বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৩টায় এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
ডা. জাহিদ জানান, বেগম খালেদা জিয়াকে বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যেই অথবা শুক্রবার সকালের দিকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। সেখানে তার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালও নির্ধারিত হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও ফুসফুসের জটিলতা এবং চোখের সমস্যা নিয়ে ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ অবস্থায় তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। টানা ১২ দিন হাসপাতালে থাকলেও তার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। এর মধ্যে ৮ দিন ধরে তিনি সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। চিকিৎসকদের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন এবং দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলমান।
মেডিকেল বোর্ডের এক চিকিৎসক বুধবার রাতে জানান, ফুসফুসে স্বাভাবিকভাবে বাতাস প্রবাহ বজায় রাখতে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন ব্যবহার করা হচ্ছে। একই দিনে ডায়ালাইসিস করে কিডনি কার্যক্রম সচল রাখা হয়।
বুধবার রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে দেখতে যান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক জাহিদ হোসেন তাকে স্বাগত জানান।
এর আগে গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৭ নভেম্বর থেকে তিনি হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন।

