দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে উচ্চমূল্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনছে সরকার। আগামী অক্টোবর মাসের জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম প্রায় ৩০ ডলার পর্যন্ত পড়ছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এলএনজি আমদানির একাধিক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবরের জন্য সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ হয়েছে ২৯ দশমিক ৭৯৫ ডলার।
এ ছাড়া আগামী ৯ ও ১০ অক্টোবরের জন্য যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে আরও এক কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে কেনা এই এলএনজির প্রতি এমএমবিটিইউ দাম পড়বে ২৮ দশমিক ৯৫ ডলার।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ছিল প্রায় ১০ ডলার। সেই তুলনায় বর্তমানে কিছু কার্গো প্রায় তিন গুণ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
তবে সব কার্গোর দাম সমান নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ড্যারাব ইনকের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব এলএনজির প্রতি এমএমবিটিইউ দাম পড়বে ১৭ ডলার।
একই পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মাইন্ড মিঙ্গেল এলএলসি থেকে আরও দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এসব কার্গোর প্রতি এমএমবিটিইউ দাম নির্ধারণ হয়েছে ১৯ ডলার।
অর্থাৎ অক্টোবরের জন্য অনুমোদিত এসব এলএনজি কার্গোর দামে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহকারীর ধরন অনুযায়ী প্রতি এমএমবিটিইউর দাম ১৭ ডলার থেকে প্রায় ৩০ ডলার পর্যন্ত পড়ছে।

