ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ বা মামলা দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। চাকরির বিধি অনুসরণ করে এসব মামলা দ্রুত সমাধানের জন্য দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে। সার্কুলারটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাবিরোধী অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা চলমান থাকলে তা দুই মাসের মধ্যে চাকরির বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংকিং খাতে মানবসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ২০০৫ সালের ৪ মে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। ওই নির্দেশনার মাধ্যমে এক ব্যাংকের কর্মীকে অন্য ব্যাংকে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলাজনিত অভিযোগ ও মামলার বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা দেওয়া হয়।
বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ওঠা শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ নিষ্পত্তির সময়সীমা বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে আগের সার্কুলারের একটি অনুচ্ছেদ সংশোধন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক মামলা বিচারাধীন থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে আগের সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সব তফসিলি ব্যাংককে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

