সম্প্রতি চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটির গবেষকরা প্রকাশ করেছেন, পৃথিবীর কেন্দ্র বর্তমানে তার ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন করে পৃষ্ঠের ঘূর্ণনের বিপরীত দিকে ঘুরছে। এই তথ্য ‘নেচার জিওসায়েন্স’ সাময়িকীতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে পৃথিবীর কেন্দ্র হঠাৎ ঘূর্ণন বন্ধ করেছিল এবং এরপর উল্টো দিকে ঘুরতে শুরু করেছে। বিজ্ঞানীরা উল্লেখ করছেন, এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হতে পারে, কারণ প্রতি ৩৫ থেকে ৭০ বছর অন্তর পৃথিবীর কেন্দ্র তার ঘূর্ণনের দিক পরিবর্তন করে। এর আগে ১৯৭০ সালের দিকে এ ধরনের পরিবর্তন ঘটেছিল। তারা অনুমান করছেন, ২০৪০ সালের মাঝামাঝি সময়ে কেন্দ্র আবার তার দিক পরিবর্তন করতে পারে।
গবেষকরা ১৯৯৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত রেকর্ড করা ভূমিকম্পের ডেটা বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তারা মনে করছেন, কেন্দ্রের এই ঘূর্ণন পরিবর্তন সম্ভবত দিনের দৈর্ঘ্যের সামান্য পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
যদিও এই খবর জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, বিজ্ঞানীরা আশ্বস্ত করেছেন যে এর ফলে পৃথিবীর উপরিভাগে কোনো বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না। প্রাণিকুলের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই এবং পৃথিবীর পৃষ্ঠে বসবাসকারী মানুষ এই ঘূর্ণনের প্রভাব টের পাবেন না।

