শীতকাল শেষ হলেও বাজারে গাজরের সরবরাহ রয়েছে। মাঠ থেকে তোলা গাজর দ্রুত পরিষ্কার করে বস্তাবন্দী করে পাঠানো হচ্ছে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে। বর্তমানে প্রতি মণ গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়।
গাজর পরিষ্কারে আগে সনাতন পদ্ধতিতে প্রচুর সময় ও শ্রম লাগত। তবে এখন স্থানীয়ভাবে তৈরি ড্রাম প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজেই গাজর ধোয়া সম্ভব হচ্ছে। লোহার ফ্রেমের ওপর বাঁশের তৈরি এই ড্রামের ভেতর গাজর রেখে ঘোরানো হয়, আর তাতে ময়লা ও মাটি সহজেই ঝরে যায়। এতে সময় বাঁচার পাশাপাশি উৎপাদনশীলতাও বেড়েছে।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মিরকামারী এলাকায় কৃষকেরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন- যা শ্রম খরচ কমিয়ে দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, একসঙ্গে ৫০-৭০ কেজি গাজর মাত্র কয়েক মিনিটেই পরিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছে এই যন্ত্রে, যেখানে আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাগত। ফলে কৃষকেরা এখন কম সময়ে বেশি গাজর বাজারজাত করতে পারছেন, যা লাভজনকও হয়ে উঠেছে।

