পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী রবিবার (১ নভেম্বর) থেকে মজুরি বোর্ড গঠন ও এর কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনে নিজ বাসায় শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ তথ্য জানান।
বৈঠকে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রসঙ্গও উঠে আসে। মজুরি বাড়লে শিল্পাঞ্চলে বাড়িভাড়াও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এতে শ্রমিকদের প্রকৃত আয়ের সুফল অনেকটাই কমে যায়। এ বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে শ্রমমন্ত্রী বলেন, শিল্পাঞ্চলে বাড়িভাড়া যাতে না বাড়ে, সে জন্য মন্ত্রণালয় ও সরকার কাজ করবে।
মজুরি বোর্ড গঠনের প্রস্তুতি কোন পর্যায়ে আছে, তা জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার। তিনি বলেন, শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তাদের প্রতিনিধির নাম পাওয়া গেছে। শনিবার তারা চূড়ান্ত প্রতিনিধি বেছে নিয়ে মন্ত্রণালয়কে জানাবেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) তিনি এ কথা বলেন।
মালিকপক্ষের সঙ্গেও আলোচনার সূচি ঠিক হয়েছে। শ্রমসচিব জানান, মজুরি বোর্ড গঠনের লক্ষ্যে শনিবার শ্রম ভবনে গার্মেন্টস শিল্পমালিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা।
সাধারণত মজুরি বোর্ডে সরকার, মালিক ও শ্রমিক, তিন পক্ষেরই প্রতিনিধি থাকেন। তাই দুই পক্ষের প্রতিনিধি চূড়ান্ত হওয়াই এখন বোর্ড গঠনের মূল ধাপ। শনিবারের এই দুই প্রক্রিয়া শেষ হলে রবিবার থেকে বোর্ডের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

