    চুক্তির পরবর্তী ধাপ নিয়ে আলোচনা চলাকালে বড় ধরনের মতপার্থক্য দেখা দিতে পারে। হামাস বারবার বলেছে, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র সমর্পণ করবে না।

    এছাড়াও তারা প্রথম সাড়া দেওয়ার সময় নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে নীরব ছিল। অন্যদিকে ইসরায়েল পুরো পরিকল্পনায় সম্মতি দিলেও নেতানিয়াহু যুদ্ধ-পরবর্তী গাজায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে বিরোধ প্রকাশ করেছেন। হামাসও চায়, গাজায় তাদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা “একটি ঐক্যবদ্ধ ফিলিস্তিনি আন্দোলনের” অংশ হিসেবে থাকুক।

    সবচেয়ে বড় জটিলতা হতে পারে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের মাত্রা। প্রথম ধাপে তারা গাজার প্রায় ৫৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করবে। হোয়াইট হাউসের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ক্রমান্বয়ে এটি কমে ৪০ শতাংশ এবং পরবর্তীতে ১৫ শতাংশে নামানো হবে।

    নিরাপত্তা পরিধি তখনও থাকবে, “গাজা সম্পূর্ণ নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত।” পূর্ণাঙ্গ সেনা প্রত্যাহারের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি, যা হামাস স্পষ্ট অঙ্গিকার চায়।

    পরিশেষে, গাজা যুদ্ধবিরতির চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ধাপ। এটি মানবিক এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বাস্তবায়ন ও পরবর্তী ধাপগুলোতে চ্যালেঞ্জ, মতবিরোধ এবং নিরাপত্তা-অবস্থান সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজার পুনর্গঠন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক চাপ এবং স্থানীয় সমঝোতা অপরিহার্য।

    সূত্র: আল–জাজিরা, হোয়াইট হাউস, বিবিসি, মার্কিন প্রশাসন

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    হরমুজ প্রণালির নিয়ে ইরানের নতুন প্রস্তাব

    এপ্রিল 28, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা, মুখোমুখি আফগানিস্তান ও পাকিস্তান

    এপ্রিল 28, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র

    এপ্রিল 28, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.