সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম—দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই সূচক বেড়েছে। একই সঙ্গে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বৃদ্ধির কারণে বাজারে ক্রেতাদের সক্রিয় উপস্থিতিও লক্ষ্য করা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮৮৯ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
একই সময়ে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২০৩ পয়েন্টে এবং ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসই-৩০ চার পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২০৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
লেনদেনের চিত্রেও ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। সকাল ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৪২টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৯০টির দর কমেছে এবং ৫৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
একই সময়ে ডিএসইতে মোট ৪৫০ কোটি ৬৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রয়েছে। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ১৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৭২৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সিএসইতে এ সময় লেনদেনে অংশ নেওয়া ৯৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৫২টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ৩৫টির দর কমেছে এবং ১০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে একই সময়ে মোট ৩৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সূচকের ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান এবং অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বৃদ্ধির প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইতিবাচক প্রতিফলন। তবে তারা মনে করেন, এই ধারা টেকসই হবে কি না, তা নির্ভর করবে আগামী দিনের লেনদেন, কোম্পানিগুলোর মৌলভিত্তি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।

