সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে চাঙা ভাব নিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। বুধবার সকালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ—উভয় বাজারেই সূচক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা নিয়ে দিন শুরু করেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিটেই ঢাকার প্রধান সূচক বারো পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে এর কিছুক্ষণ পরই, সকাল দশটা দশ মিনিটের দিকে সূচক আট পয়েন্ট কমে যায়। এরপর থেকেই আবার ঊর্ধ্বমুখী গতি ফিরে পায় বাজার। লেনদেন শুরুর বিশ মিনিট পর সূচক আগের দিনের তুলনায় ঊনত্রিশ পয়েন্ট বেড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে যায়।
লেনদেনের আধা ঘণ্টা পার হতেই অর্থাৎ সকাল সাড়ে দশটায় ঢাকার সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে সাঁইত্রিশ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার পাঁচশ সাতাত্তর পয়েন্টে দাঁড়ায়। একই সময়ে শরিয়াহভিত্তিক সূচক সাত পয়েন্ট এবং শীর্ষ ত্রিশ কোম্পানির সূচক ছয় পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে এগারোশ ষোলো ও একুশশ বারো পয়েন্টে অবস্থান করে।
এই আধা ঘণ্টায় ঢাকার বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় একশ সাঁইত্রিশ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এই সময়ের মধ্যে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দুইশ চৌষট্টিটির শেয়ারদর বেড়েছে, ঊনপঞ্চাশটির কমেছে এবং চুয়ান্নটি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকেছে। এদিন সকাল সাড়ে দশটা পর্যন্ত লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে ডোমিনেজ স্টিল, ওরিয়ন ইনফিউশন, প্রাইম ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, খান ব্রাদার্স, শাইনপুকুর সিরামিক, সার্প ইন্ডাস্ট্রি, একমি লিমিটেড, মালেক স্পিনিং ও সী পার্লের মতো প্রতিষ্ঠান।
একই সময়ে চট্টগ্রামের বাজারেও ইতিবাচক ধারা লক্ষ করা গেছে। লেনদেনের আধা ঘণ্টা পর সেখানকার সার্বিক সূচক আঠারো পয়েন্ট বেড়ে চৌদ্দ হাজার আটশ চৌত্রিশ পয়েন্টে পৌঁছায়, এবং এরপরও সূচকের এই ঊর্ধ্বমুখী গতি অব্যাহত ছিল। এই সময় পর্যন্ত চট্টগ্রামের বাজারে লেনদেন হয়েছে প্রায় এক কোটি বারো লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। এখানে ঊনিশটি কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে, আটটির কমেছে এবং তিনটি কোম্পানির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

