অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবারের নামে থাকা লকার সংক্রান্ত অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ১৯৯০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ওই শাখায় দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের নথি চাওয়া হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, শাখা ব্যবস্থাপক ও লকার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের নাম, পদবি, কর্মস্থল, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং যোগাযোগ নম্বর আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে লকার খোলার সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে লকারগুলো পরীক্ষা করে স্বর্ণ ও অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করা হয় এবং তালিকা তৈরি করা হয়।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সম্পদ বিবরণী যাচাই ও পরবর্তী সময়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের খোঁজে এই তদন্ত চালানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাংক লকারে সংরক্ষিত সম্পদের উৎস ও মালিকানা নিয়েও অনুসন্ধান চলছে।
লকারে পাওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিভিন্ন পারিবারিক সদস্যের নামে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত মালিকানা ও উৎস নির্ধারণের জন্য বিস্তারিত যাচাই চলছে।
দুদক জানিয়েছে, তদন্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সময়ের সব দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তথ্য সংগ্রহ করা জরুরি। এসব নথি বিশ্লেষণ করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে। সব মিলিয়ে ব্যাংক লকার সংক্রান্ত এই তদন্ত এখন আরও বিস্তৃত পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রশাসনিক ও আর্থিক নথিপত্রের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

