সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার দেশের দুই শেয়ারবাজারেই সূচক কমেছে। সঙ্গে কমেছে লেনদেনও। দিনের শুরুতে সূচকে মিশ্র প্রবণতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বাজার নিম্নমুখী অবস্থানে থেকেই লেনদেন শেষ হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৪৯ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪৮২ পয়েন্টে নেমে এসেছে। অন্য দুই সূচকেও পতন হয়েছে। শরীয়াহ সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৮৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। রোববার ডিএসইতে ৫৪২ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে। আগের কার্যদিবসে এ অঙ্ক ছিল ৭২৩ কোটি ১১ লাখ টাকা। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ১৮০ কোটি টাকা।
দর বাড়া-কমার হিসাবে বাজারের হতাশাজনক চিত্র আরও স্পষ্ট। এদিন ডিএসইতে ৩৮৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৬৬টির। কমেছে ২৯১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৮টির দর। অর্থাৎ লেনদেন হওয়া প্রতি চারটির মধ্যে তিনটিরও বেশি কোম্পানির দর কমেছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৭১ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৬৬০ পয়েন্টে নেমেছে। সিএসইতে এদিন ১৭১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪০টির, কমেছে ১১৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৭টির।
সিএসইতেও লেনদেন কমেছে। রোববার সেখানে ১৩ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকার। ফলে একদিনে লেনদেন কমেছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা।
প্রকাশের আগে একটি বিষয় মিলিয়ে নিতে পারেন। মূল প্রতিবেদনে ডিএসইর লেনদেন কমার পরিমাণ ১৮১ কোটি টাকা এবং সিএসইর ক্ষেত্রে ২ কোটি টাকা বলা হয়েছিল। দুই দিনের লেনদেনের অঙ্ক বিয়োগ করলে পাওয়া যায় যথাক্রমে প্রায় ১৮০ কোটি এবং প্রায় ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। তাই আমি হিসাব করা মানই ব্যবহার করেছি।

