Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, এপ্রিল 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সৌদিতে বিপুল স্বর্ণের খনির আবিষ্কার, মজুদ বৃদ্ধির পরিমাণ কত?
    আন্তর্জাতিক

    সৌদিতে বিপুল স্বর্ণের খনির আবিষ্কার, মজুদ বৃদ্ধির পরিমাণ কত?

    এফ. আর. ইমরানজানুয়ারি 17, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাদেন’ দেশটির চারটি পৃথক এলাকায় নতুন করে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের খনির সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কোম্পানিটির হিসাব অনুযায়ী, এসব এলাকায় মোট ৭৮ লাখ আউন্স বা দুই লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি স্বর্ণের মজুদ নিশ্চিত হয়েছে। খনিজ সম্পদ সম্প্রসারণ এবং বিশ্বমানের স্বর্ণ শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। সূত্র: গালফ নিউজ

    মাদেন জানায়, পরিকল্পিত ড্রিলিং বা খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৯০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণের উপস্থিতি শনাক্ত করা হলেও বার্ষিক হিসাব সমন্বয়ের পর নিট ৭৮ লাখ আউন্স স্বর্ণের মজুদ নিশ্চিত করা হয়।

    কোম্পানির তথ্যমতে, মানসুরা মাসারাহ, উরুক ২০/২১, উম্ম আস সালাম এবং নতুন আবিষ্কৃত ওয়াদি আল জাও—এই চারটি এলাকায় নতুন করে স্বর্ণের মজুদ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মানসুরা মাসারাহ প্রকল্পে সবচেয়ে বড় প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে, যেখানে গত বছরের তুলনায় নিট ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণের মজুদ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে উরুক ২০/২১ এবং উম্ম আস সালাম প্রকল্পে মোট ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স এবং ওয়াদি আল জাও এলাকায় প্রথমবারের মতো ৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স স্বর্ণের মজুদ শনাক্ত হয়েছে।

    মাদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বব উইল্ট বলেন, এই সাফল্য সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ কাজে লাগানো এবং বৈশ্বিক খনি শিল্পে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের প্রতিফলন।

    তিনি বলেন, “এই ফলাফল প্রমাণ করে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল মাঠপর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সে কারণেই আমরা সৌদি আরবের স্বর্ণ খাতে বড় আকারের বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি।”

    বব উইল্ট আরও জানান, নতুন করে এই বিপুল স্বর্ণের মজুদের সন্ধান পাওয়া মাদেনের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও ধারাবাহিক অনুসন্ধান কার্যক্রমেরই বহিঃপ্রকাশ।

    তাঁর ভাষায়, “চারটি স্থানে ড্রিলিংয়ের মাধ্যমে ৭০ লাখ আউন্সের বেশি স্বর্ণের মজুদ শনাক্ত হওয়া আমাদের স্বর্ণ পোর্টফোলিওর বিস্তৃতি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার স্পষ্ট প্রমাণ। অনুসন্ধান ও খনি উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়ার ফলে আমাদের সম্পদের পরিমাণ বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে আয় ও নগদ প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।”

    ২০২৬ সালের অনুসন্ধান কর্মসূচিতে মধ্য সৌদি আরবের স্বর্ণসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উন্নত ড্রিলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেখানে নতুন খনিজ অঞ্চল শনাক্ত হয়েছে, যা বিদ্যমান খনিগুলোর বিস্তার বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে। পাশাপাশি ঐতিহাসিক ‘মাহদ’ স্বর্ণ খনি এলাকায় পরিচালিত অনুসন্ধানেও নতুন খনিজ স্তরের সন্ধান মিলেছে, যা খনিটির উৎপাদনকাল দীর্ঘায়িত করতে সহায়তা করবে।

    মাদেনের সিইও বলেন, এই অগ্রগতি কোম্পানির ব্যবসা বহুমুখীকরণের লক্ষ্যকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি জানান, তামা ও নিকেলের প্রাথমিক অনুসন্ধানেও ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা শুরুতে স্বর্ণ অনুসন্ধানের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছিল। তাঁর মতে, ‘অ্যারাবিয়ান শিল্ড’ অঞ্চলে বড় পরিসরে খনিজ সম্পদ উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, “শায়বান ও জাবাল আল ওয়াকিল এলাকায় আমরা যে সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি, তা সৌদি আরবজুড়ে খনিজ উন্নয়নের বড় সুযোগের ইঙ্গিত দেয়। এটি স্বর্ণের পাশাপাশি তামা ও নিকেলের মতো অন্যান্য খনিজ সম্পদের একটি শক্তিশালী পোর্টফোলিও গড়ে তোলার পথকে আরও ত্বরান্বিত করবে।”

    মাদেনের সবচেয়ে বড় প্রকল্প মানসুরা মাসারাহ-এ বর্তমানে আনুমানিক ১১ কোটি ৬০ লাখ টন আকরিক মজুদ রয়েছে। প্রতি টন আকরিক থেকে গড়ে ২.৮ গ্রাম হারে মোট এক কোটি চার লাখ আউন্স স্বর্ণ আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বশেষ ড্রিলিং কার্যক্রমে এই প্রকল্পে নিট ৩০ লাখ আউন্স স্বর্ণের মজুদ যুক্ত হয়েছে, যদিও মোট নতুন আবিষ্কৃত মজুদের পরিমাণ ছিল ৪২ লাখ আউন্স।

    কোম্পানিটি জানায়, মানসুরা ও মাসারাহ উভয় খনির গভীর স্তরে আরও খনিজ আকরিক পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে ২০২৬ সালজুড়ে সেখানে অনুসন্ধান ও ড্রিলিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভূ-গঠন সংক্রান্ত নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করা হবে বলেও জানিয়েছে মাদেন।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় আটকে থাকা ৫ বড় বাধা

    এপ্রিল 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ট্রাম্পের মতো নেতা চাই কি না, এবার মুখ খুলল মার্কিন জনতা

    এপ্রিল 21, 2026
    আন্তর্জাতিক

    সৌদির চাপে সুদানে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান চুক্তি স্থগিত

    এপ্রিল 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.