কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৫ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এতে আরও বেশ কয়েকজন চাপা পড়েছেন বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
উখিয়া ফায়ার সাভির্সের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন। পাহাড় ধসে আনুমানিক ২০ শিক্ষার্থী চাপা পড়ে আছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৩ জনকে জীবিত ও পাঁচ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও ২০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। মাটির স্তূপ সরানোর কাজ চলছে। টানা ভারী বর্ষণের কারণে লার্নিং সেন্টারের লাগোয়া পাহাড়ের মাটি দুর্বল হয়ে ধসে পড়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী রোহিঙ্গারা জানান, দুর্ঘটনার সময় ওই মাদ্রাসায় ৪০ জনের বেশি ছাত্রী কোরআন শিক্ষা নিচ্ছিল। পাহাড়ধস শুরু হলে কয়েকজন ছাত্রী দৌড়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়। তবে অধিকাংশ কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১০ জন নিরাপদে বেরিয়ে আসার তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে গত রবিবার গভীর রাতে উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৮ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়। অপরদিকে কক্সবাজার সদর ও পেকুয়ায় পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

