Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice সোম, সেপ্টে. 7, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » গুদামেই মেয়াদ ফুরাল আইসিইউ যন্ত্রের, ৬ বছরেও চালু হয়নি সেবা
    বাংলাদেশ

    গুদামেই মেয়াদ ফুরাল আইসিইউ যন্ত্রের, ৬ বছরেও চালু হয়নি সেবা

    নিউজ ডেস্কUpdated:সেপ্টেম্বর 7, 2026সেপ্টেম্বর 7, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বান্দরবান জেলা সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি মজুত কক্ষ। সেখানে সারি সারি করে রাখা আছে ভেন্টিলেটর, হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা, আইসিইউ শয্যাসহ নানা চিকিৎসা সরঞ্জাম। প্রায় ছয় বছর আগে এসব যন্ত্রপাতি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ চালুর উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। কিন্তু এত বছর পেরিয়ে গেলেও সেই সেবা এখনো আলোর মুখ দেখেনি, উল্টো ব্যবহারের অপেক্ষায় থাকতে থাকতে যন্ত্রগুলোর কার্যকারিতার মেয়াদই শেষ হয়ে গেছে এক বছর আগে।

    ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের প্রকোপ যখন তুঙ্গে, তখন গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তিন শয্যার একটি আইসিইউ গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই নির্দেশনা মেনেই হাসপাতালে পাঠানো হয় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। কিন্তু উপযুক্ত অবকাঠামো ও দক্ষ জনবলের অভাবে সেই আইসিইউ কখনোই চালু করা যায়নি।

    তবে করোনাকালীন আইসোলেশন ওয়ার্ডে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য কিছু হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা ও ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হয়েছিল বটে। মহামারি স্তিমিত হয়ে আসার পর এসব যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয় মজুত কক্ষে, আর সেখানেই আজও পড়ে আছে সেগুলো, ২০২১ ও ২০২২ সালে দুই দফায় সরবরাহ করা অবস্থাতেই।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ছয় বছর আগে যেসব সীমাবদ্ধতার কারণে আইসিইউ চালু করা যায়নি—জায়গার অভাব, চব্বিশ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জনবল না থাকা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি—সেই একই সমস্যা এখনো রয়ে গেছে অপরিবর্তিত অবস্থায়।

    মজুত কক্ষে সরেজমিনে দেখা গেছে, তিন শয্যার আইসিইউর জন্য বরাদ্দ ছয়টি হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা, তিনটি ভেন্টিলেটর, একটি এবিজি মেশিন, পেশেন্ট মনিটরসহ নানা যন্ত্রাংশ সারিবদ্ধভাবে রাখা। তবে এসব যন্ত্র এখনো সচল কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কেউই। সরবরাহের সময় নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদ অনুযায়ী, ২০২১ সালের এপ্রিলে আসা সরঞ্জামের মেয়াদ ইতিমধ্যে ফুরিয়ে গেছে, আর ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে সরবরাহ করা যন্ত্রগুলোরও মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে।

    এদিকে গত মে মাস থেকে জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সংক্রমণের হার এখন কিছুটা কমলেও প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন উপসর্গযুক্ত রোগী আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ পর্যন্ত শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় ৩৭ জন রোগী, বিশেষত শিশুকে, পাঠাতে হয়েছে চট্টগ্রামে।

    আইসোলেশন ওয়ার্ডের একজন জ্যেষ্ঠ শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানান, মজুত করে রাখা সরঞ্জামগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ করোনাকালে ব্যবহৃত এসব যন্ত্র এখন ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় আছে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এমনকি অনেক যন্ত্রের মেয়াদ একবারও ব্যবহৃত না হয়েই ফুরিয়ে গেছে বলে তিনি জানান।

    শুধু আইসিইউ সরঞ্জামই নয়, একই পরিণতি হয়েছে কোটি টাকা মূল্যের একটি আরটি-পিসিআর ল্যাবেরও। করোনাভাইরাস শনাক্তে ব্যবহৃত এই ল্যাবটিও ছয় বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। সাড়ে সাত ফুট দৈর্ঘ্য, তিন ফুট প্রস্থ ও প্রায় সাড়ে সাত ফুট উচ্চতার এই যন্ত্রটি স্থাপনের জন্য দরজা পর্যন্ত কেটে বড় করার চেষ্টা হয়েছিল, তবু সেটি বসানো সম্ভব হয়নি।

    হাসপাতালের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলে ল্যাবটি স্থাপনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, তবে এটি পরিচালনার জন্য বিশেষজ্ঞসহ অন্তত ১৩ জনের একটি দল প্রয়োজন বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

    হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা বলেন, ছয় বছর আগে যে কারণে আইসিইউ চালু করা যায়নি, এখনো একই পরিস্থিতি বহাল রয়েছে—জায়গা, জনবল ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংকট এখনো কাটেনি। তবে নির্মাণাধীন নতুন হাসপাতাল ভবন হস্তান্তর হলে এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া গেলে আইসিইউ সেবা চালুর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাঁর ভাষ্যমতে, নতুন ভবনের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে ৯৭ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

    সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, প্রয়োজনের সময় সরবরাহ করা মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম অবকাঠামোগত ও জনবল সংকটের ফাঁদে পড়ে অকেজো হয়ে যাচ্ছে, যা স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মধ্যকার সমন্বয়হীনতার একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    বাংলাদেশ

    গ্যাস আমদানির নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব উৎসের দিকে যেতে চায় সরকার

    সেপ্টেম্বর 7, 2026
    বাংলাদেশ

    ঢাকার পথে আরেক মেট্রোরেল: নতুন আশার পথে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থা

    সেপ্টেম্বর 7, 2026
    বাংলাদেশ

    কক্সবাজারে ২৭৫ কোটি টাকার পর্যটন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের

    সেপ্টেম্বর 7, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.