সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ইতিবাচক প্রবণতা নিয়ে লেনদেন শেষ করেছে দেশের পুঁজিবাজার। বৃহস্পতিবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক ও লেনদেন দুটোই বেড়েছে, তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক বাড়লেও লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে পাওয়া তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে।
দিনের লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক আটত্রিশ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার পাঁচশ বত্রিশ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। বাকি দুটি সূচকের মধ্যে শরিয়াহভিত্তিক সূচক সাত পয়েন্ট বেড়ে এগারোশ ছয় এবং শীর্ষ ত্রিশ কোম্পানির সূচক আট পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার একশ এক পয়েন্টে পৌঁছেছে।
লেনদেনের অঙ্কেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। এদিন ডিএসইতে শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড মিলিয়ে মোট ছয়শ পঞ্চান্ন কোটি বেয়াল্লিশ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় নিরানব্বই কোটি টাকা বেশি। এর আগের দিন এই বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ছিল পাঁচশ ছাপ্পান্ন কোটি বিশ লাখ টাকা।
কোম্পানিভিত্তিক হিসাবে, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট তিনশ ঊননব্বইটি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট নিয়ে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দুইশ বাষট্টিটি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, আশিটির দর কমেছে এবং সাতচল্লিশটি কোম্পানির দর অপরিবর্তিত রয়ে গেছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক তেষট্টি পয়েন্ট বেড়ে চৌদ্দ হাজার সাতশ ছত্রিশ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এই বাজারে মোট একশ আশিটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে হাতবদল হয়েছে, যার মধ্যে একশ আটটির দর বেড়েছে, ছেচল্লিশটির দর কমেছে এবং ছাব্বিশটির দর অপরিবর্তিত ছিল।
তবে লেনদেনের অঙ্কে সিএসইতে দেখা গেছে বিপরীত চিত্র। এদিন এই বাজারে মোট সতেরো কোটি চৌদ্দ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় তিন কোটি টাকা কম। আগের দিন সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল বিশ কোটি বিরাশি লাখ টাকা।

