Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, এপ্রিল 27, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » নারীরা জন্মনিয়ন্ত্রণে কেন মোবাইলের দিকে ঝুঁকছে?
    প্রযুক্তি

    নারীরা জন্মনিয়ন্ত্রণে কেন মোবাইলের দিকে ঝুঁকছে?

    এফ. আর. ইমরানUpdated:নভেম্বর 26, 2024নভেম্বর 26, 2024
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    প্রাকৃতিক পদ্ধতি যদি সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয় তাহলে তাহলে এটি ৯৯% কার্যকরী হতে পারে
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    উনিশ’শ ষাটের দশকে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি বা পিল যখন প্রথম বাজারে আসে তখন এটিকে নারীর স্বাধীনতা ও শরীরের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় বড় ধরনের ঘটনা হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছিল।

    এর পর থেকে ব্রিটেনের বেশিরভাগ নারী তাদের জীবনের কোনো না কোনো এক সময়ে হরমোনভিত্তিক জন্মনিরোধ পদ্ধতি বা হরমোনাল পিল ব্যবহার করেছেন। কিন্তু তাদের কেউ কেউ এখন বড়ি খাওয়া ছেড়ে দিয়ে প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণের জন্য প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছেন।

    ব্রিটেনে টেলিভিশন চ্যানেল আইটিভির অত্যন্ত পরিচিত মুখ মনটানা ব্রাউন। লাভ আইল্যান্ড নামের একটি শো-এর কারণে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

    সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন যে হরমোনভিত্তিক জন্মনিরোধ পদ্ধতির ব্যবহার ছেড়ে দেওয়ার দু’বছর পর তিনি মা হতে যাচ্ছেন।

    ইনস্টাগ্রামে করা এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন যে মাসিকের হিসাব নিকাশ অনুসারে তিনি যৌন সম্পর্ক করে আসছিলেন। এই ধরনের পদ্ধতিকে বলা হয় প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি।

    “এই পদ্ধতির কারণে আমি আমার মাসিক সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারি, জানতে পারি বাচ্চা নিতে হলে কখন কী করতে হবে। শরীরের এই বিষয়টিতে আমি খুব অভ্যস্ত হয়ে পড়ি,” বলেন তিনি।

    আসলে এই পোস্ট ছিল ন্যাচারাল সাইকেলস নামের একটি অ্যাপের বিজ্ঞাপন। এই পোস্টটির জন্য তাকে অর্থ দেওয়া হয়েছিল।

    এই অ্যাপটি ২০১৩ সালে চালু করা হয় এবং বর্তমানে এর নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ।

    যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনও ২০১৮ সালে ন্যাচারাল সাইকেল অ্যাপটিকে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেয়। জন্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়ে এটিই প্রথম অ্যাপ যা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেয়েছে।

    অ্যাপটি যারা তৈরি করেছেন তারা বলছেন সন্তানধারণের জন্য একজন নারী কখন সবচেয়ে বেশি উর্বর থাকে এই অ্যাপটির অ্যালগরিদম তা নির্ধারণ করতে পারে।

    শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করে এটি করা হয়। তারা দাবি করছেন এই অ্যাপের সাফল্যের হার ৯৩ শতাংশ। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির স্বাভাবিক ব্যবহারেও একই ধরনের সাফল্য পাওয়া যায়।

    এই অ্যাপটির পেছনে যে ধারণা কাজ করছে তা হলো – প্রচলিত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির বিকল্প ব্যবস্থা তুলে ধরা। এই পদ্ধতিতে হিসাব নিকাশ করে বলে দেওয়া হয় একজন নারীর কখন অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ তখন তিনি সবচেয়ে বেশি উর্বর থাকেন। এই বিষয়টি নির্ভর করে একেকজন নারীর ঋতুস্রাব সংক্রান্ত চক্রের ধরনের ওপর।

    মনটানা ব্রাউন

    মনটানা ব্রাউন সম্প্রতি জানিয়েছেন যে তিনি মা হতে চলেছেন

    তবে এই অ্যাপের ব্যাপারে অভিযোগও উঠেছে। কোনো কোনো নারী বলেছেন যে অ্যাপটি ব্যবহার করেও তারা গর্ভবতী হয়ে পড়েছেন।

    ন্যাচারাল সাইকেল অ্যাপের একজন মুখপাত্র বলেছেন: “সব ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যাপারে একটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ যে পদ্ধতিটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না। এর উপরেই কার্যকারিতা নির্ভর করে। গর্ভধারণ ঠেকাতে কোনো পদ্ধতিই শতভাগ সফল নয়, এমনকি সঠিক উপায়ে ব্যবহার করেও।”

    তবে তিনি বলেন, “এর কার্যকারিতা অন্য যেকোনো সচেতনতামূলক পদ্ধতির চেয়ে বেশি।”

    ব্রিটেনে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা এনএইচএস কনডম ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে থাকে। এনএইচএস বলে এই পদ্ধতি যে শুধু গর্ভধারণ প্রতিরোধ করে তা নয়, এটি ব্যবহার করলে যৌন-বাহিত রোগ থেকেও সুরক্ষা পাওয়া যায়।

    যুক্তরাজ্যে বিজ্ঞাপনের মানের ওপর নজর রাখে যে কর্তৃপক্ষ তারা ২০১৮ সালে ফেসবুকে ন্যাচারাল সাইকেল অ্যাপটির বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করেছিল। কারণ ওই বিজ্ঞাপনে দাবি করা হয়েছিল যে অ্যাপটি “অত্যন্ত নির্ভুল”। কর্তৃপক্ষ তখন বিজ্ঞাপনটিকে বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছিল।

    এ সত্ত্বেও ব্রিটেনের লাখ লাখ মানুষ এই অ্যাপটিকে ব্যবহার করে আসছে।

    একজন নারীর কখন গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি তা নির্ধারণের জন্য আরো কিছু অ্যাপ রয়েছে– ফ্লো এন্ড ক্লু। সারা বিশ্বে এই অ্যাপটিও লাখ লাখ মানুষ ব্যবহার করছে।

    জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য প্রযুক্তি-নির্ভর এসব পদ্ধতির জনপ্রিয়তা বাড়ার পেছনে কারণ কী?

    “সব পদ্ধতিরই ঝুঁকি আছে”

    এপ্রিল ইন্সকিপ প্রায় এক দশক ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণের প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণ করছেন।

    এর আগে তিনি হরমোনাল পিল ব্যবহার করতেন। এক পর্যায়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে এই পদ্ধতি তার জন্য উপযোগী নয়।

    “বয়স বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে আমি বুঝতে পারি যে শরীরের ওপর পিলের অনেক প্রভাব পড়ছে। আমি অলস হয়ে গিয়েছিলাম। মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকতো, ত্বক ফেটে যেতে লাগল। তখন আমি এই অবস্থার আর অবনতি হতে দিতে চাইনি,” বলেন তিনি।

    এপ্রিল সকালে তার শরীরের তাপমাত্রা মেপে সেটা মোবাইল ফোনের একটি অ্যাপে রেকর্ড করে রাখেন। প্রতিদিনের এই ভার্চুয়াল চার্ট দেখে তিনি জানতে পারেন কোন সময়ে তার গর্ভধারণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি এবং কখন সবচেয়ে কম থাকে।

    “কোনো একটি অ্যাপের করা বিশ্লেষণের চেয়েও আমি পুরো চার্টটি দেখতে চাই। আমার আত্মবিশ্বাস আছে যে আমি আমার শরীরকে ভালো বুঝতে পারি এবং এই পদ্ধতি ব্যবহার করার ব্যাপারেও আমি স্বস্তিবোধ করি,” বলেন তিনি।

    এপ্রিল

    এপ্রিল ১০ বছর ধরে শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণ করছেন।

    এপ্রিল বলেন এর মধ্যেও যদি তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন, তাহলে এই পদ্ধতিকে দোষ দেবেন না। “কারণ সবকিছুর মধ্যেই ঝুঁকি আছে,” বলেন তিনি।

    “আপনার যদি সন্দেহ থাকে, এবং আপনি এখন মা হতে না চান, তাহলে এই পদ্ধতির একটা ব্যাক-আপ রাখবেন। মনে রাখবেন কনডমও কিন্তু ১০০ ভাগ কার্যকরী নয়।”

    এনএইচএসের মতে জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ির কারণে একজনের মানসিক অবস্থা ওঠানামা করতে পারে, বমি বমি ভাব, স্তনে হালকা ব্যথা এবং মাথা ব্যথাও হতে পারে।

    তবে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া কিম্বা সার্ভিক্যাল ক্যান্সার হওয়ার মতো বড় ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি খুব কম।

    আরেকজন নারী হেলেন প্রাকৃতিক পদ্ধতি ব্যবহার করছেন তিন বছর ধরে। এর আগে তিনি হরমোনাল বড়ি খেতেন। ৩০ বছর বয়সে তিনি পিল খাওয়া বন্ধ করে দেন।

    তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে পিল খাওয়ার সময় তিনি দেখেছেন যে তার মনমেজাজের ওপর জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির প্রভাব পড়ছে।

    “তখনই আমি কোনো ধরনের পরিবর্তন হয় কি না তা দেখার জন্য হরমোনাল পদ্ধতি থেকে বের হয়ে আসার কথা চিন্তা করি। আমি খুব ভাল বোধ করতে থাকি। আমার মাসিক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে দুই বছরের বেশি লাগেনি,” বলেন তিনি।

    হেলেনের বয়স এখন ৩৩। অদূর ভবিষ্যতে তার মা হওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে তিনি মনে করেন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গেলে সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো মানসিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা দুটোই তার ছিল।

    তিনি বলেন, হরমোনাল বড়ি খাওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় তিনি খুশি। তিনি জানতেন না যে তার শরীরের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে এতো সময় লাগবে।

    এখন তার ফোনের একটি অ্যাপের সাহায্যে তিনি তার মাসিকের ওপর নজর রাখেন। তিনি বলেন, “এই অ্যাপের সাহায্যে আমার মাসিক ও শরীরের বিষয়ে অনেক কিছু জানতে পেরেছি।”

    “আমি বুঝতে পেরেছে শরীরে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে, কোনটা স্বাভাবিক এবং কোনটা অস্বাভাবিক।”

    “আমি শরীরের কথা শুনি”

    তেত্রিশ বছর বয়সী লরা যিনি ইতোমধ্যেই এক সন্তানের মা হয়েছেন, তিনি তার ১৭ থেকে ২৯ বছর বয়স পর্যন্ত হরমোনাল পিল ব্যবহার করেছেন। ২১ বছর বয়সে ছয় মাসের জন্য পিল খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সেসময় তার মাসিক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি।

    তিনি বলেন, “সেসময় আমার বয়স কম ছিল। বাচ্চা নেওয়ার ব্যাপারে আমি তখনও কিছু চিন্তা করিনি। আমার শরীরে পিলের কী ধরনের প্রভাব পড়ছে সেবিষয়েও আমি চিন্তা করিনি।”

    লরা বলছেন, তিনি আবার মা হওয়ার কথা ভাবছেন না। একারণে তিনি প্রাকৃতিক পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। এজন্য তিনিও ফোনে এসংক্রান্ত অ্যাপ ব্যবহার করেছেন, তবে তিনি প্রযুক্তির ওপরে সবকিছুর দায় ছেড়ে দেন নি।

    “আমি আমার শরীরের দিকে নজর রেখেছি। আমি শরীরের কথা শুনেছি। বোঝার চেষ্টা করেছি কখন কী হচ্ছে। আপনি যদি মাসিকের ব্যাপারে জানতে পারেন তাহলে বুঝতে পারবেন যে আপনি উর্বরতার কোন পর্যায়ে আছেন,” বলেন তিনি।

    লরা বলেন এই পদ্ধতি যদি ব্যর্থ হয় এবং তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন, তার কাছে এটা অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঘটনা হবে না।

    “দ্বিতীয় সন্তানের জন্য আমরা এখনও প্রস্তুত নই। কিন্তু সন্তান হচ্ছে আশীর্বাদ। যদি এরকম হয়েই যায়, আমরা খুশিই হবো যে আমি আবার মা হতে পারছি,” বলেন তিনি।

    হেলেন

    হেলেন বলছেন পিল খাওয়া ছেড়ে দেওয়ার পর তার মাসিক স্বাভাবিক হতে দুবছর সময় লেগেছে

    এনএইচএস বলছে, একজন নারী পিল খাওয়া বন্ধ করে দিলে তার মাসিক স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। ফিরে আসার পরেও সেটা অনিয়মিত হতে পারে।

    কারণ পিলের মধ্যে রয়েছে হরমোন যা প্রত্যেক মাসে ডিম্বাণুর জন্মকে ঠেকিয়ে দেয়।

    এনএইচএসের মতে পিরিয়ড স্বাভাবিক হতে তিন মাসের মতো সময় লাগতে পারে। “বড়ি খাওয়ার কারণে আপনি যে সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবেন তা নয়,” বলছে এনএইচএস।

    “পিল খাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার পরপরই আপনি গর্ভধারণ করতে পারবেন। সন্তান জন্ম দেওয়ার সক্ষমতার ব্যাপারে এটি কোনো সমস্যা তৈরি করে না। কিন্তু কিছু কিছু বিষয় সামনে চলে আসতে পারে যেসব সমস্যায় আপনি আগে থেকেই ভুগছিলেন, যেমন অনিয়মিত মাসিক।”

    সবার জন্য উপযোগী নয়

    এনএইচএসের মতে প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণকারী একজন নারীকে তার মাসিকের চক্রের সময় কী ধরনের লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা যায় সেগুলো বুঝতে হবে।

    এর মধ্যে রয়েছে এই চক্র কতদিন ধরে চলে সেটা দেখা, প্রতিদিনের তাপমাত্রা পরিমাপ করা এবং উর্বর সময়ে জরায়ুর মুখ থেকে পানির মতো যে পদার্থ বের হয়ে আসে তাতে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে সেসব বিষয়ের ওপর নজর রাখা।

    এনএইচএস বলছে, এই বিষয়গুলোকে যদি নিয়মিত ও সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়, তাহলে এই পদ্ধতি ৯৯ শতাংশ কার্যকরী হতে পারে।

    তবে এনএইচএসে যৌন স্বাস্থ্য বিষয়ক একজন চিকিৎসক এনাবেল সোয়েমিমো বলছেন, এই পদ্ধতি সবার জন্য উপযোগী নয়।

    “আপনার লাইফ-স্টাইল যদি স্থিতিশীল না হয়, যদি সবসময় আপনার হাতের কাছে ক্যালেন্ডার, থার্মোমিটার না থাকে, আপনার ঘুমের ধরন যদি অনিয়মিত হয়, তাহলে এই পদ্ধতির ওপর নির্ভরতা কমে যাবে,” বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, যেসব নারীর মাসিক নিয়মিত নয়, যাদের পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম আছে অথবা যেসব নারী মাত্রই সন্তান জন্ম দিয়েছেন, তাদেরকে এই পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করা হয় না।

    ড. সোয়েমিমো বলছেন প্রাকৃতিক এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে গিয়ে যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোর বিষয়েও তার কিছু উদ্বেগ রয়েছে।

    পিল

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন দীর্ঘ সময় ধরে পিল খেলে নারীর সন্তানধারনের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় এই ধারণার কোনো সত্যতা নেই

    “আমরা যেসব অ্যাপ দেখতে পাই, সেগুলো সাবস্ক্রাইব করতে হয়, ফলে জন্মনিয়ন্ত্রণের এসব পদ্ধতি থেকে তারা মুনাফা অর্জন করে,” বলেন তিনি। “এজন্য তারা এগুলো আসলে যা তারচেয়েও বেশি কার্যকরী হিসেবে দেখাতে চায়।”

    “তবে কিছু কিছু অগ্রগতি হয়েছে যার আসলেই সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেগুলোর নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা নিরীক্ষার আগেই বাজারে চলে আসছে। কারণ প্রস্তুতকারীদের দিক থেকে প্রচুর চাপ দেওয়া হচ্ছে বাজারে ছাড়ার জন্য।”

    ড. সোয়েমিমো বলছেন হরমোনাল পিল ব্যবহার না করার ব্যাপারে নারীদের প্রভাবিত করতে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে সোশাল মিডিয়া।

    “টিকটকের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সাথে সাথে লোকজনের মধ্যে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে যার কারণে তারা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে আরো বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে,” বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে হরমোনাল পদ্ধতি ব্যবহার করলে নারীর উর্বরতা নষ্ট হয়ে যায়- এই আশংকা অমূলক।

    “কিন্তু মানুষ ভয় পাচ্ছে, কারণ লোকজন এখন দেরিতে সন্তান নিচ্ছে।” সূত্র : বিবিসি বাংলা

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    প্রযুক্তি

    যেসব তথ্য এআই চ্যাটবটে কখনোই শেয়ার করবেন না

    এপ্রিল 27, 2026
    প্রযুক্তি

    স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল ট্রায়ালে অনুমোদন চাইলো বাংলালিংক ও স্পেসএক্স

    এপ্রিল 23, 2026
    প্রযুক্তি

    দেশে আসছে পেপ্যাল—কার্ড পাবে ২ লাখ ফ্রিল্যান্সার

    এপ্রিল 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.