পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কারাগারে মারা গেছেন এমন একটি গুঞ্জন কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। গুঞ্জন ক্রমেই তীব্র হলেও তার সঠিক অবস্থান নিয়ে বর্তমান সরকার বা কারা কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্য দিচ্ছে না। পরিবার থেকেও দীর্ঘ সময় ধরে কেউ তার সঙ্গে দেখা করতে পারেননি, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
এ অবস্থায় ইমরানের খোঁজ দেওয়ার দাবিতে রাওয়ালপিন্ডিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। তবে বিক্ষোভ ঠেকাতে জেলা প্রশাসন শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে, যার ফলে সব ধরনের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইমরান খান বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দি আছেন।
রাওয়ালপিন্ডির ডেপুটি কমিশনার হাসান ওয়াকার চীমা ঘোষণা দিয়েছেন যে, ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত (৩ দিন) এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে—
- যেকোনো ধরনের সভা, সমাবেশ, জমায়েত, মিছিল, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ, জনসভা এবং পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির অনুরূপ সমাগম নিষিদ্ধ।
- অস্ত্র, শূল, ভারযুক্ত লাঠি, গুলতি, বল-বেয়ারিং, পেট্রোল বোমা, হাতে তৈরি বিস্ফোরক বা সহিংসতায় ব্যবহার হতে পারে এমন কোনো সরঞ্জাম বহন করা যাবে না।
- আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অস্ত্র ছাড়া অন্য কোনো অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না এবং আপত্তিকর বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না।
- মানুষের সমাগম বা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে পুলিশের আরোপ করা নির্দেশনা অপসারণের চেষ্টা করা যাবে না।
- মোটরসাইকেলের পেছনে কোনো আরোহী নেওয়া নিষিদ্ধ।
- মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না।
ঘোষণায় বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

