‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ (Artificial Intelligence বা AI) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা- যা মানুষের বুদ্ধিমত্তা, শেখার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমস্যা সমাধানের মতো গুণাবলিকে কম্পিউটার বা মেশিনের মাধ্যমে অনুকরণ করার চেষ্টা করে। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কম্পিউটার প্রোগ্রাম এবং অ্যালগরিদম তৈরি করা হয়, যা তথ্য বিশ্লেষণ, ধারণা তৈরি এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ সম্পাদনে সক্ষম।
বিদায়ী ২০২৪ সালের পুরোটা জুড়েই তাণ্ডব চালিয়েছে এআই। কী হচ্ছে? কী হবে? কী নিয়ে সংশয়?- সবই সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভাবিয়েছে। উত্তেজনা-উন্মাদনায় যেন দিশেহারা প্রযুক্তি দুনিয়ার কর্মীরা।
বিশ্বের ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা চ্যাটজিপিটির সুরক্ষা ত্রুটিকে দফায় দফায় প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যেমন: টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন না থাকা বা সবশেষ লগইন তথ্য দৃশ্যমান না হওয়ার অসুবিধা। ফলে প্রযুক্তিবিদরা চূড়ান্ত সুফল ও এর যথাযথ ব্যবহার নিয়ে এখনও দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।
যারা চ্যাটজিপিটি প্লাস সাবস্ক্রিপশন নিয়েছে, শুধু তারাই উল্লিখিত ফিচারের সুবিধা নিতে পারবে। ফিচারটি দিয়ে প্রতিদিনের নানা ধরনের জটিল কাজ সহজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মাধ্যমে সম্পাদনা করা যাবে। জিপিটি মেনশন্স আসার ফলে চ্যাটজিপিটি গ্রাহকসংখ্যাও বেড়েছে দ্বিগুণ-তিন গুণ হারে। ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনায় চ্যাটজিপিটি উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। উল্লিখিত বিষয়ে কী ধরনের নির্ভরযোগ্য আর সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেয় ওপেনএআই, নতুন বছরে তা-ই দেখার অপেক্ষায় সংশ্লিষ্টরা।
দেখা যাচ্ছে- দিন দিন চ্যাটজিপিটিতে নিত্যনতুন ফিচার যুক্ত হচ্ছে, যা নিবন্ধিত ব্যক্তির কাজ আরও সহজ করে দিয়েছে। তেমনই আলোচিত ফিচার হলো জিপিটি মেনশন্স। যার মাধ্যমে নিবন্ধিত ব্যক্তিরা নিজস্ব কাস্টম জিপিটি তৈরি করার সুবিধা পাবেন। অর্থাৎ নিজের জন্য বট তৈরি করা সহজ করেছে চ্যাটজিপিটি। তবে ফিচারটি সবার জন্য বরাদ্দ নয়।

