দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। তবে বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লেনদেন অব্যাহত থাকায় সার্বিক পরিস্থিতিতে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে।
লেনদেনের প্রথম দেড় ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কিছুটা নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। নির্দিষ্ট সময়ে সূচকটি কয়েক পয়েন্ট কমে অবস্থান নেয় আগের দিনের তুলনায় নিচের দিকে।
বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বেলা ১১টা ৩৬ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইএক্স সূচক কমে নির্দিষ্ট একটি পয়েন্টে অবস্থান করে। একই সময়ে বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়, যা বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
লেনদেনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আলোচিত সময়ের মধ্যে শত শত কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন সম্পন্ন হয়। একই সময়ে বাজারে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি অংশের শেয়ারদর বৃদ্ধি পেলেও বড় একটি অংশের দরপতন ঘটে। কিছু কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিতও ছিল।
পরিসংখ্যান বলছে, মোট লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, আর বেশি সংখ্যক কোম্পানির দর কমেছে। এতে করে সার্বিকভাবে সূচকে নেতিবাচক চাপ তৈরি হয়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সূচকের এই নিম্নমুখী প্রবণতা সত্ত্বেও লেনদেনের গতি স্বাভাবিক রয়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা বজায় থাকার ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে কিছু নির্দিষ্ট খাতে ক্রয়চাপ থাকায় বাজারে এক ধরনের ভারসাম্যপূর্ণ ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।
তাদের মতে, শেয়ারবাজারে এমন পরিস্থিতি সাধারণত স্বল্পমেয়াদি মুনাফা গ্রহণ, খাতভিত্তিক বিনিয়োগ পরিবর্তন এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে তৈরি হয়। তবে লেনদেন সক্রিয় থাকলে বাজারে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা, কোম্পানির আর্থিক ফলাফল এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা বাজারের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

