Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, আগস্ট 11, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ঘুষখোরদের বিষয়ে কী বলছে ইসলাম?
    ধর্ম

    ঘুষখোরদের বিষয়ে কী বলছে ইসলাম?

    নিউজ ডেস্কজুলাই 30, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ঘুষের
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ঘুষ শুধু একটি আর্থিক অপরাধ নয়; ইসলামের দৃষ্টিতে এটি ন্যায়বিচার, আমানতদারিতা ও মানবাধিকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ। অন্যায় সুবিধা লাভ, বৈধ অধিকারকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করা কিংবা বিচারকে বিকৃত করার উদ্দেশ্যে ঘুষ দেওয়া-নেওয়াকে ইসলাম কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। কুরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে স্পষ্ট সতর্কবাণী রয়েছে।

    ইসলামী শরিয়তের মূল শিক্ষা হলো—মানুষের সম্পদ, অধিকার ও বিচারব্যবস্থা হতে হবে স্বচ্ছ ও ন্যায়ভিত্তিক। ঘুষ সেই ন্যায়ের ভিত্তিকে ধ্বংস করে। তাই ইসলাম শুধু ঘুষগ্রহীতাকেই নয়, ঘুষদাতা এবং এ কাজে সহযোগিতাকারীকেও সমানভাবে নিন্দা করেছে।

    কুরআনের সতর্কবার্তা

    পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,

    “তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না। আর মানুষের সম্পদের কোনো অংশ জেনে-শুনে অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উদ্দেশ্যে বিচারকদের কাছে তা (ঘুষ হিসেবে) পৌঁছে দিও না।”
    (সূরা আল-বাকারা: ১৮৮)

    এই আয়াতে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    আরেক আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন,

    “তারা মিথ্যা শুনতে অভ্যস্ত এবং হারাম ভক্ষণে লিপ্ত।”
    (সূরা আল-মায়িদা: ৪২)

    তাফসিরবিদদের অনেকেই এই আয়াতে ‘হারাম ভক্ষণ’-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

    ঘুষ সম্পর্কে রাসুল (সা.)-এর সতর্কবাণী

    ঘুষের বিষয়ে হাদিসেও অত্যন্ত কঠোর ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,

    “ঘুষদাতা, ঘুষগ্রহীতা এবং তাদের মধ্যস্থতাকারী—সবার ওপর আল্লাহর লানত।”
    (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৩৫৮০; জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ১৩৩৭)

    এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, ঘুষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক ব্যক্তি গুরুতর গুনাহে লিপ্ত হন। কেবল ঘুষ গ্রহণকারী নয়, অন্যায় সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ দেওয়া এবং এই লেনদেন সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করাও সমানভাবে নিন্দিত।

    ঘুষদাতাও কি সমান অপরাধী?

    ইসলামের সাধারণ বিধান অনুযায়ী, অন্যায় সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্যে ঘুষ দেওয়া এবং ঘুষ গ্রহণ—উভয়ই হারাম।

    তবে ইসলামী ফিকহে একটি ব্যতিক্রমের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে বা জুলুম-নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে বাধ্য হয়ে অর্থ প্রদান করেন, তাহলে সেই পরিস্থিতিতে মূল গুনাহ ঘুষ গ্রহণকারীর ওপর বর্তায়। কারণ সেখানে অর্থ প্রদানকারী অন্যায় সুবিধা নিতে নয়, বরং নিজের বৈধ অধিকার ফিরে পেতে বাধ্য হয়েছেন। এ বিষয়ে ফাতহুল বারী ও আল-মুগনীসহ বিভিন্ন ফিকহগ্রন্থে আলোচনা রয়েছে।

    তবে এটিকে সাধারণ নিয়ম হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। অন্যায় সুবিধা অর্জনের জন্য দেওয়া ঘুষ কোনো অবস্থাতেই বৈধ নয়।

    ঘুষ সমাজের কী ক্ষতি করে?

    ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, ঘুষ সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য বহুমাত্রিক ক্ষতির কারণ। এর ফলে—

    • ন্যায়বিচার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
    • যোগ্য ও সৎ মানুষ বঞ্চিত হন।
    • রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়ে।
    • দরিদ্র ও অসহায় মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হয়।
    • দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয়।
    • মানুষের নৈতিকতা, জবাবদিহি ও আল্লাহভীতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

    ইসলামী আইনে ঘুষের শাস্তি

    কুরআন ও হাদিসে ঘুষের জন্য নির্দিষ্ট হদ (Hudud) শাস্তি নির্ধারণ করা হয়নি। তবে এটি তাআজির-এর অন্তর্ভুক্ত অপরাধ। অর্থাৎ, ইসলামী রাষ্ট্রে বিচারক অপরাধের ধরন, ক্ষতির পরিমাণ এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, চাকরিচ্যুতি বা অন্যান্য উপযুক্ত শাস্তি নির্ধারণ করতে পারেন।

    উপসংহার

    ঘুষ ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল অর্থনৈতিক দুর্নীতি নয়; এটি আল্লাহর অবাধ্যতা, মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন করা এবং ন্যায়বিচারকে বিপন্ন করার একটি বড় অপরাধ। তাই ইসলাম এমন একটি সমাজব্যবস্থার আহ্বান জানায়, যেখানে বিচার, প্রশাসন ও জনসেবা থাকবে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও ঘুষমুক্ত। একজন মুমিনের জন্য ঘুষ গ্রহণ, অন্যায় সুবিধার জন্য ঘুষ প্রদান কিংবা এ কাজে সহযোগিতা করা—কোনোটিই গ্রহণযোগ্য নয়।

    তথ্যসূত্র:

    • আল-কুরআন: সূরা আল-বাকারা (২:১৮৮), সূরা আল-মায়িদা (৫:৪২)
    • সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৩৫৮০
    • জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ১৩৩৭
    • মুসনাদ আহমদ (ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতার বিষয়ে বর্ণনা)
    • তাফসির ইবন কাসির (সূরা আল-বাকারা ১৮৮-এর ব্যাখ্যা)
    • তাফসির আল-কুরতুবি
    • ফাতহুল বারী
    • আল-মুগনী
    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ধর্ম

    সারাদেশে মোট মসজিদ সাড়ে ৩ লাখ, শীর্ষে ঢাকা বিভাগ

    জুলাই 8, 2026
    ধর্ম

    ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে পাওয়া গেল ৪৩ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

    জুন 27, 2026
    ধর্ম

    ফুটবল টিমের জার্সি পরে নামাজ পড়া কি জায়েজ, কী বলে ইসলাম?

    জুন 17, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.