Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, এপ্রিল 26, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সাকিনা বেগমকে ভারতে ফেরানোর প্রক্রিয়া কী?
    আন্তর্জাতিক

    সাকিনা বেগমকে ভারতে ফেরানোর প্রক্রিয়া কী?

    এফ. আর. ইমরাননভেম্বর 29, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    আসামের সাকিনা বেগম। ছবি: বিবিসি
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সন্ধ্যা পাঁচটা, নিভে আসছে দিনের আলো। গাজীপুরে কাশিমপুর কারাগারের গেট খুলে গেলো। একজন কারারক্ষীর সঙ্গে বাইরে বের হয়ে এলেন সাকিনা বেগম। তবে মুক্তি পেয়েও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তিনি।

    একটা ছোটো ব্যাগ হাতে, পায়ে স্যান্ডেল আর পুরোনো শাড়ি পরা সাকিনা বেগমকে কারাফটকে রিসিভ করলেন এর আগে তাকে মিরপুরে যে পরিবারটি আশ্রয় দিয়েছিলো, সেই পরিবারের দুইজন নারী সদস্য।

    সাকিনা বেগম তখনো যেন ঘোরের মধ্যে। চোখে কিছুটা ভীত দৃষ্টি। শেষ পর্যন্ত যখন বুঝতে পারলেন সত্যিই ছাড়া পেয়েছেন তখনই ফুঁপিয়ে কাঁদা শুরু হলো তার।

    “নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলাম যেন আমার জামিন হয়। আল্লাহকে বলছিলাম, জজ সাহেবের মনটা ঘুরায় দেও। আমার যেন জামিন হয়,” কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন সাকিনা বেগম।

    এই নারী ভারতের আসামের বাসিন্দা। আসাম পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিলো গত মে মাসের শেষের দিকে। আসামের বিদেশি ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুযায়ী তিনি একজন ‘বিদেশি‘। যে আদেশ পরে বহাল রেখেছিলো গুয়াহাটি হাইকোর্টও।

    কিন্তু গত মে মাসে আসাম পুলিশ তাকে গ্রেফতারের পর নিজস্ব হেফাজতে না রেখে হস্তান্তর করে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে। এসবের কিছুই জানানো হয়নি তার পরিবারকে।

    গত সেপ্টেম্বরে সাকিনা বেগমকে বাংলাদেশের ঢাকার মিরপুরে খুঁজে পায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ৬৮ বছরের এই নারী তখন জানিয়েছিলেন, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তাকে সীমান্তের এপারে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছে।

    পুলিশের হাতে গ্রেফতার, কারাবন্দি, অতঃপর মু্ক্তি-

    তার দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী ভারতে সূত্র সংবাদমাধ্যমের সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালী আসামে গিয়ে সাকিনা বেগমের পরিবারকে খুঁজে পান।

    কিন্তু এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই তাকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয় মিরপুরের ভাষানটেক থানা পুলিশ।

    যেহেতু সাকিনা বেগমের কাছে পাসপোর্ট নেই, বৈধভাবে প্রবেশের কোনো নথিপত্রও তিনি দেখাতে পারেননি, ফলে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তাকে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা দেয় পুলিশ।

    পরদিন আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। শুরু হয় সাকিনা বেগমের জেল জীবন।

    গত রোববার সেই মামলাতেই জামিন পাওয়ার পর সোমবার কারাগার থেকে ছাড়া পান তিনি, শেষ হয় তার বন্দিদশার।

    আসামের সাকিনা বেগম। বিবিসি

    সাকিনা বেগমের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রহমাতুল্যাহ সিদ্দিক বলেন, দুই শর্তে আদালত তাকে জামিন দিয়েছে।

    “সাকিনা বেগম এর আগে মিরপুরে যে পরিবারের আশ্রয়ে ছিলেন, সেই পরিবারের দুই সদস্যের জিম্মায় তাকে জামিন দিয়েছে। এক্ষেত্রে ভাসানটেক থানা প্রতি সাত দিন পরপর ওই পরিবারে সাকিনা বেগমের অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়ে আদালতকে জানাবে” বলেন রহমাতুল্যাহ সিদ্দিক।

    কিন্তু বাংলাদেশে জামিন পেলেও এখন বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে–– সাকিনা বেগম ভারতে কীভাবে ফিরবেন?

    যদিও খোঁজ নিয়ে জানা যাচ্ছে, সাকিনা বেগমের পরিবার তাকে ফেরাতে ভারতের আদালতে মামলা করেছেন।

    ‘মেয়েকে ফোন করতে পারবো?’

    কাশিমপুর কারাগার থেকে যখন গত সোমবার সাকিনা বেগম বের হলেন তখন তার কাছে প্রশ্ন ছিল, তার বাড়ি তো ভারতের আসামে, এখন তিনি বাংলাদেশে কোথায় ও কার কাছে যাবেন?

    পাশে থাকা মিরপুরের জাকিয়া আক্তারকে দেখিয়ে সাকিনা বেগমের অকপট উত্তর, “ওর বাড়িতে যাবো। সে তো আমাকে মাসি ডাকে। সেই এখন আমার ভাতিজি। তার বাড়িতেই যাবো।”

    এটুকু বলার পরই আসামে থাকা তার পরিবারের কথা মনে করে কাঁদতে থাকেন তিনি। এরপর জানতে চান, আসামে তার মেয়ের সঙ্গে কথা বলা যাবে কি-না।

    “মেয়েকে কি ফোন করতে পারবো?” প্রশ্ন করেন তিনি।

    কিন্তু তাৎক্ষণিক সে সুযোগ ছিল না।

    পরদিন ভারতে সূত্র সংবাদমাধ্যমের সংবাদদদাতা অমিতাভ ভট্টশালীর মাধ্যমে সাকিনা বেগমের কথা হয় তার ছেলে, মেয়ে ও পরিবারের সঙ্গে।

    “মুই অখামোত যাম বাবা” অসমীয়া ভাষায় বারবার শুধু এটাই বলতে থাকেন সাকিনা বেগম, যার অর্থ ‘আমি আসামে যাবো বাবা‘।

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার পাশে বিএসএফের পাহারা
    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের পাহারা। বিবিসি
    ভারতে আইনি লড়াইয়ে সাকিনা বেগমের ছেলে-

    এদিকে ভারতে সূত্র সংবাদমাধ্যমের সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালী জানিয়েছেন, সাকিনা বেগমের পরিবার গুয়াহাটি হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

    গুয়াহাটি হাইকোর্টের আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক ভুঁইঞ্যা জানান, মামলায় দুটি আবেদন করা হয়েছে।

    এক. সাকিনা বেগমকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার আগে তাকে যে আসাম পুলিশ গ্রেফতার করেছিলো সেটা অবৈধ ঘোষণা করা হোক। দুই. তাকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হোক।

    “প্রথমত, তাকে সশরীরে আদালতের সামনে হাজির করতে হবে– কারণ তার আটক করা ও হেফাজতে রাখার পদ্ধতি আপাতভাবে বেআইনি; এবং যেভাবে তাকে পুশ ব্যাক করা হয়েছে– সেই প্রক্রিয়ার কোনো নীতিগত, আইনগত এবং সংবিধানসম্মত ছাড়পত্র নেই,” বলছিলেন আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক ভুঁইঞ্যা।

    এছাড়া একজন ব্যক্তিকে ‘নিঃসন্দেহে‘ প্রত্যর্পণ করা যেতে পারে।

    “কিন্তু এই প্রত্যর্পনের যে নীতি সেটাও এক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়নি। কারণ সন্দেহজনক বা ঘোষিত বিদেশিকে প্রত্যর্পনের যে নীতিমালা আছে, আসাম সরকার সেটাও মেনে চলেনি” বলেন তিনি।

    গুয়াহাটি হাইকোর্টের এই আইনজীবী জানান, মামলায় একইসঙ্গে আবেদন করা হয়েছে, ভারতের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের হাই কমিশনারের দফতরের সহায়তা নিয়ে যাতে সাকিনা বেগমকে আদালতে হাজির করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    এখানে জানিয়ে রাখা দরকার, সাকিনা বেগমকে আসামের বিদেশি ট্রাইব্যুনাল আগেই ২০১২ সালে বিদেশি বলে ঘোষণা করেছিলো। পরে সেই একই রায় বজায় রাখে দেশটির গুয়াহাটি হাইকোর্টও।

    এরপর সাকিনা বেগমকে বিদেশিদের জন্য আটক শিবিরেও বন্দি করে রাখা হয়েছিল প্রায় পাঁচ বছর। করোনার সময়ে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

    পরে গত মে মাসে তাকে আবারো আটক করে বিএসএফের কাছে তুলে দেওয়া হয় বলে হাইকোর্টে জানিয়েছিল আসামের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    কিন্তু এরপর বিএসএফের হাত থেকে কীভাবে সাকিনা বেগমকে বাংলাদেশে পাওয়া গেলো সে বিষয়ে যোগাযোগ করেও সেসময় বিএসএফের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    সূত্র: ভারত থেকে পুশইনের শিকার এই বৃদ্ধার ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট করে বিবিসি বাংলা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    সংঘাতের মধ্যেও অক্ষত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার

    এপ্রিল 26, 2026
    আন্তর্জাতিক

    মার্কিন প্রতিনিধিরা আসার আগেই পাকিস্তান ছাড়লেন আরাঘচি

    এপ্রিল 25, 2026
    আন্তর্জাতিক

    আমেরিকাহীন ইউরোপের নতুন বাস্তবতা

    এপ্রিল 25, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.