Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, আগস্ট 12, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » বিমা খাতে ধস, তবু বড় উত্থান শেয়ারবাজারে
    পুঁজিবাজার

    বিমা খাতে ধস, তবু বড় উত্থান শেয়ারবাজারে

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 11, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার দেশের শেয়ারবাজারে দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য উত্থান। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার পাশাপাশি সূচকেও বড় উল্লম্ফন দেখা গেছে, বেড়েছে মোট লেনদেনের পরিমাণও। তবে এই সার্বিক ইতিবাচক ধারার মধ্যেও ব্যতিক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে বিমা খাত—এই খাতের প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারদরে দেখা গেছে একরকম ঢালাও পতন।

    দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে, যেখানে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বৃদ্ধি পাওয়ায় সেখানকার মূল্যসূচকও বড় আকারে বেড়েছে, সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। এর মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয় কার্যদিবসের মতো ঊর্ধ্বমুখী থাকল দেশের শেয়ারবাজার।

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এর আগে টানা দুই কার্যদিবস দরপতনের পর গতকাল সোমবার শেয়ারবাজারকে সেই নিম্নমুখী ধারা থেকে বের করে আনতে মূল ভূমিকা রেখেছিল বিমা খাতের কোম্পানিগুলোই, যাদের দাপুটে উত্থানেই বাজার ফিরেছিল ইতিবাচক ধারায়। কিন্তু ঠিক তার পরদিন মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টে যায়—বেশির ভাগ বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম কমার তালিকায় নাম লেখায়, এবং দিনের লেনদেন শেষ পর্যন্ত এই নিম্নমুখী প্রবণতাই অব্যাহত থাকে। তবে অন্যান্য খাতের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বৃদ্ধি পাওয়ায় সামগ্রিকভাবে বাজারের মূল্যসূচক ইতিবাচক ধারাতেই দিনের লেনদেন শেষ করে।

    দিন শেষের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সব খাত মিলিয়ে মোট ২৪২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ১০১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫০টির দাম। তবে শুধু বিমা খাতের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন—এই খাতের মোট ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে, বেড়েছে মাত্র ২০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টির দাম।

    ভালো মানের বা দশ শতাংশ কিংবা তার বেশি লভ্যাংশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১২৩টির শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে ৫৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২০টির। মাঝারি মানের বা দশ শতাংশের কম লভ্যাংশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৪৯টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬টির।

    দীর্ঘদিন লভ্যাংশ না দেওয়ায় ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৭০টির শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে ২৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৩টির। এ ছাড়া চৌদ্দটি মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বাড়ার বিপরীতে সাতটির দাম কমেছে এবং তেরোটির দাম অপরিবর্তিত থেকেছে।

    দাম বাড়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি হওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৫৮ পয়েন্ট বেড়ে পৌঁছেছে প্রায় ৫ হাজার ৯০৩ পয়েন্টে। এ ছাড়া বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত সূচকটি প্রায় ১৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ২০৪ পয়েন্টে, আর শরিয়াহভিত্তিক সূচকটি প্রায় ৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে প্রায় ১ হাজার ১৮২ পয়েন্টে।

    মূল্যসূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে মোট লেনদেনের পরিমাণও। ঢাকার বাজারে দিনভর লেনদেন হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১১৫ কোটি টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ২০৭ কোটি টাকা বেশি। এই লেনদেনে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে একটি শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপের শেয়ার, যার লেনদেন হয়েছে প্রায় ৫১ কোটি টাকার। এরপরের অবস্থানে থাকা দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারেও লেনদেন হয়েছে যথাক্রমে প্রায় ৪২ কোটি এবং সাড়ে ৩১ কোটি টাকার।

    অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক বেড়েছে প্রায় ১৬১ পয়েন্ট। এই বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া মোট ২৩১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৬৪টির দাম বেড়েছে, কমেছে ৪৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৮টির দাম। এখানে দিনভর লেনদেন হয়েছে প্রায় ৭১ কোটি টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি।

    বিশ্লেষকদের মতে, বিমা খাতে টানা দুই দিনের এই তীব্র উত্থান-পতন মূলত এক ধরনের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং স্বল্পমেয়াদি ফটকা বিনিয়োগের ফল হতে পারে, যা বাজারের অস্থিতিশীলতাকেই ইঙ্গিত করে। তবে অন্যান্য খাতে ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতা বজায় থাকলে তা সামগ্রিক বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    পুঁজিবাজার

    তিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা

    আগস্ট 11, 2026
    পুঁজিবাজার

    শেয়ারে মার্জিন ঋণের নিয়ম সহজ করতে যাচ্ছে বিএসইসি, বাড়তে পারে পিই সীমা

    আগস্ট 11, 2026
    পুঁজিবাজার

    প্রয়াত উদ্যোক্তার ৭৫ হাজারের বেশি শেয়ার পেলেন পরিচালক পুত্র

    আগস্ট 10, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.