Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুন 10, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় কতটা যুক্তিসংগত?
    মতামত

    প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় কতটা যুক্তিসংগত?

    নিউজ ডেস্কজুন 8, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link
    সব সংসদ সদস্যই নিজ নিজ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বর্তমানে দেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে। আমরা আগামীতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয় বৃদ্ধি করে জনগণের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করব। একটা শিক্ষিত জাতি গঠনের জন্য আমরা আগামী দিনে এ চিন্তাভাবনা করব।” – শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
    বিশ্ববিদ্যালয় কি, বিশ্ববিদ্যালয় কাকে বলে সেটা যে এই মন্ত্রী বিন্দুমাত্রও বুঝে না তা এই কথার মাধ্যমেই স্পষ্ট করেছেন। এর চেয়ে স্পষ্ট করে আর বলা সম্ভব না। কদিন আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এক বক্তব্যের মাধ্যমেও প্রমান করেছিলেন যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কি, বিশ্ববিদ্যালয় কাকে বলে সেটা ধারণ করেন না। শুধু এই দুইজন না। এর আগে আওয়ামীলীগ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, দীপুমনি ও ব্যারিস্টার নওফেলও ধারণ করতে পারেননি। যদি পারতেন তাহলে দীপুমনি বলতেন না যে জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় বানাবেন।

    আমাদের সরকারগুলো যদি বিশ্ববিদ্যালয় কি বুঝতো তাহলে আগে দেখতো বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার মত যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষ কতজন আছে। সেই যোগ্যতা সম্পন্ন মানুষ দিয়ে মোট কতটি বিশ্ববিদ্যালয় বানানো সম্ভব। তাহলে বুঝতো কেবল কিছু ভবন বানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নাম দিয়ে কিছু মানুষকে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দিলেই বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে যায় না। একটা বিশ্ববিদ্যালয় বানানোর পেছনে জন্মব্যাথা বা লেবার পেইন কতটা সেটা বুঝতে হলে আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম ইতিহাস স্টাডি করা উচিত। গল্পের আকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মইতিহাসের উপর একটি ছোট গল্প বলি।

    একটি বিশ্ববিদ্যালয় কি, এর গুরুত্ব কতটুকু এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অধ্যাপক পদের গুরুত্ব কতটুকু তা বুঝতে হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মের ইতিহাস কিছুটা হলেও জানতে হবে। লর্ড হার্ডিঞ্জ যখন ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির প্রস্তাব করলেন তখন কলকাতার অনেক প্রভাবশালী ও প্রথিতযশা ব্যক্তি এর বিরোধিতা করেছিলেন। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের সময় বঙ্গভঙ্গ ঘোষণাতে বাংলার মুসলমানরা ক্ষুব্ধ হয়।

    ক্ষুব্ধ মুসলমানদের শান্ত করতে লর্ড হার্ডিঞ্জের ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার প্রস্তাব করেন। এই প্রস্তাবে কলকাতার এলিটদের মধ্যে অনেকের বিরোধিতার মুখে লর্ড হার্ডিঞ্জ একবার আশুতোষ মুখার্জীকে গাড়ি পাঠিয়ে তার অফিসে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসেন (সূত্র: রমেশ চন্দ্র মজুমদারের আত্মজীবনীমূলক বই)। সেই সময় লর্ড হার্ডিঞ্জ স্পষ্ট করে আশুতোষ মুখার্জীকে বলে দেন ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় হবেই।

    এরপর তিনি বলেন এখন কি করলে বা কি পেলে আপনি বা আপনারা এর বিরোধিতা করবেন না, তা জানালে আমি দেবার চেষ্টা করব। আশুতোষ মুখার্জী তৎক্ষণাৎ বললেন ঠিক আছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪টি অধ্যপক পদ দিন আমি চুপ থাকবো। আশুতোষ মুখার্জী ও হার্ডিঞ্জের সাথে এই ডিলে আরো যোগ দেন রাশ বিহারী ঘোষ ও গুরুদাস বেনার্জী প্রমুখ। তাহলে বুঝতে পারছেন একটি বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টির প্রসব বেদনা কতটুকু। আর একটি অধ্যাপক পদ কতটা মূল্যবান?

    স্বাধীনতার পূর্বে বাংলাদেশে মোট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ৬টি। ১৯৭১ থেকে ১৯৯১ এই ২০ বছরে আরও ৩টি বিশ্ববিদ্যালয় যোগ হয়ে মোট বিশ্ববিদ্যালয় হয় ৯টি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ এই ১০ বছরে নতুন ৭টি বিশ্ববিদ্যালয় যোগ হয়। ২০০২ থেকে ২০১২ এর মধ্যে ১৪টি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় যোগ হয় আর ২০১৩ থেকে ২০২৫ এর মধ্যে ১৮টি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় যোগ হয়ে এখন ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।

    আওয়ামীলীগ আমলে স্লোগান ছিল জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় আর এখন মনে হচ্ছে স্লোগান হতে যাচ্ছে ৩৩০টি সংসদীয় আসনে ৩৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ই খোলা হচ্ছে। শিক্ষকরা কেমন, শিক্ষকরা কতটা কমিটেড, ছাত্ররা কেমন পরিবেশে থাকে ইত্যাদির খোঁজ কেউ নেয় না। একটি ছোট্ট পরিসংখ্যান দেই। বাংলাদেশ সরকার ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চলতি অর্থ বছরে মোট ১.০৭ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেয়। আর শুধু হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় একার বরাদ্দই ৭ বিলিয়নের বেশি। No wonder that আমাদেরগুলো শুধু নামেই বিশ্ববিদ্যালয়, কাজে না। আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দিন দিন বাংলাদেশের সরকারি প্রাইমারি স্কুলের ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে।

    লেখক: কামরুল হাসান মামুন: অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    ইরান আর অন্তহীন আলোচনা মেনে নেবে না; নিজস্ব শর্তে গড়ে তুলছে প্রতিরোধব্যবস্থা

    জুন 9, 2026
    সম্পাদকীয়

    ডিজিটাল ট্রানজেকশনের যুগে কোর ব্যাংকিং সিস্টেম কতটা নিরাপদ আমানত?

    জুন 9, 2026
    শিক্ষা

    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা, প্রশ্নপত্র বহনে বিমানবাহিনী

    জুন 9, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.