Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বুধ, জুন 24, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এলডিসি উত্তরণে আরও ৩ বছর সময় বাড়ানোর সুপারিশ জাতিসংঘ কমিটির
    বাণিজ্য

    এলডিসি উত্তরণে আরও ৩ বছর সময় বাড়ানোর সুপারিশ জাতিসংঘ কমিটির

    নিউজ ডেস্কজুন 2, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পথে বাংলাদেশকে আরও তিন বছর অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটি। সুপারিশটি অনুমোদিত হলে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে যাবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য দেশটি অতিরিক্ত প্রস্তুতির সুযোগ পাবে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জানিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সময় বৃদ্ধির আবেদন করা হয়। পরে এপ্রিল মাসে জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পাঠানো উচ্চপর্যায়ের সরকারি বার্তার পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পর্যালোচনা করে উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটি ইতিবাচক মতামত দিয়েছে।

    কমিটির মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য নির্ধারিত তিনটি আন্তর্জাতিক সূচকেই বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় মানদণ্ডের অনেক ওপরে অবস্থান করছে। শুধু তাই নয়, আগামী কয়েক বছরেও এসব সূচকে বড় ধরনের অবনমন ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম। অর্থাৎ যোগ্যতার প্রশ্নে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল।

    তবে বৈশ্বিক বাস্তবতার কারণে উত্তরণ-পরবর্তী সময়কে আরও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার জন্য বাড়তি প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে জাতিসংঘের এই সংস্থা। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা, জ্বালানি বাজারের অনিশ্চয়তা, বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যনীতির দ্রুত পরিবর্তন বাংলাদেশের মতো রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সময় বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

    কমিটির পর্যবেক্ষণে আরও উঠে এসেছে, এলডিসি-পরবর্তী বাস্তবতায় সফলভাবে টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। এর মধ্যে আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, কর আদায়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ জোরদার করা এবং উৎপাদনশীল খাতের প্রতিযোগিতা বাড়ানো অন্যতম।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এলডিসি মর্যাদা থেকে বেরিয়ে আসার পর বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বেশ কিছু বিশেষ আন্তর্জাতিক সুবিধা হারাবে। বর্তমানে রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে যে শুল্ক ছাড় ও বিশেষ বাজার সুবিধা পাওয়া যায়, তার অনেকগুলো আর আগের মতো থাকবে না। একইভাবে উন্নয়ন সহযোগিতার কিছু ক্ষেত্রে শর্তও কঠোর হতে পারে। ফলে রপ্তানি খাত, শিল্প খাত এবং বিনিয়োগ পরিবেশকে নতুন বাস্তবতার জন্য প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    কমিটি মনে করছে, অর্থনীতির বহুমুখীকরণ এখন বাংলাদেশের অন্যতম বড় অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাক খাতের ওপর উচ্চমাত্রার নির্ভরতা দেশের অর্থনীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। তাই প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প, ওষুধ, কৃষি-প্রক্রিয়াজাত পণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা এবং উচ্চমূল্য সংযোজনকারী উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন।

    এছাড়া বেসরকারি খাতকে এলডিসি-পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের জন্য প্রস্তুত করার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে হলে উৎপাদন ব্যয় কমানো, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানো এবং পণ্যের মান উন্নয়নের বিকল্প নেই বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই সুপারিশ অনুমোদন করলে বাংলাদেশ তার ‘মসৃণ উত্তরণ কৌশল’ বাস্তবায়নের জন্য আরও সময় পাবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক সহায়তা ও বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

    একই সঙ্গে উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটি জোর দিয়ে বলেছে, উত্তরণের আগের সময় এবং পরবর্তী কয়েক বছরেও বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। স্বল্পসুদে ঋণ, কারিগরি সহায়তা, বাণিজ্য আলোচনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি-সম্পর্কিত কিছু সহায়ক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে উত্তরণ আরও কার্যকর ও টেকসই হবে।

    সরকার এই মূল্যায়নকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছে। সরকারি মহলের বিশ্বাস, চলমান সংস্কার কার্যক্রম, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমর্থন অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ শুধু এলডিসি থেকে সফলভাবে উত্তরণই করবে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতিতে পরিণত হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    অর্থনীতি

    পণ্যের মান ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধিই রপ্তানি বৃদ্ধির পথ খুলে দেবে

    জুন 24, 2026
    বাণিজ্য

    সিঙ্গাপুর থেকে ১৩৫৬ ব্যয়ে আসছে দুই কার্গো এলএনজি

    জুন 24, 2026
    অর্থনীতি

    অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি, কোথাও প্রবৃদ্ধি কোথাও পতন

    জুন 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.