সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস আজ রোববার দেশের পুঁজিবাজারে দেখা গেছে মিশ্র প্রবণতা। প্রধান সূচক নিম্নমুখী থাকলেও দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে, যদিও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ঘটেছে ঠিক উল্টো চিত্র—সেখানে লেনদেন কমেছে।
দুই স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আজ ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬১৪ পয়েন্টে। এর পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক সূচকও ৪ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে নেমে এসেছে যথাক্রমে ১১২৮ ও ২১২২ পয়েন্টে।
তবে সূচকের এই পতনের বিপরীতে লেনদেনের অঙ্কে দেখা গেছে ইতিবাচক প্রবণতা। আজ ডিএসইতে মোট ৫১৮ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট হাতবদল হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৫১ কোটি টাকা বেশি। গত কার্যদিবসে এই বাজারে লেনদেন হয়েছিল ৪৬৭ কোটি ১ লাখ টাকার।
কোম্পানিভিত্তিক চিত্রে দেখা যায়, আজ ডিএসইতে মোট ৩৯২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে দরবৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৪৯টির, দরপতন হয়েছে ৩০৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ঘটেছে দরপতন। এই বাজারের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৯১ পয়েন্টে। আজ এই বাজারে মোট ১৭৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার মধ্যে দর বেড়েছে ৪২টির, কমেছে ১১২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর।
তবে ডিএসইর বিপরীতে সিএসইতে লেনদেনের গতি কমার চিত্রই দেখা গেছে। আজ এই বাজারে মোট ১১ কোটি ১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১০ কোটি টাকা কম। গত কার্যদিবসে সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ২১ কোটি ২৩ লাখ টাকার।

