ব্যাংক হিসাবের জমা টাকার ওপর আবগারি শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে নতুন করে সীমা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে কোনো গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে গড় স্থিতি ৪ লাখ টাকা বা তার বেশি হলে বছরে একবার আবগারি শুল্ক দিতে হবে। আগে এই সীমা ছিল ৩ লাখ টাকা।
অর্থমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমাতে এই পরিবর্তন এনেছেন বলে জানা গেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সীমার নিচে থাকা হিসাবগুলোতে আবগারি শুল্ক আর প্রযোজ্য হবে না।
নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংক হিসাবের গড় স্থিতির ওপর বছরে একবার এই শুল্ক কাটা হয়। সাধারণত বছরের শেষে, বিশেষ করে ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকগুলো গ্রাহকের হিসাব থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই অর্থ কর্তন করে।
একাধিক হিসাব থাকলেও একই গ্রাহকের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী শুল্ক একবারই প্রযোজ্য হবে। একইভাবে কোনো ঋণ হিসাবের ক্ষেত্রেও একবারের বেশি আবগারি শুল্ক নেওয়া যাবে না।
আবগারি শুল্ক মূলত একটি পরোক্ষ কর, যা নির্দিষ্ট সেবা বা আর্থিক লেনদেনের ওপর সরকার আরোপ করে। ব্যাংকে টাকা রাখা ছাড়াও মোবাইল সেবা, তামাকজাত পণ্যসহ বিভিন্ন খাতে এই ধরনের শুল্ক কার্যকর থাকে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সীমা বাড়ানোর ফলে নিম্ন ও মধ্য আয়ের আমানতকারীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন, বিশেষ করে যারা সীমিত সঞ্চয় ব্যাংকে রাখেন।

