মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) খাতভিত্তিক লেনদেনে মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে। ডিএসইর ওয়েবসাইটের খাতভিত্তিক হিটম্যাপে ১২টি খাতের মধ্যে আটটি নিম্নমুখী, বিপরীতে চারটি খাতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। সবচেয়ে বেশি চাপ রয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড ও প্রকৌশল খাতে। অন্যদিকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, ওষুধ ও রসায়ন এবং সেবা ও আবাসন খাতে দর বেড়েছে।
খাতভিত্তিক হিটম্যাপ অনুযায়ী, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে দর কমেছে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং প্রকৌশল খাতে ৪ শতাংশ। ব্যাংক খাতেও ১ দশমিক ৩ শতাংশ দরপতন দেখা গেছে। বিপরীতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ৩ দশমিক ২ শতাংশ, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং সেবা ও আবাসন খাতে ১ দশমিক ৩ শতাংশ উত্থান দেখা গেছে। বস্ত্র খাতও সামান্য ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।
শেয়ারভিত্তিক দরেও কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা যাচ্ছে। সকাল ১১টা ২৯ মিনিটের বাজার-তথ্যে ফারইস্ট ফাইন্যান্স ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের শেয়ারদর আগের দিনের তুলনায় ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ করে কমেছে। ফাস ফাইন্যান্সের দর কমেছে ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ক্যাপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ডের দর কমেছে ৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
তবে সব শেয়ারে দরপতন দেখা যাচ্ছে না। ব্যাংক খাতের মধ্যে আইএফআইসি ব্যাংকের দর ২ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং ব্যাংক এশিয়ার দর ১ দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে ঢাকা ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের শেয়ারদরে পতন দেখা গেছে। অর্থাৎ খাতভিত্তিক চাপ থাকলেও সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার একই দিকে চলছে না।
আগের কর্মদিবস সোমবারও বাজারে দরপতন হয়েছিল। ওই দিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৩ দশমিক ০১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩৯৯ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে নামে। মোট লেনদেন হয়েছিল ৪১০ কোটি ৫৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার কাছাকাছি। তবে আজকের সূচক ও মোট লেনদেনের নির্ভরযোগ্য লাইভ অঙ্ক পাওয়া না যাওয়ায় গত দিনের ক্লোজিং তথ্যকে আজকের বাজারের অবস্থা হিসেবে দেখানো যাচ্ছে না।

