চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসে বিক্রি ও নিট মুনাফায় উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি পেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাটা সু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটির বিক্রি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৮০ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি। এ সময়ে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বেড়ে হয়েছে ৪৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ফলে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ২১ পয়সায়, আগের বছর ছিল ৯ টাকা ৩২ পয়সা।
কোম্পানিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শুধু জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকেই বিক্রি হয়েছে ২১১ কোটি টাকার পণ্য। আগের বছরের একই সময়ে এ বিক্রির পরিমাণ ছিল ১৮৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে তৃতীয় প্রান্তিকে বিক্রি বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ। তবে বিক্রি বাড়লেও এ সময়ে কোম্পানিটি প্রায় ৫ কোটি টাকা নিট লোকসান করেছে। আগের বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় লোকসানের পরিমাণ কমেছে। অর্থাৎ প্রথম নয় মাসের সম্মিলিত মুনাফা বাড়লেও সর্বশেষ তিন মাসে কোম্পানিটি এখনো লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
প্রথম নয় মাসে মুনাফা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় বাটা সুর পর্ষদ ২০২৬ হিসাব বছরের জন্য ৩৬ দশমিক ৩১ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। প্রতি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ টাকা ৬৩ পয়সা। এ লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণে রেকর্ড তারিখ রাখা হয়েছে আগামী ২৫ নভেম্বর।
বাটা সুর আর্থিক ফলাফলে আগের বছরের সঙ্গে তুলনা করতে গেলে ২০২৫ হিসাব বছরের চিত্রও গুরুত্বপূর্ণ। ওই বছর কোম্পানিটির ইপিএস ছিল মাত্র ৮৫ পয়সা, যেখানে ২০২৪ হিসাব বছরে ছিল ২১ টাকা ৬২ পয়সা। ২০২৫ সালের শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৮৮ টাকা ৭২ পয়সা। তবে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই কোম্পানিটির ইপিএস ৩৬ টাকা ৮৭ পয়সায় পৌঁছেছিল। তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসান হওয়ায় নয় মাস শেষে তা কমে ৩৩ টাকা ২১ পয়সা হয়েছে।

