সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। বুধবার লেনদেনের শুরু থেকেই অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়তে থাকায় বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসে। প্রথম ঘণ্টার লেনদেনেই বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।
প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ সকাল ১০টায় লেনদেন শুরু হওয়ার পর থেকেই ক্রয়চাপ প্রাধান্য পায়। বেলা ১১টা পর্যন্ত মোট ৩৮৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৮টির, কমেছে ১১৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৮৫টির।
অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দর বৃদ্ধির প্রভাবে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৭৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। শরিয়াহভিত্তিক সূচকেও ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে, যা ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৪ পয়েন্টে পৌঁছেছে। তবে বাছাইকৃত ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএসই-৩০ সামান্য কমে ২ পয়েন্ট হারিয়ে ২ হাজার ১৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
লেনদেনের গতি থেকেও বাজারের সক্রিয়তা বোঝা যাচ্ছে। প্রথম এক ঘণ্টায় প্রায় ২৪২ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। তুলনামূলকভাবে আগের কার্যদিবসে পুরো চার ঘণ্টায় লেনদেন হয়েছিল ৮৩২ কোটি টাকার কিছু বেশি। সার্বিকভাবে দিনের শুরুতে বাজারে ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেলেও বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারা ধরে রাখতে হলে বাকি সময়ে লেনদেনের ধারাবাহিকতা এবং বড় মূলধনী শেয়ারগুলোর স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

