Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, এপ্রিল 23, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গাজা প্রশ্নে ট্রাম্পকে কীভাবে সামাল দেবেন পাকিস্তান সেনাপ্রধান?
    আন্তর্জাতিক

    গাজা প্রশ্নে ট্রাম্পকে কীভাবে সামাল দেবেন পাকিস্তান সেনাপ্রধান?

    এফ. আর. ইমরানডিসেম্বর 17, 2025
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। ছবি: দ্য ডন
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    আইন সংশোধন করে নানাভাবে ক্ষমতাবান হয়ে উঠছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। কয়েক দশকের মধ্যে এখন দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর সেনাপ্রধান তিনি। তবে এবার হয়তো তিনি কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে চলেছেন। কারণ, গাজার জন্য আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (আইএসএফ) সেনা পাঠাতে ইসলামাবাদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে ওয়াশিংটন।

    গাজার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিকল্পিত এই বাহিনীতে সেনা পাঠালে এর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

    ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ওয়াশিংটন সফরে যাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানে তাঁর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। যদি তা–ই হয়, তবে সেটা হবে ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের তৃতীয় বৈঠক।

    সম্ভাব্য ওই বৈঠকে মূল আলোচনা হবে গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী নিয়ে। দুটি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন সেনাপ্রধানের অর্থনৈতিক কূটনীতি–সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

    ট্রাম্পের ২০ দফার গাজা পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, গাজার জন্য মুসলিম দেশগুলো থেকে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠন করা হবে। ওই বাহিনী হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সময়ে সেখানে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবে। দুই বছরের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনির। ওভাল অফিস, হোয়াইট হাউস, ওয়াশিংটন ডিসি, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনির। ওভাল অফিস, হোয়াইট হাউস, ওয়াশিংটন ডিসি, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ছবি: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়/ ডনের সৌজন্যে

    কিন্তু ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা নিয়ে অনেক দেশ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে, বিশেষ করে গাজার সশস্ত্র সংগঠন হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ প্রসঙ্গে। তাদের আশঙ্কা, এর ফলে তাদের বাহিনী গাজায় সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া দেশের মধ্যে ফিলিস্তিনিপন্থী ও ইসরায়েলবিরোধী জনমতও ক্ষুব্ধ হতে পারে।

    পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছেন। তাঁর এই চেষ্টাকে ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদের মধ্যে কয়েক বছর ধরে চলা অবিশ্বাসের সম্পর্ক মেরামত করার চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ‘পাকিস্তানের সামরিক শক্তির অর্থ হলো, নিজের সামর্থ্য প্রমাণের জন্য আসিম মুনিরের ওপর আরও চাপ বাড়া।’

    আয়েশা সিদ্দিকা, লেখক ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক

    চলতি বছরের জুনে আসিম মুনিরকে হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মানিত করেছিলেন ট্রাম্প। সেটি ছিল প্রথমবার কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের পাকিস্তানের কোনো সেনাপ্রধানের সঙ্গে একান্তে সাক্ষাৎ। তাঁদের ওই সাক্ষাতের সময় পাকিস্তানের বেসামরিক কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না।

    এ পরিস্থিতিতে গাজা স্থিতিশীলতা বাহিনীতে পাকিস্তান সেনা না পাঠালে তা ট্রাম্পের বিরক্তির কারণ হতে পারে বলে মনে করেন মাইকেল কুগেলম্যান।

    ওয়াশিংটনভিত্তিক আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক এই সিনিয়র ফেলো বলেন, ‘গাজা স্থিতিশীলতা বাহিনীতে অংশ না নেওয়া ট্রাম্পকে বিরক্ত করতে পারে, যা পাকিস্তানের জন্য ছোট কোনো বিষয় হবে না। দেশটি স্পষ্টতই ট্রাম্পের অনুগ্রহ ধরে রাখতে আগ্রহী, বিশেষ করে মার্কিন বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য।’

    ক্ষমতা প্রদর্শনের চাপ-

    পাকিস্তান বিশ্বের একমাত্র মুসলিম দেশ, যাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। তা ছাড়া দেশটির সেনাবাহিনী যুদ্ধের কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে। পাকিস্তান নিজেদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের সঙ্গে তিনবার যুদ্ধ করেছে এবং এই গ্রীষ্মেও দুদেশ সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল।

    পাকিস্তান সেনাবাহিনী দেশটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্রোহ দমনে কাজ করছে। সেই সঙ্গে জঙ্গি দমনেও তাদের লড়াই করে যেতে হচ্ছে। পাকিস্তান সরকারের দাবি, চরমপন্থী এই জঙ্গিরা প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানে প্রবেশ করছে।

    লেখক ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, ‘পাকিস্তানের সামরিক শক্তির অর্থ হলো, নিজের সামর্থ্য প্রমাণের জন্য আসিম মুনিরের ওপর আরও চাপ বৃদ্ধি পাওয়া।’

    আসিম মুনির ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন কি না বা কবে যাবেন, এ বিষয়ে জানতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী, পররাষ্ট্র দপ্তর এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছিল, কিন্তু কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    হোয়াইট হাউস থেকেও মন্তব্যের অনুরোধের কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

    অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতা-

    ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে এই মাসের শুরুতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এর ফলে দেশটির বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর নেতৃত্ব এখন তাঁর হাতে। তাঁর দায়িত্বকাল ২০৩০ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    আজীবন তাঁর ফিল্ড মার্শাল খেতাব থাকবে। এ ছাড়া গত মাসের শেষের দিকে পাকিস্তান সরকার দেশটির পার্লামেন্টে সংবিধানের ২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে আসিম মুনিরকে জীবনভর সব ধরনের অপরাধমূলক অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি দিয়েছে।

    কুগেলম্যান বলেন, ‘পাকিস্তানে খুব কম মানুষই মুনিরের মতো ঝুঁকি নেওয়ার সুযোগ ভোগ করতে পারে। তাঁর অধিকার সীমাহীন এবং এখন তা সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত। মোটকথা, সবকিছু তাঁর কথায় চলবে এবং শুধু তাঁর শাসনে।’

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে
    ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে। ছবি: রয়টার্স
    অভ্যন্তরীণ ঝুঁকি-

    পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর বিবৃতির অনুসারে, গত কয়েক সপ্তাহে আসিম মুনির ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, জর্ডান, মিসর ও কাতারের মতো দেশের সামরিক ও বেসামরিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

    আয়েশা সিদ্দিকা মনে করেন, এগুলোর সবই গাজায় স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনসংক্রান্ত পরামর্শমূলক বৈঠক।

    তবে এ নিয়ে পাকিস্তানের অভ্যন্তরেই বড় উদ্বেগ হয়েছে। সেটা হলো, মার্কিন পরিকল্পনার অধীনে পাকিস্তানের সেনাদের গাজায় পাঠানো হলে দেশের ভেতর ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিবাদে ফেটে পড়তে পারে।

    এসব দল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘোরবিরোধী এবং তারা চাইলেই সড়কে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ ঘটিয়ে বিক্ষোভ শুরু করার ক্ষমতা রাখে।

    চলতি বছরের অক্টোবরে পাকিস্তান দেশটির একটি প্রভাবশালী এবং চরম ইসরায়েলবিরোধী ইসলামিক দলকে নিষিদ্ধ করেছে। তারা পাকিস্তানে কট্টর ব্লাসফেমি আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে আন্দোলন করছিল।

    পিটিআইয়ের প্রধান নেতা ও দেড় হাজারের বেশি সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের সম্পদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলবিরোধী দলটি নিষিদ্ধ করা হলেও তাদের মতাদর্শ এখন জীবিত আছে।

    আসিম মুনিরের জন্য দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফও (পিটিআই) বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

    কয়েক বছর ধরে ইমরানকে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে, তাঁর দলের ওপরও নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এরপরও তাঁর দলের সমর্থকেরা গত বছর জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয়ী হয়েছে, যদিও সরকার গঠন করতে পারেনি।

    তাই গাজায় স্থিতিশীলতা বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তাহলে পাকিস্তানের অভ্যন্তরেও দ্রুত সংকট তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন সিঙ্গাপুরের এস রাজারত্নম আন্তর্জাতিক গবেষণা বিদ্যালয়ের সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট ফেলো আবদুল বাসিত।

    আবদুল বাসিত বলেন, ‘লোকজন সঙ্গে সঙ্গে বলতে শুরু করবে, “আসিম মুনির ইসরায়েলের হয়ে কাজ করছেন।” কেউ যদি ভেবে থাকেন এমনটা ঘটবে না, তিনি বোকামি করবেন।’


    পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জীবনভর ক্ষমতাধারী হয়ে উঠেছেন। এবার তিনি গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে পাকিস্তান সেনা পাঠানো নিয়ে কঠিন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখোমুখি হতে পারেন, কারণ এতে দেশের ভেতরে ইসলামপন্থী ও ইসরায়েলবিরোধী দলগুলো প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। সূত্র: প্রথম আলো

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ভারত-শ্রীলঙ্কা উপকূলে ইরানের ৩ তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

    এপ্রিল 23, 2026
    আন্তর্জাতিক

    হঠাৎ বরখাস্ত মার্কিন নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা

    এপ্রিল 23, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন-ইসরায়েল চুক্তি যে কারণে এখন আগুনের মুখে

    এপ্রিল 23, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.