কোরবানির পশুর চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণে সচেতনতার ঘাটতির কারণেই অনেক ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি সম্ভব হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
আজ সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোরবানির পরপরই চামড়ায় লবণ ব্যবহার না করলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এতে অনেক চামড়ার মান কমে যায় এবং বাজারে বিক্রির সময় নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও বলেন, সরকার সাধারণত লবণযুক্ত ও সঠিকভাবে সংরক্ষিত চামড়ার জন্যই মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে কোরবানি দেওয়া অনেক মানুষ চামড়া দান করে দেন। এসব ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় অনেক চামড়া পচে যায়। ফলে মান নষ্ট হওয়ায় নির্ধারিত দাম পাওয়া সম্ভব হয় না।
মন্ত্রী জানান, চামড়া সংরক্ষণে সহায়তার অংশ হিসেবে সরকার এবার বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করেছে। এরপরও অনেক জায়গায় সংরক্ষণে অবহেলা ও সচেতনতার অভাবে চামড়ার গুণগত মান ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। চামড়া খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে কোরবানির পশুর চামড়া দেশের চামড়া ও চামড়াজাত শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে কাজে লাগতে পারে। এ জন্য মাঠপর্যায়ে আরও সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
এ সময় আসন্ন জাতীয় বাজেট প্রসঙ্গেও কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এবারের বাজেট ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব হবে। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

