রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাজারে কোনোভাবেই স্বস্তি মিলছে না সাধারণ মানুষের। সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীতে সব ধরনের সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে মুরগির ডিমের দামও ডজনে অন্তত ৫ টাকা বেড়ে গিয়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। নিত্যপণ্যের এই চড়া মূল্যের কাছে জিম্মি হয়ে বাজার করতে আসা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা নিজেদের ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করছেন।
সরেজমিনে রাজধানীর মেরাদিয়াসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, যা গত দুদিন আগেও ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া চিচিঙ্গা ৭০, ঝিঙে ৮০, বেগুন ৮০ থেকে ১৪০, করলা ১০০, কাঁকরোল ১০০, ঢেঁড়স ১০০, টমেটো ১৬০, শিম ১৬০, বরবটি ১০০ এবং কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের চাল কুমড়া ৫০ টাকা ও লাউ ৭০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা, কক ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৩০ টাকায় অপরিবর্তিত থাকলেও ডিমের বাড়তি দর সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজার বিশেষ করে কারওয়ান বাজারে সরবরাহ কম থাকা এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ট্রাক বা পিকআপের চড়া ভাড়ার কারণে সবজি বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া সকালের দিকে টাটকা সবজির চাহিদা বেশি থাকায় দাম কিছুটা চড়া থাকলেও বিকেলের দিকে পচনশীল এই পণ্য বিক্রি করে দেওয়ার তাড়নায় ব্যবসায়ীরা কিছুটা ছাড় দিয়ে থাকেন। অন্যদিকে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও ২০০ টাকার কমে না নামায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ গৃহিণীরা।
(বাংলা ট্রিবিউন থেকে সংগৃহীত ও বিশ্লেষণকৃত তথ্য অবলম্বনে)

