Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুন 13, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গায়েবী সংস্কার দেখিয়ে খরচ সাড়ে ৭ কোটি টাকা!
    বাংলাদেশ

    গায়েবী সংস্কার দেখিয়ে খরচ সাড়ে ৭ কোটি টাকা!

    নিউজ ডেস্কজুন 13, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    রাহাদ সুমন,বরিশাল প্রতিবেদক-

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুড়িয়ে দেওয়া হয় বরিশাল সদর রোডের অ্যানেক্স ভবনে অবস্থিত বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) গুরুত্বপূর্ণ একটি দপ্তর।

    সিটি করপোরেশনের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে এই ভবনসহ আরও কয়েকটি ভবন সংস্কারে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। অথচ এখনও অ্যানেক্স ভবনটি বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে আছে। কীভাবে এই খরচ দেখানো হয়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিসিসির নানা দপ্তরের কর্মকর্তারা অন্য দপ্তরের কর্মকর্তাদের ওপর দায় চাপিয়েছেন।

    বিসিসি প্রকৌশল শাখা সূত্র নিশ্চিত করেছে, গত দুই বছরে অ্যানেক্স ভবন, নগর ভবন বা বিসিসির মালিকানাধীন কোনো ভবনই সংস্কার অথবা রঙের কাজ করা হয়নি। ভবন সংস্কারে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা কোথায় খরচ হয়েছে–এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিপুল এই খরচ দেখানোর সময় বিসিসি প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার মো. রায়হান কাওছার।

    বিসিসির হিসাব শাখা সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই খরচ দেখানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যানেক্স ভবন ও অন্যান্য ভবন মেরামত এবং সংস্কারে সাড়ে ৭ কোটি ৪২ লাখ ৬ হাজার ৯৩ টাকা খরচ হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিসিসির মালিকানাধীন নগর ভবন, আমানতগঞ্জের যান্ত্রিক শাখা ও পানি শাখা এবং নগরের বিভিন্ন এলাকায় পাঁচটি উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটিতেও এই সময়ের মধ্যে কোনো ধরনের সংস্কারকাজ হয়নি।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, অ্যানেক্স ভবনে তৎকালীন মেয়র (২০১৮-২৩) সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর দপ্তর ছিল। সেখানে হিসাব শাখা, পরিকল্পনা অনুমোদন শাখা, পরিচ্ছন্ন শাখা ও স্বাস্থ্য শাখা ছাড়াও পঞ্চম তলায় একটি রেস্ট হাউস ছিল। নিচতলায় ছিল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়, বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্র ও একটি জামে মসজিদ। ২০২৩ সালে নির্বাচিত সর্বশেষ মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ মেয়রের দপ্তর, হিসাব ও পরিকল্পনা শাখা নগর ভবনে নিয়ে যান। অন্যান্য দপ্তর অ্যানেক্স ভবনেই রাখা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেলে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ভবনটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। রাত ৯টা পর্যন্ত সেখানে আগুন জ্বলে। ফলে নিচতলা থেকে পঞ্চমতলা পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

    পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার মেয়রকে অপসারণ করে তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার শওকত আলীকে প্রশাসকের দায়িত্ব দেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরবর্তী বিভাগীয় কমিশনার ও সিটির প্রশাসক রায়হান কাওছারের সময় বরাদ্দ আসে। কাগজপত্রে তিনি সেই বরাদ্দ পুরোটাই ভবন সংস্কার ও মেরামত ব্যয় দেখিয়েছেন। বাস্তবে অ্যানেক্স ভবনটি আগের মতোই পড়ে আছে। অন্যদিকে বিসিসির প্রাণকেন্দ্র নগর ভবনেও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি। প্রায়ই এ ভবনের বিভিন্ন কক্ষের পলেস্তারা খসে পড়ছে।

    অ্যানেক্স ভবনের পূর্বপাশের ফুটপাতে দীর্ঘদিন ধরে চা বিক্রি করেন নগরী সংলগ্ন চরবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. পলাশ। তিনি জানান, আগুন দেওয়ার অনেকদিন পর সিটি করপোরেশনের শ্রমিকেরা পোড়া মালপত্র সরিয়ে নিয়ে যান। এর পর থেকেই ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। তিনি কিছু মেরামত করতে দেখেননি।

    বিসিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার বলেন, অ্যানেক্স ভবনটি পুনরায় ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে ‘ডিজাইন ভেল্যু আর্কিটেক্ট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, রিট্রোফাইটিং করে ভবনটি পুনরায় ব্যবহার করা যাবে। এতে খরচ হবে অন্তত সাড়ে ৬ কোটি টাকা। এরপরে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই।

    হিসাবরক্ষক কাম বাজেট কর্মকর্তা মো. মইনুদ্দিন বলেন, ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ৯ মাসের খরচে ভবন সংস্কার বাবদ প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। প্রকৌশল শাখার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আমরা বাজেটে সেটি উল্লেখ করেছি। কোথায় খরচ হয়েছে সেটি প্রকৌশল শাখা জানে।’

    হিসাব শাখা সূত্র জানায়, থোক বরাদ্দ পাওয়ার আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাজেটে বিসিসির নিজস্ব অর্থায়নে অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন ব্যয় হিসেবে নগর ভবন, অ্যানেক্স ভবন ও অন্যান্য ভবন মেরামত ও সংস্কারে ২০ লাখ টাকা রাখা হয়েছিল। প্রথম ৯ মাসে সংস্কার খাতে খরচ দেখানো হয়েছে ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭ টাকা। ২০২৫ সালের জুন মাসে পুরো ২০ লাখ টাকাই সংস্কার বাবদ খরচ দেখানো হয়।

    প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবিরের দাবি, ভবন সংস্কার কিছু কিছু হয়েছে। আবার এমনও হতে পারে, কাগজে ভবন সংস্কার দেখানো হলেও সেই টাকা অন্য কোনো উন্নয়ন খাতে খরচ হয়েছে। বিষয়টি হিসাব বিভাগই ভালো বলতে পারবে।
    এসব ব্যয় দেখানোর সময় একই পদে ছিলেন বিসিসির প্রধান নিবাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী। তিনি বলেন, বুয়েট রিপোর্ট অনুযায়ী অ্যানেক্স ভবন ব্যবহার উপযোগী নয়। সেটি পরিত্যক্ত ঘোষণার প্রক্রিয়া চলছে। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ভবন সংস্কার বাবদ সাড়ে ৭ কোটি টাকা খরচ প্রসঙ্গে তার দাবি, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    পুঁজিবাজার হারাল অভিজ্ঞ পথপ্রদর্শক এইমস বাংলাদেশের এমডি ইয়াওয়ার সাঈদকে

    জুন 13, 2026
    বাংলাদেশ

    আর্থিক খাতে রাজনৈতিক নিয়োগ নয়, পেশাদারদের যুগের বার্তা

    জুন 13, 2026
    বাংলাদেশ

    অধস্তন আদালত মনিটরিং কমিটির বিচারপতিদের সঙ্গে প্রধান বিচারপতির বৈঠক ১৪ জুন

    জুন 13, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ডিজিটাল ঋণ সুবিধা, জামানত ছাড়াই মিলবে টাকা

    ব্যাংক জানুয়ারি 10, 2026

    যমুনা ব্যাংকের চেয়ারম্যান হলেন বেলাল হোসেন

    ব্যাংক অক্টোবর 30, 2025

    এক দিনেই ৩–৪ লাখ টাকা ঋণ পাবেন উদ্যোক্তারা

    ব্যাংক ডিসেম্বর 17, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.