Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, এপ্রিল 19, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » রাশিয়ার দখলে ভুহলেদার: পূর্ব ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ভেঙে পড়ল
    আন্তর্জাতিক

    রাশিয়ার দখলে ভুহলেদার: পূর্ব ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ভেঙে পড়ল

    সিভি ডেস্কUpdated:অক্টোবর 17, 2024অক্টোবর 3, 2024
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ভুহলেদারের দখল অবশেষে রাশিয়ার হাতে চলে গেছে, যা ইউক্রেনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী শক্তভাবে শহরটি ধরে রেখেছিল কিন্তু অবশেষে শহরটি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয় তারা। এই ঘটনাটি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক, বিশেষ করে যখন দেশটি তৃতীয় শীতকালীন যুদ্ধের মুখোমুখি হচ্ছে।

    রাশিয়ার সৈন্যরা শহরের বিধ্বস্ত সিটি হলের ধ্বংসাবশেষে নিজেদের পতাকা উড়িয়েছে, যা সিএনএন-এর যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে। শহরের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৪ হাজার, বর্তমানে কয়েক শতাধিক নাগরিকের কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, রাশিয়ার ঘেরাওয়ের মুখে শহর থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল সৈন্য ও সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণ করা। কৌশলগতভাবে এই সিদ্ধান্ত রাশিয়ার অগ্রযাত্রার প্রেক্ষিতে জরুরি হয়ে উঠেছিল।

    ভুহলেদার শহরটি কয়লা খনির ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, এবং এটি পূর্বাঞ্চলীয় ডনবাস অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান। শহরটি রাশিয়ার আক্রমণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল, যদিও এটি পোকরভস্কের মতো পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারপরও শহরটি পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেনের ফ্রন্টলাইনের একটি মূল সংযোগস্থল এবং প্রতিরক্ষামূলক দুর্গ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।

    রাশিয়ার যুদ্ধবিষয়ক বিশিষ্ট ব্লগার বরিস রোজিন ভুহলেদারের পতনকে “অপারেশনাল” সফলতা বলে বর্ণনা করেছেন, যদিও তিনি একে “অপারেশনাল-স্ট্র্যাটেজিক” সাফল্য হিসেবে দেখেন না। তার মতে, ভুহলেদারের উঁচু অবস্থান দোনেৎস্ক ও জাপোরিজিয়ার ফ্রন্টের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করছিল, যা রাশিয়ার জন্য একটি বড় হুমকি ছিল। মারিউপোল শহরের দিকে অগ্রসর হওয়ার রুশ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে ভুহলেদার একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল, কারণ শহরটি ২০২২ সাল থেকে রাশিয়ার দখলে রয়েছে।

    রাশিয়ার আগ্রাসনের সময় শহরটি অত্যন্ত শক্ত প্রতিরোধ দেখিয়েছে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রুশ বাহিনীর একটি বড় ব্যর্থতা ঘটেছিল ভুহলেদারে। তখন কয়েকশ রুশ সৈন্য ইউক্রেনীয় গোলাবারুদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়, যা প্রো-ক্রেমলিন সামরিক ব্লগারদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু অবশেষে শহরটি রাশিয়ার দখলে চলে যাওয়া ইউক্রেনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য আঘাত।

    এই জয়ের মধ্য দিয়ে রাশিয়া তাদের জনশক্তির বিশাল সুবিধা প্রদর্শন করেছে। যদিও ইউক্রেনীয় সেনারা অনেক মাস ধরে প্রতিরক্ষা বজায় রেখেছিল, তবু রাশিয়ার ব্যাপক আক্রমণের সামনে তারা টিকে থাকতে পারেনি। ইউক্রেনীয় ব্লগার স্টানিস্লাভ বুনিয়াতভ জানান, রুশ ড্রোনের চাপের মুখে ইউক্রেনীয় সৈন্যরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে শহর ছাড়তে বাধ্য হয়, যা তাদের আঘাতপ্রাপ্ত সৈন্যদের জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করে।

    ভুহলেদারের পতন কিয়েভের জন্য বিশেষভাবে অস্বস্তিকর, কারণ এটি এমন এক সময়ে ঘটছে যখন ইউক্রেন রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে সামরিক অভিযান সম্প্রসারণ করেছে, যার লক্ষ্য ছিল অন্যান্য ফ্রন্টে চাপ কমানো। এর পাশাপাশি, প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর থেকে ফিরে আসার পরই রাশিয়া এই গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে। যদিও সফরে জেলেনস্কি নতুন সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছেন, তবে ন্যাটো-শৈলীর নিরাপত্তা নিশ্চয়তা বা রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি পাননি।

    জেলেনস্কি তার সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে বলেছিলেন, “আমরা যতটা ভাবছি, তার থেকেও আমরা শান্তির আরো কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।” তবে বাস্তবতা হচ্ছে, ভুহলেদারের পতন ইউক্রেনকে নতুন করে সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, ইউক্রেন তার হারানো অঞ্চল পুনর্দখল করতে আরো জোরালো প্রতিরোধের মুখোমুখি হবে।

    রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর আঘাত অব্যাহত রেখেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা সতর্ক করেছে যে, এই শীতকাল ইউক্রেনের জন্য একটি কঠিন সময় হতে চলেছে, বিশেষ করে রাশিয়ার ক্রমাগত আক্রমণ এবং কৌশলগত অঞ্চলের পতনের পরিপ্রেক্ষিতে।

    ভুহলেদারের পতন রাশিয়ার জন্য যেমন একটি কৌশলগত অগ্রগতি, তেমনি এটি ইউক্রেনের জন্য প্রতিরোধের এক নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এখন দেখা যাচ্ছে, ইউক্রেনকে শুধু শীতের মোকাবিলা নয়, বরং হারানো অঞ্চল পুনর্দখলের লড়াইয়েও নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ন্যাটো ছাড়ছে না যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বেগ উড়িয়ে দিলেন মহাসচিব

    এপ্রিল 19, 2026
    বাণিজ্য

    সংঘাতের ৫০ দিনে জ্বালানি খাতে লোকসান ৫ হাজার কোটি ডলার

    এপ্রিল 19, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যেভাবে ২৪ ঘণ্টায় বদলে গেল হরমুজের হিসাব

    এপ্রিল 19, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.