সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার পুঁজিবাজারে সূচকের বড় উত্থান হয়েছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনও বেড়েছে। তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন কমেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স এদিন ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৯২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকও ঊর্ধ্বমুখী ছিল। শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ১১৮ পয়েন্ট। ডিএসই-৩০ সূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১২১ পয়েন্টে।
সূচকের এই উত্থানের সঙ্গে লেনদেনেও গতি এসেছে। রোববার ডিএসইতে শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মোট লেনদেন হয়েছে ৭৪৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকার। আগের কার্যদিবসে এই অঙ্ক ছিল ৬৫৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা। অর্থাৎ একদিনে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৯২ কোটি টাকা।
এদিন ডিএসইতে ৩৮৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৮৭টির। কমেছে ৬২টির দর। অপরিবর্তিত ছিল ৩৯টির দর। অর্থাৎ লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের বড় অংশেরই দর বেড়েছে, যা বাজারে ইতিবাচক মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচক বেড়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১১৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৮৫৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সেখানে লেনদেন হওয়া ১৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৪টির। কমেছে ৪১টির। অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির দর।
তবে সূচক বাড়লেও সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। রোববার সেখানে শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে ১০ কোটি ৯ লাখ টাকার। আগের দিন এই অঙ্ক ছিল ১৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা। ফলে একদিনে লেনদেন কমেছে প্রায় সাত কোটি টাকা।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুই শেয়ারবাজারেই সূচক ও দরবৃদ্ধির প্রবণতা একই দিকে থাকলেও লেনদেনের ধারা ভিন্ন ছিল। একটানা উত্থান টেকসই হবে কি না, তা নির্ভর করবে আগামী কয়েক কার্যদিবসের লেনদেনের গতির ওপর।

