এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির ২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর) সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে ৫৮ পয়সা হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১০ পয়সা। তবে শুধু তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) হিসাবে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস ১ পয়সা থেকে কমে ঋণাত্মক ৩ পয়সায় নেমেছে। ফলে নয় মাসের হিসাবে আয় বাড়লেও সর্বশেষ প্রান্তিকের ফলাফলে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের ২৫২তম সভায় ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, নয় মাসে একক হিসাবে ব্যাংকটির ইপিএস ১৬ পয়সা থেকে বেড়ে ৬৯ পয়সা হয়েছে। অর্থাৎ, সমন্বিত ও একক দুই হিসাবেই গত বছরের একই সময়ের তুলনায় শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিনিয়োগ থেকে আয় বৃদ্ধি এবং আয়কর খাতে প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজন কমে যাওয়ায় নয় মাসের ইপিএস বেড়েছে। তবে শুধু ইপিএসের পরিবর্তন দিয়ে ব্যাংকের সামগ্রিক আর্থিক অবস্থার পূর্ণ চিত্র পাওয়া যায় না। বিশেষ করে তৃতীয় প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস ঋণাত্মক হওয়ায় নয় মাসের সামগ্রিক উন্নতির পাশাপাশি সর্বশেষ তিন মাসের ফলাফলও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য বা এনএভি প্রতি শেয়ারে দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৪৭ পয়সা। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে এই পরিমাণ ছিল ১৬ টাকা ৭৪ পয়সা। একই সময়ে ব্যাংকটির মোট সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য ১ হাজার ৩৮৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ, বছরের প্রথম নয় মাসে নিট সম্পদমূল্যেও উন্নতি হয়েছে।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি ও নিরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান, স্বতন্ত্র পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

