রুশ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তেরনোপিলের আবাসিক এলাকায় এক রাতে নিহত হয়েছেন ২৬ জন এবং আহত হয়েছেন আরো ৭৭ জন। নিহতদের মধ্যে ৩ জন শিশু এবং আহতদের মধ্যে ১৫ জন শিশু রয়েছেন।
গত মঙ্গলবার রাতে তেরনোপিলে হামলা চালানো হয়। শহরটি পোল্যান্ডের সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। নিহত ও আহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
মার্কিন বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, একই রাতে তেরনোপিল, লভিভ এবং খারকিভ শহরে রুশ বাহিনী ৪৮৩টি ড্রোন এবং ৪৮টি বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ইউক্রেনের আকাশ সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ৪৪২টি ড্রোন ও ৪২টি ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে সক্ষম হলেও কিছু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করে। এই ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ২৬ জন নিহত হন।
নিহত তিন শিশুর বয়স যথাক্রমে ৫, ৭ এবং ১৬ বছর। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃতদের মধ্যে ১৯ জন জীবন্ত পুড়ে মারা গেছেন। এদের মধ্যে তিন শিশুও রয়েছেন।
হামলার পর ইউক্রেনের জাতীয় জরুরি অবস্থা পরিষেবা বাহিনীর ৪৫টি ইউনিটের ১৬০ জন সদস্য তেরনোপিলের বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। তারা বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপ থেকে ৪৫ জনের নিহত ও আহতকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে বার্তা দিয়ে বলেন, “ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর রুশ বাহিনীর প্রতিটি আক্রমণ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে বৈশ্বিক চাপ এখনও কার্যকর হচ্ছে না।”

