Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, এপ্রিল 28, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » শীর্ষ ১৫ ব্যাংকের তালিকায় থাকতে চায় মেঘনা ব্যাংক
    মতামত

    শীর্ষ ১৫ ব্যাংকের তালিকায় থাকতে চায় মেঘনা ব্যাংক

    মনিরুজ্জামানজানুয়ারি 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    এসএমই খাতে বিস্তার ঘটিয়ে দেশের শীর্ষ ১৫ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে নতুন প্রজন্মের মেঘনা ব্যাংক। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ডিজিটাল ব্যাংকিংকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে ডিজিটাল ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে মেঘনা ব্যাংকের। এতে এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য সেবা আরও সহজ হবে এবং ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রমও সম্প্রসারিত হবে। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে প্রায় ৩৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এতে পুরো খাত গভীর সংকটে রয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেও মেঘনা ব্যাংক তাদের খেলাপি ঋণের হার এক অঙ্কের ঘরে ধরে রাখতে পেরেছে।

    মিজানুর রহমানের মতে, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারা ব্যাংকটির জন্য একটি বড় অর্জন। এটি আমানতকারীদের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সেই আস্থার ভিত্তিতেই ব্যাংকটি আগামী দিনে শীর্ষ ১৫ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের কাতারে পৌঁছাতে চায়।

    মেঘনা ব্যাংক কী ধরনের ব্যাংকিং করে ?  

    মেঘনা ব্যাংক ছোট ঋণে ফোকাস করছে। এসএমই ব্যাংকিংয়ে ফোকাস করা হচ্ছে; যেখানে ছোট ছোট ঋণের চাহিদা থাকবে সেখানে অর্থ বিতরণ করা যাবে। তাতে স্বল্প পরিসরে যেসব ব্যবসায়ীদের ঋণের দরকার পড়বে তারা এখান থেকে উপকৃত হবেন। বর্তমানে এ ধরনের ছোট ছোট ঋণের অনেক চাহিদা রয়েছে। ছোট পর্যায় কী ধরণের ঋনের চাহিদা থাকে, সেটা নিয়ে কাজ করছে মেঘনা ব্যাংক।

    এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে ব্যাংকটি। বর্তমানে মেঘনা ব্যাংকের ৮০ শতাংশ পোর্টফোলিও কর্পোরেট ব্যাংকিং; তবে চাহিদা মোতাবেক রিটেইল, এসএমই ও ডিজিটাল ব্যাংকিংয়েও পোর্টফোলিও বাড়ানো হচ্ছে।

    মেঘনা ব্যাংক রিটেইল ব্যাংকিংয়ে মনোযোগ দিচ্ছে কেন?

    দেশের বেশিরভাগ ব্যাংক কর্পোরেট ঋণে ফোকাসড। কারণ যত বড় বড় ঋণ দেওয়া যায়, মুনাফা তত বেশি—ব্যাংক খাতে এমন একটা ধারণা আছে। তবে বড় বড় ঋণ বিতরণ করলে এক ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়। বর্তমানে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ অনেক বেড়ে গেছে। ব্যাংকিং খাত পর্যালোচনা করলে বর্তমানে কর্পোরেট ব্যাংকিং অনেক ভালনারেবল। অনেক ব্যাংক কর্পোরেট ব্যাংকিংয়ে ফোকাস করতে গিয়ে নিজেদের ঝুঁকি অনেক বেশি বাড়িয়ে ফেলেছে। দেশের ব্যাংকগুলো যদি শুরু থেকে এসএমই, রিটেইল ব্যাংকিং ও কর্পোরেটে সমানভাবে ফোকাস করত, তাহলে এ খাতের চিত্র ভিন্ন হতে পারত।

    এজন্য আমরা মনে করি, প্রত্যেকটি ব্যাংকের একটি জায়গায় আবদ্ধ না থেকে ব্যাংকের ব্যবসায় এক ধরনের বৈচিত্র্য আনা দরকার। আর যেসব ব্যাংক ব্যাংকিং ব্যবসায় যত বেশি বৈচিত্র্য নিয়ে আসতে সক্ষম হবে, তত বেশি টেকসই হবে। তাই গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে মেঘনা ব্যাংক রিটেইল ব্যাংকিংয়ে জোর দিচ্ছে। ঝুঁকি ও ব্যবসার ধরন পর্যালোচনা করে মেঘনা ব্যাংক রিটেইল ব্যাংকিংয়ে আরো বেশি বৈচিত্র্য নিয়ে আসতে চাচ্ছে।

    আমানতকারীরা মেঘনা ব্যাংকে টাকা রাখতে কেন আস্থা পাবেন? 

    দেশের শীর্ষ যেসব ব্যাংক রয়েছে, তাদের যাত্রা অনেকদিনের। প্রথম প্রজন্মের যেসব ব্যাংক রয়েছে, তাদের বয়স ৪০ বছরের থেকেও বেশি। সেখানে মেঘনা ব্যাংক চলতি বছরে তার যাত্রার ১৩ বছর উদযাপন করতে যাচ্ছে। বড় ও প্রতিষ্ঠিত যেসব কোম্পানি রয়েছে, তারা কোনো ব্যাংকে আমানত রাখতে গেলে সেই ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে। ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে সেই ব্যাংকে আমানত রাখে। কারণ আমানতই একটি ব্যাংকের প্রাণশক্তি।

    মেঘনা ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার ভিত শক্তিশালি রয়েছে, কারণ এ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৬ শতাংশের নিচে। এজন্য বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান মেঘনা ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে এখানে আমানত রাখছে। আমরা আশা করছি গ্রাহকরা ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে এখানে আমানত রাখবেন। কারণ মেঘনা ব্যাংকের এডিআর রেশিও, মূলধন পর্যাপ্ততা ও খেলাপি ঋণের হার—এসব সূচক তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে।

    ডিজিটাল ব্যাংকিং নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? 

    ভবিষ্যৎ ব্যাংকিং যেহেতু ক্রমেই ডিজিটাল-কেন্দ্রিক হয়ে উঠছে, তাই মেঘনা ব্যাংক এ খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ডিজিটাল ব্যাংক গঠন করতে অনেক বেশি সময়ের প্রয়োজন হবে না। ওয়েব-ভিত্তিক ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, রিটেইল ব্যাংকিং ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (মেঘনা পে)— এ চার প্ল্যাটফর্মকে একসঙ্গে করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাতে গ্রাহকরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহজে লেনদেন করতে পারবেন।

    এই ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হলে গ্রাহকরা ঘরে বসেই ঋণ সুবিধা পাবেন, যা অনেক দেশেই এখন সহজলভ্য। আমরা মনে করি, মেঘনা ব্যাংক আগামীতে ১৫টি শীর্ষ ব্যাংকের তালিকায় পৌঁছাতে পারবে। সেটা মুনাফার দিক বিবেচনা করে নয়, ব্যাংকের ব্যালান্স শিটের দিক থেকে।

    চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে? 

    রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো ব্যাংকের আসা উচিত নয়। তাই যেসব ব্যাংক চলে এসেছে, এখন তাদের কাজ করতে হবে। মেঘনা ব্যাংক বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করছে। নির্দিষ্ট ক্রেডিট লাইন রয়েছে, সেগুলো অর্জন করলে সেটা পাওয়া যাবে।

    তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকলে ক্রেডিট লাইন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই একটা সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার। তাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রমাণ করা যাবে যে দেশের অবস্থা উন্নতি হচ্ছে। আশা করা যায় নির্বাচনের পর দেশের অবস্থার আরো উন্নতি হবে, আর ক্রেডিট লাইনের যে সমস্যা তা দূর হয়ে যাবে।

    বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কম কেন? 

    বর্তমানে ব্যাংকগুলো ভালো ও মানসম্মত ঋণগ্রহীতা পাচ্ছে না। কারণ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বিবেচনা করে ব্যবসায়ীরা এখন নতুন ব্যবসায় বিনিয়োগ করছেন না। ফলে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা বর্তমানে বেশ কম। নতুন বিনিয়োগের অভাবে দেশে বেকারত্ব বাড়ছে। আশা করা যায়, নির্বাচনের পর বিনিয়োগ বাড়বে; তখন ঋণ বিতরণও বেড়ে যাবে।

    বর্তমানে অনেক ব্যাংকের মুনাফার বড় একটা অংশ ট্রেজারি বিল-বন্ড থেকে আসছে। এর কারণ হচ্ছে ব্যাংকগুলোতে বেসরকারি খাতে ঋণ চাহিদা নেই। তাই এসব ব্যাংক ট্রেজারি বিল-বন্ডে বিনিয়োগ করছে। আশা করছি নির্বাচনের পর ঋণের চাহিদা বাড়বে।

    খেলাপি ঋণ কমানোর জন্য পুনঃতফসিলের সুবিধা দিলে বাজারে কোন প্রভাব পড়ে? 

    দেশের বড় বড় ব্যবসায়ীরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিলেও অনেকে আর ফেরত দেননি। কারণ এদের মধ্যে অনেক ব্যবসায়ী অর্থ নিয়ে দেশের বাইরে পাচার করেছেন। যে ব্যবসার কথা বলে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে সেটা কাজেই লাগাননি। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড দিয়ে ১০ বছরের সুবিধা দেওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।  তবে কিছু কিছু ব্যবসা রয়েছে যারা ডলারের কারণে আসলেই লোকসানের মুখে পড়েছে। তাদের কিন্তু আসলেই সাহায্য দেওয়া প্রয়োজন।

    সূত্র: টিবিএস

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    মতামত

    যিশুর মূর্তি ভাঙা ইসরায়েলের খ্রিস্টান নিশ্চিহ্ন করার চলমান প্রচেষ্টারই একটি অংশ

    এপ্রিল 27, 2026
    সম্পাদকীয়

    ডিজিটাল ব্যাংক: ব্যাংকিং জগতে নতুন ইশতেহার

    এপ্রিল 27, 2026
    অর্থনীতি

    সংকট থেকেই গড়ে উঠতে পারে নতুন অর্থনৈতিক অধ্যায়

    এপ্রিল 27, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.