Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, সেপ্টে. 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » কম দামে পোশাক রপ্তানি করছে বাংলাদেশ, বাড়ছে প্রতিযোগিতার চাপ
    অর্থনীতি

    কম দামে পোশাক রপ্তানি করছে বাংলাদেশ, বাড়ছে প্রতিযোগিতার চাপ

    নিউজ ডেস্কUpdated:সেপ্টেম্বর 21, 2026সেপ্টেম্বর 21, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত দীর্ঘদিন ধরে দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ইউনিট পোশাকের দাম পাওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের গড় রপ্তানি মূল্য বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় কম, আর ২০২৬ সালেও এই প্রবণতার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।

    সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ প্রতি বর্গমিটার সমতুল্য পোশাকের জন্য গড়ে ৩ দশমিক ০৫ ডলার পেয়েছে। একই সময়ে বিশ্বজুড়ে আমদানি করা পোশাকের গড় মূল্য ছিল ৩ দশমিক ১৭ ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশের পোশাক গড়ে প্রায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কম দামে বিক্রি হয়েছে।

    তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে এই ব্যবধান আরও বড়। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে বিশ্বব্যাপী আমদানি করা পোশাকের গড় মূল্য ছিল প্রতি কেজি ১৯ দশমিক ৮৪ ইউরো। সেখানে বাংলাদেশের পোশাকের গড় মূল্য ছিল মাত্র ১৩ দশমিক ৮০ ইউরো। অর্থাৎ প্রায় ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ কম দামে বাংলাদেশের পণ্য বাজারে প্রবেশ করেছে।

    অন্যদিকে, ইউরোপীয় বাজারে ভিয়েতনাম প্রতি কেজি পোশাকের জন্য ৩০ ইউরোর বেশি মূল্য পেয়েছে, যা বাংলাদেশের পাওয়া মূল্যের দ্বিগুণেরও বেশি।

    বছরের পর বছর কমছে পোশাকের গড় মূল্য

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের ইউনিট মূল্য কমে যাওয়ার বিষয়টি সাম্প্রতিক কোনো ঘটনা নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের গড় রপ্তানি মূল্য ২০২৩ সালে ছিল প্রতি কেজি ১৫ দশমিক ৬০ ইউরো। এরপর ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় ১৪ দশমিক ৮৭ ইউরো, ২০২৫ সালে ১৪ দশমিক ২৬ ইউরো এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত তা নেমে এসেছে ১৩ দশমিক ৮০ ইউরোতে।

    যুক্তরাষ্ট্রের বাজারেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। ২০২৩ সালে প্রতি বর্গমিটার সমতুল্য পোশাকের গড় মূল্য ছিল ৩ দশমিক ২২ ডলার। ২০২৪ সালে তা কমে ৩ দশমিক ১০ ডলার, ২০২৫ সালে ৩ দশমিক ০৮ ডলার এবং ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে ৩ দশমিক ০৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

    এছাড়া ইউরোপীয় বাজারে পোশাকের দামের ওঠানামাও বেড়েছে। ২০২৫ সালের মার্চে প্রতি কেজি পোশাকের মূল্য সর্বোচ্চ ১৬ দশমিক ১৭ ইউরো থাকলেও একই বছরের নভেম্বরে তা নেমে আসে ১২ দশমিক ৮৯ ইউরোতে। অর্থাৎ এক বছরের মধ্যেই দামের ব্যবধান তৈরি হয় ৩ দশমিক ২৮ ইউরো।

    মূল সমস্যা পণ্যের বৈচিত্র্যের অভাব

    রপ্তানিকারকদের মতে, বাংলাদেশের পোশাক খাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো এখনো বড় অংশের রপ্তানি সাধারণ বা মৌলিক ধরনের পোশাকের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্ববাজারে যেখানে উচ্চমূল্যের ও প্রযুক্তিনির্ভর পোশাকের চাহিদা বাড়ছে, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি ঝুড়িতে এখনো সাধারণ টি-শার্ট, পোলো শার্ট, ট্রাউজার, সোয়েটার ও সাধারণ নিট পোশাকের আধিপত্য রয়েছে।

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই আসে মৌলিক ধরনের পণ্য থেকে।

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে আয় করেছে ৩৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।

    তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বের মোট পোশাক চাহিদার ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ ছিল তুলাবহির্ভূত পণ্য, যেমন কৃত্রিম সুতা ও বিশেষ ধরনের মিশ্র কাপড়ের পোশাক। অথচ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৭২ দশমিক ৭ শতাংশ এখনো তুলাভিত্তিক পণ্যের ওপর নির্ভরশীল।

    এই বৈষম্যের কারণে বাংলাদেশ উচ্চমূল্যের বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    কাঁচামালের দাম ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে

    পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের খরচ বেড়ে যাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বাড়ার কারণে কারখানাগুলোর লাভের পরিমাণ কমছে।

    বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, পণ্যের ধরন এবং বৈশ্বিক কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির কারণে পোশাকের ইউনিট মূল্য কমছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে দাম নিয়ে শক্ত অবস্থান নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

    তিনি মনে করেন, পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে কার্যকর নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।

    বাংলাদেশ নিট পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসানও জানিয়েছেন, সাধারণ পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং কাঁচামালের উচ্চমূল্য রপ্তানিকারকদের প্রকৃত মূল্য বাড়ানোর সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছে।

    তার মতে, স্থানীয় কারখানাগুলোর মধ্যেও কম দামে অর্ডার নেওয়ার প্রতিযোগিতা রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান টিকে থাকার জন্য এমন দামে কাজ নিচ্ছে, যেখানে লাভ তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচ ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়ে।

    তিনি আরও বলেন, ক্রেতাদেরও দায়িত্ব রয়েছে। বাংলাদেশের অনেক কারখানা পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বড় বিনিয়োগ করেছে, কিন্তু সেই অনুযায়ী পণ্যের দাম বাড়েনি।

    এলডিসি উত্তরণের পর বাড়বে চাপ

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। কারণ দেশটি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    এই উত্তরণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের অস্ত্র ছাড়া সবকিছু সুবিধাসহ বিভিন্ন শুল্কমুক্ত সুবিধা ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে। এর ফলে বড় বাজারগুলোতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে ৮ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে বলে শিল্প সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    বর্তমানের মতো কম ইউনিট মূল্যে পণ্য রপ্তানি অব্যাহত থাকলে এই অতিরিক্ত ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

    ভিয়েতনামের মতো বৈচিত্র্য ও সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ

    সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের এখন প্রয়োজন শুধু বেশি পোশাক উৎপাদন নয়, বরং বেশি মূল্য পাওয়া যায় এমন পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি করা।

    সাবেক বিজিএমইএ পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে কিছু নির্দিষ্ট সাধারণ পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল। তুলাভিত্তিক পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হলেও সেখানে আরও বড় প্রবৃদ্ধির সুযোগ সীমিত।

    তার মতে, দেশের তৈরি পোশাক খাতকে কারিগরি পোশাক, চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত কাপড়, ক্রীড়াপোশাক এবং নতুন ধরনের পণ্যের দিকে এগোতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, ভিয়েতনামের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ বন্দর সুবিধা, জ্বালানি সরবরাহ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ সহজ করার বিষয়ে শিক্ষা নিতে পারে।

    এ ছাড়া নিজস্ব নকশা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে শুধু ক্রেতাদের দেওয়া নকশা অনুসরণ না করে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের নতুন পণ্য তৈরি করতে পারবে।

    ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজন উচ্চমূল্যের পোশাক

    নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান তার সাম্প্রতিক এক লেখায় উল্লেখ করেছেন, প্রতিযোগী দেশগুলোর শক্তি হলো তাদের বৈচিত্র্যময় পণ্যের তালিকা। তারা উচ্চ ও মাঝারি মূল্যের বিভিন্ন ধরনের পোশাক বাজারে সরবরাহ করছে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ এখনো সীমিত কয়েকটি পণ্যের ওপর বেশি নির্ভরশীল। মোট রপ্তানির বড় অংশ কয়েকটি নির্দিষ্ট পণ্যের মধ্যে আটকে থাকায় বাজার পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ কমে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, নিম্নমূল্যের তুলাভিত্তিক পোশাক থেকে বেরিয়ে কৃত্রিম তন্তু, প্রযুক্তিনির্ভর কাপড় এবং বিশেষায়িত পোশাক উৎপাদনে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।

    বাংলাদেশের আরেকটি বড় দুর্বলতা হলো কৃত্রিম তন্তু ও বিশেষায়িত কাপড় উৎপাদনে পিছিয়ে থাকা। ফলে এখনো বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়।

    বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে সমন্বিত বস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    সব মিলিয়ে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সময় পার করছে। শুধু রপ্তানির পরিমাণ বাড়ানো নয়, আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি মূল্য পাওয়া, পণ্যের বৈচিত্র্য তৈরি এবং নতুন প্রযুক্তি গ্রহণই আগামী দিনের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি হয়ে উঠছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    পোশাক কারখানায় তাপ নিয়ন্ত্রণে বিনিয়োগ, চার বছরেই উঠে আসবে খরচ

    সেপ্টেম্বর 21, 2026
    মতামত

    হরমুজ শাটলগুলো তেলের প্রবাহ সচল রাখে, কিন্তু দিতে হয় চড়া মূল্য

    সেপ্টেম্বর 21, 2026
    অর্থনীতি

    দুদকের নিম্নগ্রেডের কর্মচারীদের ঝুঁকি ভাতা বাড়ল, কার্যকর ২০২৮ থেকে

    সেপ্টেম্বর 21, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    হরমুজ শাটলগুলো তেলের প্রবাহ সচল রাখে, কিন্তু দিতে হয় চড়া মূল্য

    মতামত সেপ্টেম্বর 21, 2026

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.