সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার লেনদেনের প্রথম ৫০ মিনিটেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় ৩২৫ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। একই সঙ্গে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়ায় প্রধান মূল্যসূচকও ঊর্ধ্বমুখী অবস্থানে রয়েছে।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত বাজারে মোট ৩২৪ কোটি ৯৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এ সময়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
লেনদেন শুরুর পরপরই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ঊর্ধ্বমুখী হয়। প্রথম ছয় মিনিটে সূচকটি ১৮ পয়েন্ট পর্যন্ত বেড়ে যায়। পরে সূচকের ঊর্ধ্বগতির গতি কিছুটা কমলেও সকাল ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৫ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮১৪ দশমিক ৮৫ পয়েন্টে অবস্থান করে।
একই সময়ে ডিএসই শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) ৪ দশমিক ২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১৮৭ দশমিক ৩ পয়েন্টে। তবে বাছাই করা ৩০টি বড় কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচক ৩ দশমিক ১৩ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৮৯ দশমিক ৩৯ পয়েন্টে নেমে আসে।
বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৩৭টির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে এবং ৭২টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
লেনদেনের পরিমাণের দিক থেকে এ সময় শীর্ষে ছিল সিমটেক্স, যার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে ১৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকার। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি ২২ লাখ টাকা। এছাড়া ড্রাগন সোয়েটারের ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, মালেক স্পিনিংয়ের ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা এবং তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের ৭ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দিনের শুরুতে সূচক ও অধিকাংশ শেয়ারের দাম বাড়লেও পুরো দিনের বাজারচিত্র নির্ভর করবে লেনদেনের ধারাবাহিকতা, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ এবং শেষ পর্যন্ত ক্রয়-বিক্রয়ের প্রবণতার ওপর।

