Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice রবি, অক্টো. 4, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » তিন বছরের মধ্যে দেশে বন্ধ হতে পারে ২জি মোবাইল সেবা
    প্রযুক্তি

    তিন বছরের মধ্যে দেশে বন্ধ হতে পারে ২জি মোবাইল সেবা

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 3, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশে পুরোনো প্রজন্মের ২জি মোবাইল নেটওয়ার্ক ধীরে ধীরে বন্ধ করে দেওয়ার পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ২জি সেবা পুরোপুরি বন্ধ করার বিষয়ে সরকারের অনুমোদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি সপ্তাহে কমিশনের এক বৈঠকে এ বিষয়ে একটি সম্ভাব্য রোডম্যাপ তৈরির পাশাপাশি সরকারের কাছে অনুমোদন চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    দেশে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়ানো, ডিজিটাল অর্থনীতি সম্প্রসারণ এবং মোবাইলভিত্তিক ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়ানোর সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে ২জি বন্ধের উদ্যোগটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। একই সঙ্গে একক ডিজিটাল পরিচয় ও ডিজিটাল ওয়ালেটভিত্তিক ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে দ্রুতগতির মোবাইল নেটওয়ার্ক ও স্মার্টফোন ব্যবহারের বিস্তারকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    তবে ২জি বন্ধের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষের হাতে থাকা সাধারণ মোবাইল ফোন। দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়লেও একটি বড় জনগোষ্ঠী এখনো এমন ফোন ব্যবহার করে, যেগুলো মূলত ২জি এবং কিছু ক্ষেত্রে ৩জি প্রযুক্তিনির্ভর। ফলে শুধু নেটওয়ার্ক বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না, একই সঙ্গে এই বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারীকে নতুন প্রযুক্তিতে স্থানান্তরের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে দেশের মোট মোবাইল হ্যান্ডসেটের প্রায় ৩৫ শতাংশ ছিল ফিচার ফোন। এসব ফোনের অধিকাংশ ২জি এবং কিছু ৩জি সেবা সমর্থন করে। অন্যদিকে ৩জি, ৪জি ও ৫জি সুবিধাসম্পন্ন স্মার্টফোনের অংশ ছিল প্রায় ৬৫ শতাংশ।

    আরেকটি হিসাবে দেখা যাচ্ছে, দেশে প্রায় ১৯ কোটি মোবাইল সংযোগের মধ্যে ৬ কোটি ৫০ লাখের বেশি সংযোগ এখনো ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের। ফলে ২জি বন্ধ হলে বিপুলসংখ্যক মানুষকে স্মার্টফোন অথবা অন্তত ৪জি-সমর্থিত যন্ত্রে স্থানান্তর করতে হবে।

    এই বাস্তবতার কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি শুধু ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধের সময়সীমা নির্ধারণেই থেমে থাকতে চাইছে না। ফিচার ফোন তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানির অনুমতি কতদিন পর্যন্ত রাখা হবে, সেটিও সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাজারকে ধীরে ধীরে নতুন প্রযুক্তির দিকে নিয়ে যাওয়ার একটি পরিকল্পনা তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

    সম্প্রতি মোবাইল অপারেটর ও মোবাইল ফোন নির্মাতাদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সেখানে ২০২৮ সালের মধ্যে ২জি সেবা বন্ধ করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে মতামত নেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তিগতভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এ পরিবর্তন সম্ভব বলে মত দিলেও বাস্তবে এর সঙ্গে বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে বলে জানান।

    এর অন্যতম কারণ মোবাইল ফোনের স্বাভাবিক ব্যবহারকাল। একজন গ্রাহক একটি ফোন কেনার পর সেটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করতে চান এবং সাধারণত বিদ্যমান যন্ত্র থেকে সর্বোচ্চ মূল্য পাওয়ার প্রত্যাশা করেন। ফলে একটি প্রযুক্তি হঠাৎ বন্ধ করে দিলে গ্রাহকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে।

    এ কারণেই সংশ্লিষ্টদের বড় অংশ ২০২৮ সালের পরিবর্তে ২০২৯ সালের ডিসেম্বরকে ২জি সেবা বন্ধের জন্য বেশি বাস্তবসম্মত সময় হিসেবে বিবেচনা করেছে। ফলে এখন ২০২৯ সালের শেষ নাগাদ ২জি নেটওয়ার্ক থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনাই সামনে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    তবে শুধু গ্রাহকের হাতে থাকা পুরোনো ফোন পরিবর্তন করাই চ্যালেঞ্জ নয়। স্মার্টফোনের দামও বড় একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাজারে বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্মার্টফোন তৈরির খরচও বাড়ছে। বিশেষ করে স্মার্টফোনের স্মৃতি সংরক্ষণ ও তথ্য ধারণের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদানের দাম বৃদ্ধির কারণে কম দামের ফোন তৈরি করা কঠিন হয়ে উঠছে।

    শাওমি টেকনোলজিস বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরীর মতে, বর্তমানে সবচেয়ে বড় চাপ তৈরি করছে বৈশ্বিকভাবে বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে যাওয়া। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণের কারণে স্মৃতি চিপের চাহিদা বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে স্মার্টফোনের উৎপাদন ব্যয়ের ওপর। বিশেষ করে প্রাথমিক ও কম দামের স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে এই ব্যয় বৃদ্ধি গ্রাহকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    প্রযুক্তি গবেষণা ও পরামর্শ প্রতিষ্ঠান গার্টনারের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ডিআরএএম ও এসএসডির সম্মিলিত দাম ১৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর প্রভাব স্মার্টফোনের দামেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির অনুমান, এসব উপাদানের মূল্যবৃদ্ধির কারণে স্মার্টফোনের দাম প্রায় ১৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

    বাংলাদেশের স্থানীয় মোবাইল ফোন নির্মাতাদের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি সহজ নয়। দেশের উৎপাদনকারীরা স্মার্টফোন তৈরির জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করেন। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে উপাদানের দাম বাড়লে স্থানীয় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যায়। একই সময়ে দেশে স্মার্টফোন উৎপাদনের পরিমাণও কমছে।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত দেশে স্মার্টফোন উৎপাদন আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ শতাংশ কমে ৫৩ লাখ ৭৬ হাজার ইউনিটে নেমেছে। এদিকে বাজারে বিক্রি হওয়া ফোনের ৬০ শতাংশের বেশি অনানুষ্ঠানিক বা ধূসর বাজারের মাধ্যমে আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    কম দামের স্মার্টফোন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে সরকারও কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি এবং টেলিযোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত স্মার্টফোন ৪ হাজার টাকার কম দামে বাজারে আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। তবে যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে যাওয়ায় পরে সেই লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করে ৫ হাজার টাকা করা হয়।

    স্থানীয়ভাবে কম দামের স্মার্টফোন উৎপাদন উৎসাহিত করতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটেও কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে। দেশে মোবাইল ফোন তৈরিতে ব্যবহৃত ২২ ধরনের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে অগ্রিম আয়কর কমিয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক সুবিধা এবং শর্তসাপেক্ষ মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতির মেয়াদ ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    ২জি বন্ধের পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত ইকবাল আহমেদ বলেন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকা প্রয়োজন। তাঁর মতে, সময়সীমা নির্ধারণ না করলে পরিকল্পিতভাবে পরিবর্তন এগিয়ে নেওয়া কঠিন হবে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে পরবর্তীতে সেই সময়সীমা পরিবর্তনের সুযোগও রাখা যেতে পারে।

    ইতোমধ্যে মোবাইল অপারেটরগুলো নতুন করে ২জি অবকাঠামো সম্প্রসারণের পরিবর্তে ৪জি নেটওয়ার্ক বাড়ানোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো স্মার্টফোনের দাম কমানোর বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েও কাজ করছে।

    ইকবাল আহমেদ জানান, সাধারণ মানুষ যাতে স্মার্টফোনে যেতে পারে, সে জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সহায়তাসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ ২জি থেকে ৪জি বা আরও উন্নত প্রযুক্তিতে যাওয়াকে শুধু প্রযুক্তিগত পরিবর্তন হিসেবে নয়, একটি বৃহত্তর রূপান্তর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    দেশের বড় মোবাইল ফোন নির্মাতাদের মধ্যেও ইতোমধ্যে পরিবর্তন শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের শীর্ষ ১৭টি মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে ২জি হ্যান্ডসেট উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। তারা এখন কেবল ৪জি প্রযুক্তিসম্পন্ন ফোন উৎপাদন করছে।

    বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানের মতে, বিশ্বব্যাপী টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় পুরোনো প্রযুক্তির সরঞ্জাম উৎপাদনের খরচও বাড়ছে। ২জি প্রযুক্তির সরঞ্জামের বাজার ছোট হয়ে আসায় উৎপাদনের পরিমাণ কমছে এবং এর ফলে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির দাম বাড়ছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চীনা, পশ্চিমা কিংবা নকিয়ার মতো যেকোনো উৎসের হোক না কেন, পুরোনো প্রযুক্তির সরঞ্জাম উৎপাদনের ব্যয় বাড়ছে। তবে আগামী দুই থেকে তিন বছরে বাজার ও প্রযুক্তি ব্যবস্থার আরও পরিপক্বতার সঙ্গে খরচ কমে আসতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

    বর্তমানে দেশে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সবচেয়ে কম দামের স্মার্টফোনের মূল্য ৯ হাজার ৫০০ টাকার বেশি। বিপরীতে স্থানীয়ভাবে তৈরি সবচেয়ে কম দামের ফিচার ফোন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৯৫০ টাকায়। ফলে একজন নিম্নআয়ের গ্রাহকের কাছে ২জি ফোনের পরিবর্তে স্মার্টফোন কেনা এখনো বড় ধরনের আর্থিক সিদ্ধান্ত।

    টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ আবু নাজাম এম তানভীর হোসেনের মতে, ২০২৯ সালের মধ্যে ২জি বন্ধের লক্ষ্য বাস্তবসম্মত হতে পারে। তবে শুধু একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করলেই হবে না; গ্রাহক ও বাজার কতটা প্রস্তুত, সেটিই হওয়া উচিত মূল বিবেচনা।

    বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৯৯ শতাংশ জনগোষ্ঠীর কাছে ৪জি নেটওয়ার্ক পৌঁছে গেছে। কিন্তু মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন মাত্র ৪৬ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ নেটওয়ার্কের আওতা ও বাস্তবে ব্যবহারের মধ্যে এখনও বড় ব্যবধান রয়েছে। এই ব্যবধান কমানো ছাড়া কেবল ২জি বন্ধ করলে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হবে না।

    এ কারণে ২জি বন্ধের আগে কম দামের ৪জি ও ভয়েস ওভার এলটিই সুবিধাসম্পন্ন ফোন সহজলভ্য করা, সারা দেশে নির্ভরযোগ্য ভয়েস সেবা নিশ্চিত করা এবং গ্রাহকদের নতুন প্রযুক্তিতে যাওয়ার জন্য প্রণোদনা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

    বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত এখন এমন একটি পরিবর্তনের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে পুরোনো প্রযুক্তি থেকে দ্রুতগতির মোবাইল নেটওয়ার্কে স্থানান্তর অনিবার্য হয়ে উঠছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের সফলতা নির্ভর করবে শুধু নেটওয়ার্ক বন্ধের সময়সীমার ওপর নয়; বরং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা, সাশ্রয়ী স্মার্টফোনের প্রাপ্যতা, নেটওয়ার্কের মান এবং গ্রাহকদের প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির ওপর।

    তাই ২০২৯ সালের ডিসেম্বরকে সম্ভাব্য শেষ সময় হিসেবে সামনে রেখে এখন থেকেই ধাপে ধাপে প্রস্তুতি নেওয়া হলে ২জি-পরবর্তী টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে। অন্যদিকে গ্রাহকের সামর্থ্য ও প্রস্তুতিকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দিয়ে দ্রুত পুরোনো নেটওয়ার্ক বন্ধ করা হলে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন ধরনের ব্যবহারগত ও আর্থিক চাপও তৈরি হতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    প্রযুক্তি

    বিটিআরসির পরীক্ষায় রবির নেটওয়ার্কে নানা অসংগতি

    অক্টোবর 3, 2026
    মতামত

    উত্তর দেবে এআই, খবর জোগাবে কে?

    সেপ্টেম্বর 30, 2026
    আন্তর্জাতিক

    এআই নিরাপত্তা জোরদারে ট্রাম্প ও প্রযুক্তি নির্বাহীদের স্বেচ্ছামূলক চুক্তি

    সেপ্টেম্বর 30, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.